সংবাদ

সৌদি থেকে আসছে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম

সৌদি থেকে আসছে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

আঞ্চলিক উত্তেজনা ও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কার মাঝেই স্বস্তির খবর নিয়ে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশের পথে রওনা হয়েছে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেলবাহী একটি বড় জাহাজ। ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের এই ট্যাংকারটি আগামী ৪ বা ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে ঝুঁকি এড়াতে জাহাজটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে লোহিত সাগর উপকূল হয়ে বাংলাদেশে আসছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে জাহাজটি যাত্রা শুরু করেছে। সাধারণত সৌদি আরব থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে ১৪ থেকে ১৫ দিন সময় লাগে।

১ লাখ টন ক্রুড অয়েল বা অপরিশোধিত তেল আসার ফলে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি ঘিরে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা অনেকটাই দূর হবে। তবে শরিফ হাসনাত একটি আশঙ্কার কথা জানিয়ে বলেন, ‘নর্ডিক পোলাক্স’ নামে আরেকটি জাহাজ ১ লাখ মেট্রিক টন তেল নিয়ে এখনও হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে। জাহাজটি সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে থাকলেও ইরানের বিশেষ ছাড়পত্র না পাওয়ায় বাংলাদেশে আসতে পারছে না।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্যমতে, দেশে জ্বালানি তেলের বর্তমান বার্ষিক চাহিদা ও ব্যবহারের ধরণ নিম্নরূপ:

  • বার্ষিক চাহিদা: প্রায় ৭২ লাখ টন।
  • আমদানির ওপর নির্ভরতা: মোট চাহিদার ৯২ শতাংশ বিপিসি-কে আমদানি করতে হয়; বাকি ৮ শতাংশ স্থানীয় উৎস থেকে আসে।
  • শোধনের সক্ষমতা: ইস্টার্ন রিফাইনারি প্রতি বছর ১৫ লাখ টন ক্রুড অয়েল শোধন করে, যা মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সময়মতো এই ১ লাখ টন তেল পৌঁছালে বিশেষ করে পরিবহন ও কৃষি খাতে জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬


সৌদি থেকে আসছে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

আঞ্চলিক উত্তেজনা ও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কার মাঝেই স্বস্তির খবর নিয়ে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশের পথে রওনা হয়েছে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেলবাহী একটি বড় জাহাজ। ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের এই ট্যাংকারটি আগামী ৪ বা ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে ঝুঁকি এড়াতে জাহাজটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে লোহিত সাগর উপকূল হয়ে বাংলাদেশে আসছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে জাহাজটি যাত্রা শুরু করেছে। সাধারণত সৌদি আরব থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে ১৪ থেকে ১৫ দিন সময় লাগে।

১ লাখ টন ক্রুড অয়েল বা অপরিশোধিত তেল আসার ফলে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি ঘিরে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা অনেকটাই দূর হবে। তবে শরিফ হাসনাত একটি আশঙ্কার কথা জানিয়ে বলেন, ‘নর্ডিক পোলাক্স’ নামে আরেকটি জাহাজ ১ লাখ মেট্রিক টন তেল নিয়ে এখনও হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে। জাহাজটি সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে থাকলেও ইরানের বিশেষ ছাড়পত্র না পাওয়ায় বাংলাদেশে আসতে পারছে না।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্যমতে, দেশে জ্বালানি তেলের বর্তমান বার্ষিক চাহিদা ও ব্যবহারের ধরণ নিম্নরূপ:

  • বার্ষিক চাহিদা: প্রায় ৭২ লাখ টন।
  • আমদানির ওপর নির্ভরতা: মোট চাহিদার ৯২ শতাংশ বিপিসি-কে আমদানি করতে হয়; বাকি ৮ শতাংশ স্থানীয় উৎস থেকে আসে।
  • শোধনের সক্ষমতা: ইস্টার্ন রিফাইনারি প্রতি বছর ১৫ লাখ টন ক্রুড অয়েল শোধন করে, যা মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সময়মতো এই ১ লাখ টন তেল পৌঁছালে বিশেষ করে পরিবহন ও কৃষি খাতে জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত