যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার করলেই কেবল নতুন করে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রয়েছে ইরান। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনকে চলমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বন্ধ করারও আহ্বান জানিয়েছে তেহরান। বুধবার (২২ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি দেশটির
একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আলোচনার জন্য কয়েকটি শর্তের কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, নতুন করে কোনো সংলাপ শুরু করার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
বন্ধ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র কার্যকরভাবে অবরোধ তুলে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাকিস্তানের
রাজধানী ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে।
সাক্ষাৎকারে আমির সাঈদ ইরাভানি জোর দিয়ে বলেন, ইরান যেকোনো
পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন:
"ইরান কখনোই কোনো সামরিক আগ্রাসনের সূচনা করেনি। যুক্তরাষ্ট্র
যদি রাজনৈতিক সমাধান চায়, তবে আমরা তার জন্য সদা প্রস্তুত রয়েছি। আর যদি তারা যুদ্ধের
পথ বেছে নিতে চায়, তবে তাতেও ইরান প্রস্তুত আছে।"
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র
ও ইরানের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের
বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ বজায় রাখায় দেশটির অর্থনীতি বড় ধরনের চাপের মুখে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে
ইরানি রাষ্ট্রদূতের এই মন্তব্য আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের একটি ইঙ্গিত দিলেও, তাতে
অবরোধ প্রত্যাহারের শর্তটি প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার করলেই কেবল নতুন করে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রয়েছে ইরান। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনকে চলমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বন্ধ করারও আহ্বান জানিয়েছে তেহরান। বুধবার (২২ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি দেশটির
একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আলোচনার জন্য কয়েকটি শর্তের কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, নতুন করে কোনো সংলাপ শুরু করার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
বন্ধ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র কার্যকরভাবে অবরোধ তুলে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাকিস্তানের
রাজধানী ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে।
সাক্ষাৎকারে আমির সাঈদ ইরাভানি জোর দিয়ে বলেন, ইরান যেকোনো
পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন:
"ইরান কখনোই কোনো সামরিক আগ্রাসনের সূচনা করেনি। যুক্তরাষ্ট্র
যদি রাজনৈতিক সমাধান চায়, তবে আমরা তার জন্য সদা প্রস্তুত রয়েছি। আর যদি তারা যুদ্ধের
পথ বেছে নিতে চায়, তবে তাতেও ইরান প্রস্তুত আছে।"
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র
ও ইরানের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের
বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ বজায় রাখায় দেশটির অর্থনীতি বড় ধরনের চাপের মুখে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে
ইরানি রাষ্ট্রদূতের এই মন্তব্য আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের একটি ইঙ্গিত দিলেও, তাতে
অবরোধ প্রত্যাহারের শর্তটি প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন