নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল শিল্প মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভ্যুলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর এরোস্পেস প্রধান জেনারেল মাজিদ মুসাভি এই কড়া বার্তা দিয়েছেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, মঙ্গলবার
(২১ এপ্রিল) ইরানি গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই হুমকি প্রদান করেন।
জেনারেল মুসাভি স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো
নতুন আগ্রাসন হবে একটি চরম ভুল। বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের
ভূখণ্ড বা সামরিক স্থাপনা ব্যবহার করে ইরানে হামলার সুযোগ করে দেয়, তবে এর পরিণতি হবে
ভয়াবহ।
তিনি সরাসরি সতর্ক করে দিয়ে বলেন:
"দক্ষিণের প্রতিবেশীরা যদি শত্রুকে (যুক্তরাষ্ট্র) তাদের
স্থাপনা ব্যবহার করে ইরানে হামলার সুযোগ দেয়, তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের তেল উৎপাদনকে
বিদায় জানাতে হবে। উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল স্থাপনাগুলো আমাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।"
বর্তমানে উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের
গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ও হাজার হাজার সেনা মোতায়েন রয়েছে। ইরানের দাবি, এসব ঘাঁটি
ব্যবহার করে তাদের ওপর হামলা চালানো হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকেও এর দায়ভার বহন করতে হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আইআরজিসি কমান্ডারের এই বক্তব্য মূলত
মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর ওপর একটি মনস্তাত্ত্বিক চাপ। কারণ, এই অঞ্চলে
হামলা শুরু হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে ধস নামতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে
খাদের কিনারে ঠেলে দেবে।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে চলমান উত্তজনার মধ্যেই ইরানি কমান্ডারের
এই সামরিক হুমকি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলল।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল শিল্প মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভ্যুলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর এরোস্পেস প্রধান জেনারেল মাজিদ মুসাভি এই কড়া বার্তা দিয়েছেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, মঙ্গলবার
(২১ এপ্রিল) ইরানি গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই হুমকি প্রদান করেন।
জেনারেল মুসাভি স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো
নতুন আগ্রাসন হবে একটি চরম ভুল। বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের
ভূখণ্ড বা সামরিক স্থাপনা ব্যবহার করে ইরানে হামলার সুযোগ করে দেয়, তবে এর পরিণতি হবে
ভয়াবহ।
তিনি সরাসরি সতর্ক করে দিয়ে বলেন:
"দক্ষিণের প্রতিবেশীরা যদি শত্রুকে (যুক্তরাষ্ট্র) তাদের
স্থাপনা ব্যবহার করে ইরানে হামলার সুযোগ দেয়, তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের তেল উৎপাদনকে
বিদায় জানাতে হবে। উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল স্থাপনাগুলো আমাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।"
বর্তমানে উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের
গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ও হাজার হাজার সেনা মোতায়েন রয়েছে। ইরানের দাবি, এসব ঘাঁটি
ব্যবহার করে তাদের ওপর হামলা চালানো হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকেও এর দায়ভার বহন করতে হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আইআরজিসি কমান্ডারের এই বক্তব্য মূলত
মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর ওপর একটি মনস্তাত্ত্বিক চাপ। কারণ, এই অঞ্চলে
হামলা শুরু হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে ধস নামতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে
খাদের কিনারে ঠেলে দেবে।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে চলমান উত্তজনার মধ্যেই ইরানি কমান্ডারের
এই সামরিক হুমকি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলল।

আপনার মতামত লিখুন