পবিত্র ঈদ ও উৎসবের আবহে দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ঘরে বইছে আনন্দের হাওয়া। দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৈষম্যের শিকার দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের লাখ লাখ শিক্ষক ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটিয়ে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে সরকার।
নতুন
এই পরিকল্পনায় সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও মূল বেতন বা
বেসিকের ৫০ শতাংশ বাড়ানোর
উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমনকি ১১ থেকে ২০তম
গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই বেসিক শতভাগ
পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে গুঞ্জন
শোনা যাচ্ছে।
নতুন
এই পে-কমিশনের সুপারিশ
চূড়ান্ত হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান থেকে
শুরু করে সহকারী শিক্ষকদের
ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে এক
বড় অংকের টাকা।
বর্তমান
কাঠামো অনুযায়ী, চতুর্থ গ্রেডভুক্ত এমপিও কলেজের অধ্যক্ষদের মূল বেতন ৫০
হাজার টাকা, যা ৫০ শতাংশ
বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ৭৫
হাজার টাকায়। একইভাবে ষষ্ঠ গ্রেডের সহকারী
অধ্যাপকদের ৩৫ হাজার ৫০০
টাকার বেসিক বেড়ে হবে ৫৩
হাজার ২৫০ টাকা। সপ্তম
গ্রেডের উপাধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের
২৯ হাজার টাকার মূল বেতন বেড়ে
দাঁড়াবে ৪৩ হাজার ৫০০
টাকায়। এছাড়া নবম গ্রেডের কলেজ
প্রভাষকদের ২২ হাজার টাকার
বেতন বেড়ে ৩৩ হাজার
টাকা এবং দশম গ্রেডের
বিএডধারী সহকারী শিক্ষকদের ১৬ হাজার টাকার
বেসিক বেড়ে দাঁড়াবে ২৪
হাজার টাকায়।
সবচেয়ে
মানবিক দিকটি হচ্ছে ১১তম থেকে ২০তম
গ্রেডভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি।
এদের ক্ষেত্রে ৫০ ও ১০০
শতাংশ—দুই ধরনের হিসাবই
বিবেচনা করা হচ্ছে। ১১তম
গ্রেডের বিএডবিহীন সহকারী শিক্ষকদের বর্তমান বেসিক ১২ হাজার ৫০০
টাকা থেকে বেড়ে শতভাগ
বৃদ্ধিতে ২৫ হাজার টাকা
পর্যন্ত হতে পারে।
এছাড়া
১৬তম গ্রেডের অফিস সহকারীদের ৯
হাজার ৩০০ টাকার বেসিক
বেড়ে হতে পারে ১৮
হাজার ৬০০ টাকা। ২০তম
গ্রেডের অফিস সহায়ক, নিরাপত্তাকর্মী
ও আয়াদের বর্তমান ৮ হাজার ২৫০
টাকার বেসিক শতভাগ বাড়লে দাঁড়াবে ১৬ হাজার ৫০০
টাকায়।
এই মানবিক উদ্যোগ নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষা
জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের মহাসচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, "এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার।
বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিদ্যমান বেতনে পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
আসন্ন বাজেটে বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে
সরকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে। সেক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও বিবেচিত হবে বলে আশা
প্রকাশ করছি।"

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদ ও উৎসবের আবহে দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ঘরে বইছে আনন্দের হাওয়া। দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৈষম্যের শিকার দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের লাখ লাখ শিক্ষক ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটিয়ে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে সরকার।
নতুন
এই পরিকল্পনায় সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও মূল বেতন বা
বেসিকের ৫০ শতাংশ বাড়ানোর
উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমনকি ১১ থেকে ২০তম
গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই বেসিক শতভাগ
পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে গুঞ্জন
শোনা যাচ্ছে।
নতুন
এই পে-কমিশনের সুপারিশ
চূড়ান্ত হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান থেকে
শুরু করে সহকারী শিক্ষকদের
ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে এক
বড় অংকের টাকা।
বর্তমান
কাঠামো অনুযায়ী, চতুর্থ গ্রেডভুক্ত এমপিও কলেজের অধ্যক্ষদের মূল বেতন ৫০
হাজার টাকা, যা ৫০ শতাংশ
বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ৭৫
হাজার টাকায়। একইভাবে ষষ্ঠ গ্রেডের সহকারী
অধ্যাপকদের ৩৫ হাজার ৫০০
টাকার বেসিক বেড়ে হবে ৫৩
হাজার ২৫০ টাকা। সপ্তম
গ্রেডের উপাধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের
২৯ হাজার টাকার মূল বেতন বেড়ে
দাঁড়াবে ৪৩ হাজার ৫০০
টাকায়। এছাড়া নবম গ্রেডের কলেজ
প্রভাষকদের ২২ হাজার টাকার
বেতন বেড়ে ৩৩ হাজার
টাকা এবং দশম গ্রেডের
বিএডধারী সহকারী শিক্ষকদের ১৬ হাজার টাকার
বেসিক বেড়ে দাঁড়াবে ২৪
হাজার টাকায়।
সবচেয়ে
মানবিক দিকটি হচ্ছে ১১তম থেকে ২০তম
গ্রেডভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি।
এদের ক্ষেত্রে ৫০ ও ১০০
শতাংশ—দুই ধরনের হিসাবই
বিবেচনা করা হচ্ছে। ১১তম
গ্রেডের বিএডবিহীন সহকারী শিক্ষকদের বর্তমান বেসিক ১২ হাজার ৫০০
টাকা থেকে বেড়ে শতভাগ
বৃদ্ধিতে ২৫ হাজার টাকা
পর্যন্ত হতে পারে।
এছাড়া
১৬তম গ্রেডের অফিস সহকারীদের ৯
হাজার ৩০০ টাকার বেসিক
বেড়ে হতে পারে ১৮
হাজার ৬০০ টাকা। ২০তম
গ্রেডের অফিস সহায়ক, নিরাপত্তাকর্মী
ও আয়াদের বর্তমান ৮ হাজার ২৫০
টাকার বেসিক শতভাগ বাড়লে দাঁড়াবে ১৬ হাজার ৫০০
টাকায়।
এই মানবিক উদ্যোগ নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষা
জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের মহাসচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, "এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার।
বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিদ্যমান বেতনে পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
আসন্ন বাজেটে বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে
সরকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে। সেক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও বিবেচিত হবে বলে আশা
প্রকাশ করছি।"

আপনার মতামত লিখুন