রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত বিকল্প স্থানে পুনর্বাসনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। হকাররা যাতে সম্মানের সাথে ও স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
শনিবার
তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে
তিনি এই নির্দেশনা প্রদান
করেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগ, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন,
রাজউক ও ডিএমপির শীর্ষ
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উচ্ছেদ
হকারদের জীবন-জীবিকার কথা
বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
"উচ্ছেদ হওয়া হকারদের এমন
জায়গায় পুনর্বাসন করতে হবে, যেখানে
তারা স্বাচ্ছন্দ্য ও উৎসাহের সঙ্গে
ব্যবসা করতে পারবেন।"
শুধু
উচ্ছেদ করলেই হবে না, তাদের
বিকল্প কর্মসংস্থানের বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে বলে
তিনি মত প্রকাশ করেন।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সরকার হকারদের
জন্য দ্রুত বিকল্প জায়গা নির্ধারণ করবে। পাশাপাশি হকারদের কার্যক্রম সুশৃঙ্খল করতে নিবন্ধনের মাধ্যমে
ডিজিটাল পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে।
এর আগে,
সম্প্রতি মিরপুর, মতিঝিল, বায়তুল মোকাররম ও গুলিস্তানসহ রাজধানীর
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা থেকে কয়েক শতাধিক
অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়।
হকারদের
পাশাপাশি রাজধানীর যানজট নিরসনে স্কুল-কলেজের গাড়ি পার্কিং নিয়ে
কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, "শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
সামনে অনিয়ন্ত্রিত গাড়ি পার্কিংয়ের কারণে
তীব্র যানজট তৈরি হয়।" এই
সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব মাঠের একটি অংশ পার্কিংয়ের
কাজে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন
তিনি। বিশেষ করে স্কুল শুরু
ও ছুটির সময়ে যাতে যানচলাচল
স্বাভাবিক থাকে, সে লক্ষে ট্রাফিক
বিভাগকে আরও সক্রিয় হওয়ার
তাগিদ দেওয়া হয়।
উচ্চপর্যায়ের
এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার সচিব শহীদুল হাসান,
রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি
করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান এবং ডিএমপির
ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ারসহ ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তারা। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেন যেন সংশ্লিষ্ট
সকল বিভাগ সমন্বিতভাবে হকার পুনর্বাসন ও
ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়নে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত বিকল্প স্থানে পুনর্বাসনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। হকাররা যাতে সম্মানের সাথে ও স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
শনিবার
তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে
তিনি এই নির্দেশনা প্রদান
করেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগ, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন,
রাজউক ও ডিএমপির শীর্ষ
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উচ্ছেদ
হকারদের জীবন-জীবিকার কথা
বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
"উচ্ছেদ হওয়া হকারদের এমন
জায়গায় পুনর্বাসন করতে হবে, যেখানে
তারা স্বাচ্ছন্দ্য ও উৎসাহের সঙ্গে
ব্যবসা করতে পারবেন।"
শুধু
উচ্ছেদ করলেই হবে না, তাদের
বিকল্প কর্মসংস্থানের বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে বলে
তিনি মত প্রকাশ করেন।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সরকার হকারদের
জন্য দ্রুত বিকল্প জায়গা নির্ধারণ করবে। পাশাপাশি হকারদের কার্যক্রম সুশৃঙ্খল করতে নিবন্ধনের মাধ্যমে
ডিজিটাল পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে।
এর আগে,
সম্প্রতি মিরপুর, মতিঝিল, বায়তুল মোকাররম ও গুলিস্তানসহ রাজধানীর
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা থেকে কয়েক শতাধিক
অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়।
হকারদের
পাশাপাশি রাজধানীর যানজট নিরসনে স্কুল-কলেজের গাড়ি পার্কিং নিয়ে
কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, "শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
সামনে অনিয়ন্ত্রিত গাড়ি পার্কিংয়ের কারণে
তীব্র যানজট তৈরি হয়।" এই
সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব মাঠের একটি অংশ পার্কিংয়ের
কাজে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন
তিনি। বিশেষ করে স্কুল শুরু
ও ছুটির সময়ে যাতে যানচলাচল
স্বাভাবিক থাকে, সে লক্ষে ট্রাফিক
বিভাগকে আরও সক্রিয় হওয়ার
তাগিদ দেওয়া হয়।
উচ্চপর্যায়ের
এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার সচিব শহীদুল হাসান,
রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি
করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান এবং ডিএমপির
ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ারসহ ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তারা। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেন যেন সংশ্লিষ্ট
সকল বিভাগ সমন্বিতভাবে হকার পুনর্বাসন ও
ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়নে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

আপনার মতামত লিখুন