বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদে (সিভিল জজ) নিয়োগের ক্ষেত্রে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি কমপক্ষে পাঁচ বছরের ওকালতির বাস্তব অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশন।
বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে আনুষ্ঠানিকবাবে এই দাবি জানানো হয়।
রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ মো. আবুল কাসেম এবং সাধারণ সম্পাদক পারভেজ তৌফিক জাহেদী স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, বিচার বিভাগে মানসম্মত নিয়োগের স্বার্থে বাস্তবভিত্তিক কারণেই এই অভিজ্ঞতার শর্ত যুক্ত করা প্রয়োজন।
দাবির স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়, ২০০৭ সালে যখন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক হয়, তখনও জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দিতে দুই বছরের আইন পেশার অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক ছিল। এছাড়া পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর অধস্তন বিচার বিভাগে (জুডিশিয়ারি) প্রবেশের ক্ষেত্রেও আইন পেশার পূর্ব-অভিজ্ঞতার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা চিঠিতে আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার ক্ষেত্রেও ন্যূনতম দশ বছরের ওকালতির বাস্তব অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে অধস্তন বিচার আদালতের প্রবেশ পদেও অভিজ্ঞতা থাকা বাঞ্ছনীয়।
অভিজ্ঞতার শর্ত যুক্ত করা হলে বয়সসীমার যে জটিলতা তৈরি হতে পারে, সে বিষয়েও চিঠিতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, প্রয়োজনে অধস্তন জুডিশিয়ারিতে প্রবেশ এবং অবসরের বয়সসীমায় পরিবর্তন আনা যেতে পারে।
চিঠির শেষে, পাঁচ বছরের ওকালতির অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে সিভিল জজ নিয়োগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
বিষয়টি অবগত করতে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এই চিঠির অনুলিপি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী, অ্যাটর্নি জেনারেল, আইন সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং রাজশাহীর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদে (সিভিল জজ) নিয়োগের ক্ষেত্রে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি কমপক্ষে পাঁচ বছরের ওকালতির বাস্তব অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশন।
বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে আনুষ্ঠানিকবাবে এই দাবি জানানো হয়।
রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ মো. আবুল কাসেম এবং সাধারণ সম্পাদক পারভেজ তৌফিক জাহেদী স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, বিচার বিভাগে মানসম্মত নিয়োগের স্বার্থে বাস্তবভিত্তিক কারণেই এই অভিজ্ঞতার শর্ত যুক্ত করা প্রয়োজন।
দাবির স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়, ২০০৭ সালে যখন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক হয়, তখনও জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দিতে দুই বছরের আইন পেশার অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক ছিল। এছাড়া পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর অধস্তন বিচার বিভাগে (জুডিশিয়ারি) প্রবেশের ক্ষেত্রেও আইন পেশার পূর্ব-অভিজ্ঞতার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা চিঠিতে আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার ক্ষেত্রেও ন্যূনতম দশ বছরের ওকালতির বাস্তব অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে অধস্তন বিচার আদালতের প্রবেশ পদেও অভিজ্ঞতা থাকা বাঞ্ছনীয়।
অভিজ্ঞতার শর্ত যুক্ত করা হলে বয়সসীমার যে জটিলতা তৈরি হতে পারে, সে বিষয়েও চিঠিতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, প্রয়োজনে অধস্তন জুডিশিয়ারিতে প্রবেশ এবং অবসরের বয়সসীমায় পরিবর্তন আনা যেতে পারে।
চিঠির শেষে, পাঁচ বছরের ওকালতির অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে সিভিল জজ নিয়োগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
বিষয়টি অবগত করতে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এই চিঠির অনুলিপি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী, অ্যাটর্নি জেনারেল, আইন সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং রাজশাহীর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন