১৮২ রানের পাহাড় টপকাতে আগে কখনও পারেনি টাইগাররা। সেই পাহাড় তারা জয় করল মাত্র ১৮ ওভারে। হৃদয়, পারভেজ আর শামীমের ব্যাটিং ঝড়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ।
গল্পটা শুরু হয়েছিল শঙ্কা দিয়ে। প্রথম ১১ ওভারেই হাতে ছিল মাত্র ৭৭ রান, হারিয়ে ফেলেছে ৩ উইকেট। মাঠ চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়াম। সামনে লক্ষ্য ১৮২ রান। এর বড় পরিসংখ্যান- এই মাঠে আগে একবারই ১৭০ রান তাড়া করতে পেরেছিল বাংলাদেশ। ১৮২ কখনও নয়।
তারপর এলেন তাওহিদ হৃদয়। তার সঙ্গে পারভেজ হোসেন ইমন ও শামীম হোসেন। বাংলাদেশের তখন দরকার ছিল ৫৯ বলে ১০৬ রান। অর্থাৎ ওভারপ্রতি চাই প্রায় ১১ রান। টি-টোয়েন্টিতে যা প্রায় অসম্ভব। হৃদয় বললেন, ‘সম্ভব।’
এর আগে হৃদয়ের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে হাফসেঞ্চুরি ছিল ৫টি। এটা তার ষষ্ঠ। ২৭ বলে অপরাজিত ৫১ রান। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ২ চার ও ৩ ছক্কা। পারভেজ খেলেন ১৪ বলে ২৮ রান। ১ চার ও ২ ছক্কা। শামীম ১৩ বলে ৩১ রান অপরাজিত। ৩ চার ও ২ ছক্কা।
হৃদয় ও শামীমের জুটি শেষ দিকে যোগ করেছে ২১ বলে ৪৯ রান। আর হৃদয়-পারভেজের জুটি ২৮ বলে ৫৭ রান। এই তিন ব্যাটসম্যানের হাত ধরেই ১২ বল আগেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় টাইগাররা।
অধিনায়ক লিটন দাস ফিরেছেন ১৫ বলে ২১ রানে। সাইফ হাসান ১৬ বলে ১৭, তানজিদ হাসান তামিম ২৫ বলে ২০ রানে আউট। তিন ওপেনার মিলে দলকে বড় ইনিংস উপহার দিতে পারেননি। কিন্তু মিডল অর্ডার সে ঘাটতি পুষিয়ে দিয়েছে।
কিউই শিবিরে কাটেনে ক্লার্ক ৩৭ বলে ৫১, ডেন ক্লেভার ২৮ বলে ৫১। অধিনায়ক নিক কেলি করেন ২৭ বলে ৩৯। জশ ক্লার্কসন অপরাজিত ১৪ বলে ২৭।
দুর্দান্ত শুরু করেও শেষ দিকে কিছুটা ধীর হতে হয় তাদের। রিশাদ হোসেন বোলিংয়ে দম বন্ধ করেন। নিয়েছেন ৩২ রানে ২ উইকেট। প্রথমবার জাতীয় দলের জার্সিতে খেলা পেসার রিপন মন্ডল পাননি কোনো উইকেট। দিয়েছেন ৩৯ রান।
তিন ম্যাচ সিরিজে এগিয়ে গেল লিটন-হৃদয়ের দল ১-০ ব্যবধানে। আর টি-টোয়েন্টিতে ঘরের মাঠে এটি তাদের সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া। এর আগে গত বছর একই মাঠে আয়ারল্যান্ডের ১৭০ রান তাড়া করতে পেরেছিল তারা।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
১৮২ রানের পাহাড় টপকাতে আগে কখনও পারেনি টাইগাররা। সেই পাহাড় তারা জয় করল মাত্র ১৮ ওভারে। হৃদয়, পারভেজ আর শামীমের ব্যাটিং ঝড়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ।
গল্পটা শুরু হয়েছিল শঙ্কা দিয়ে। প্রথম ১১ ওভারেই হাতে ছিল মাত্র ৭৭ রান, হারিয়ে ফেলেছে ৩ উইকেট। মাঠ চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়াম। সামনে লক্ষ্য ১৮২ রান। এর বড় পরিসংখ্যান- এই মাঠে আগে একবারই ১৭০ রান তাড়া করতে পেরেছিল বাংলাদেশ। ১৮২ কখনও নয়।
তারপর এলেন তাওহিদ হৃদয়। তার সঙ্গে পারভেজ হোসেন ইমন ও শামীম হোসেন। বাংলাদেশের তখন দরকার ছিল ৫৯ বলে ১০৬ রান। অর্থাৎ ওভারপ্রতি চাই প্রায় ১১ রান। টি-টোয়েন্টিতে যা প্রায় অসম্ভব। হৃদয় বললেন, ‘সম্ভব।’
এর আগে হৃদয়ের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে হাফসেঞ্চুরি ছিল ৫টি। এটা তার ষষ্ঠ। ২৭ বলে অপরাজিত ৫১ রান। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ২ চার ও ৩ ছক্কা। পারভেজ খেলেন ১৪ বলে ২৮ রান। ১ চার ও ২ ছক্কা। শামীম ১৩ বলে ৩১ রান অপরাজিত। ৩ চার ও ২ ছক্কা।
হৃদয় ও শামীমের জুটি শেষ দিকে যোগ করেছে ২১ বলে ৪৯ রান। আর হৃদয়-পারভেজের জুটি ২৮ বলে ৫৭ রান। এই তিন ব্যাটসম্যানের হাত ধরেই ১২ বল আগেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় টাইগাররা।
অধিনায়ক লিটন দাস ফিরেছেন ১৫ বলে ২১ রানে। সাইফ হাসান ১৬ বলে ১৭, তানজিদ হাসান তামিম ২৫ বলে ২০ রানে আউট। তিন ওপেনার মিলে দলকে বড় ইনিংস উপহার দিতে পারেননি। কিন্তু মিডল অর্ডার সে ঘাটতি পুষিয়ে দিয়েছে।
কিউই শিবিরে কাটেনে ক্লার্ক ৩৭ বলে ৫১, ডেন ক্লেভার ২৮ বলে ৫১। অধিনায়ক নিক কেলি করেন ২৭ বলে ৩৯। জশ ক্লার্কসন অপরাজিত ১৪ বলে ২৭।
দুর্দান্ত শুরু করেও শেষ দিকে কিছুটা ধীর হতে হয় তাদের। রিশাদ হোসেন বোলিংয়ে দম বন্ধ করেন। নিয়েছেন ৩২ রানে ২ উইকেট। প্রথমবার জাতীয় দলের জার্সিতে খেলা পেসার রিপন মন্ডল পাননি কোনো উইকেট। দিয়েছেন ৩৯ রান।
তিন ম্যাচ সিরিজে এগিয়ে গেল লিটন-হৃদয়ের দল ১-০ ব্যবধানে। আর টি-টোয়েন্টিতে ঘরের মাঠে এটি তাদের সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া। এর আগে গত বছর একই মাঠে আয়ারল্যান্ডের ১৭০ রান তাড়া করতে পেরেছিল তারা।

আপনার মতামত লিখুন