জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, গণতন্ত্রের শক্তিশালী ভিত্তি ছাড়া বাংলাদেশের প্রকৃত মুক্তি কিংবা কাঙ্ক্ষিত সমৃদ্ধি অর্জন কোনোভাবেই সম্ভব নয়। দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধিকে একটি বড় ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল সার্কিট
হাউসে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর এটিই তার প্রথম বরিশাল সফর।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে স্পিকার বলেন, “দীর্ঘ ১৬ বছরের
স্বৈরশাসনের পর ছাত্র-জনতা, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে যেভাবে মাফিয়াতন্ত্রের
অবসান ঘটিয়েছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায় হিসেবে স্বর্ণাক্ষরে লেখা
থাকবে।” তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জনগণের এই সচেতনতা ও গণতন্ত্রের প্রতি প্রবল আগ্রহই
ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
স্পিকারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন)
আসনের এই সংসদ সদস্য মূলত তার নির্বাচনী এলাকায় চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি পর্যালোচনা
এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যেই এই সফর করছেন।
স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মেজর (অব.) হাফিজের এই
সফরকে কেন্দ্র করে বরিশাল ও ভোলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয়
বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা বিরাজ করছে। বিমানবন্দর থেকে
শুরু করে সার্কিট হাউস পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক মানুষ তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
সফর শেষে তিনি তার নির্বাচনী এলাকা লালমোহন ও তজুমদ্দিনে
বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, গণতন্ত্রের শক্তিশালী ভিত্তি ছাড়া বাংলাদেশের প্রকৃত মুক্তি কিংবা কাঙ্ক্ষিত সমৃদ্ধি অর্জন কোনোভাবেই সম্ভব নয়। দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধিকে একটি বড় ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল সার্কিট
হাউসে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর এটিই তার প্রথম বরিশাল সফর।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে স্পিকার বলেন, “দীর্ঘ ১৬ বছরের
স্বৈরশাসনের পর ছাত্র-জনতা, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে যেভাবে মাফিয়াতন্ত্রের
অবসান ঘটিয়েছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায় হিসেবে স্বর্ণাক্ষরে লেখা
থাকবে।” তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জনগণের এই সচেতনতা ও গণতন্ত্রের প্রতি প্রবল আগ্রহই
ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
স্পিকারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন)
আসনের এই সংসদ সদস্য মূলত তার নির্বাচনী এলাকায় চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি পর্যালোচনা
এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যেই এই সফর করছেন।
স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মেজর (অব.) হাফিজের এই
সফরকে কেন্দ্র করে বরিশাল ও ভোলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয়
বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা বিরাজ করছে। বিমানবন্দর থেকে
শুরু করে সার্কিট হাউস পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক মানুষ তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
সফর শেষে তিনি তার নির্বাচনী এলাকা লালমোহন ও তজুমদ্দিনে
বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন