চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে কাল অলিখিত ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। মিরপুরের মন্থর আর অসম বাউন্সের উইকেট পেরিয়ে সাগরিকায় যখন লড়াইয়ের প্রস্তুতি চলছে, তখন আলোচনায় বাংলাদেশের ধারালো পেস আক্রমণ। একসময় কেবল স্পিন বিষে নীল করা বাংলাদেশ এখন প্রতিপক্ষকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে গতির ঝড়ে। কিউই পেসার উইল ও’রুর্ক অকপটেই স্বীকার করে নিলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পেস ইউনিট যেকোনো দলের জন্যই বড় হুমকি।
সিরিজ
নির্ধারণী ম্যাচের আগে বুধবার সংবাদ
সম্মেলনে রুর্ক বাংলাদেশের পেসারদের প্রশংসায় ভাসিয়ে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা এখানে আসার
আগে থেকেই ধারণা করেছিলাম যে এখানে কিছুটা
পেস সহায়ক উইকেট পাওয়া যেতে পারে। এই
মুহূর্তে বাংলাদেশের খুব ভালো একটি
সিম আক্রমণ আছে এবং কয়েকজন
বিশ্বমানের বোলারও আছে। শেষ ম্যাচে
রানাও খুব ভালো বোলিং
করেছে এবং ফিজের মতো
বোলাররাও আছে। তাই নিঃসন্দেহে
তাদের একটি দারুণ পেস
আক্রমণ আছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি
আশা করছিলাম উইকেটগুলো কিছুটা সিম সহায়ক হবে
এবং আসলে সেটাই হয়েছে।
তাই এখন দেখা যাক
কাল কী হয়।’
চট্টগ্রামের
উইকেট সাধারণত ব্যাটিং স্বর্গাভূমি হিসেবে পরিচিত হলেও কন্ডিশন বুঝে
দ্রুত মানিয়ে নিতে চায় সফরকারীরা।
কিউইদের এই দলে অনেক
ক্রিকেটারেরই বাংলাদেশে খেলার পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। সেই চ্যালেঞ্জ
নিয়ে রুর্ক বলেন, ‘আমরা এটা নিয়ে
অনেক কথা বলি। এখানে
আমাদের বেশ নতুন একটা
দল এসেছে। আমাদের অনেকেই আগে এখানে আসেনি
এবং বাংলাদেশে খুব বেশি ম্যাচও
খেলেনি। তাই সফরে আসার
আগেই আমরা জানতাম যে
ম্যাচের দিনই আমাদের পরিস্থিতির
সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে এবং
দেখতে হবে পিচ আমাদের
জন্য কী দিচ্ছে। তাই
মনে হয় কালও একই
রকম হবে। আমরা আগে
ব্যাট করি বা বোলিং
করি—দ্রুত বুঝে নিতে হবে
উইকেটটা কেমন এবং সেই
অনুযায়ী সেরা পরিকল্পনাটা করতে
হবে।’
সিরিজের
প্রথম দুই ম্যাচে ১-১ সমতা থাকায়
বৃহস্পতিবারের ম্যাচটি রূপ নিয়েছে সিরিজ
নির্ধারণী লড়াইয়ে। ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে কিউই
শিবির যে আত্মবিশ্বাসী, তা
স্পষ্ট রুর্কের কথায়। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ,
অবশ্যই। আমরা এখানে এসে
সিরিজ জেতার ব্যাপারটাকে খুব গুরুত্ব দিচ্ছি
এবং সেটা নিয়ে গর্বও
করি। তাই ছেলেরা অবশ্যই
প্রস্তুত থাকবে। আজ আমরা ভালোভাবে
প্রস্তুতি নেব এবং কাল
মাঠে নেমে অবশ্যই আমাদের
সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব এবং সিরিজ
জিততে চাইব।’ এখন দেখার বিষয়,
তাসকিন-ফিজ-রানাদের গতি
সামলে কিউইরা শেষ হাসি হাসতে
পারে কি না।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে কাল অলিখিত ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। মিরপুরের মন্থর আর অসম বাউন্সের উইকেট পেরিয়ে সাগরিকায় যখন লড়াইয়ের প্রস্তুতি চলছে, তখন আলোচনায় বাংলাদেশের ধারালো পেস আক্রমণ। একসময় কেবল স্পিন বিষে নীল করা বাংলাদেশ এখন প্রতিপক্ষকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে গতির ঝড়ে। কিউই পেসার উইল ও’রুর্ক অকপটেই স্বীকার করে নিলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পেস ইউনিট যেকোনো দলের জন্যই বড় হুমকি।
সিরিজ
নির্ধারণী ম্যাচের আগে বুধবার সংবাদ
সম্মেলনে রুর্ক বাংলাদেশের পেসারদের প্রশংসায় ভাসিয়ে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা এখানে আসার
আগে থেকেই ধারণা করেছিলাম যে এখানে কিছুটা
পেস সহায়ক উইকেট পাওয়া যেতে পারে। এই
মুহূর্তে বাংলাদেশের খুব ভালো একটি
সিম আক্রমণ আছে এবং কয়েকজন
বিশ্বমানের বোলারও আছে। শেষ ম্যাচে
রানাও খুব ভালো বোলিং
করেছে এবং ফিজের মতো
বোলাররাও আছে। তাই নিঃসন্দেহে
তাদের একটি দারুণ পেস
আক্রমণ আছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি
আশা করছিলাম উইকেটগুলো কিছুটা সিম সহায়ক হবে
এবং আসলে সেটাই হয়েছে।
তাই এখন দেখা যাক
কাল কী হয়।’
চট্টগ্রামের
উইকেট সাধারণত ব্যাটিং স্বর্গাভূমি হিসেবে পরিচিত হলেও কন্ডিশন বুঝে
দ্রুত মানিয়ে নিতে চায় সফরকারীরা।
কিউইদের এই দলে অনেক
ক্রিকেটারেরই বাংলাদেশে খেলার পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। সেই চ্যালেঞ্জ
নিয়ে রুর্ক বলেন, ‘আমরা এটা নিয়ে
অনেক কথা বলি। এখানে
আমাদের বেশ নতুন একটা
দল এসেছে। আমাদের অনেকেই আগে এখানে আসেনি
এবং বাংলাদেশে খুব বেশি ম্যাচও
খেলেনি। তাই সফরে আসার
আগেই আমরা জানতাম যে
ম্যাচের দিনই আমাদের পরিস্থিতির
সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে এবং
দেখতে হবে পিচ আমাদের
জন্য কী দিচ্ছে। তাই
মনে হয় কালও একই
রকম হবে। আমরা আগে
ব্যাট করি বা বোলিং
করি—দ্রুত বুঝে নিতে হবে
উইকেটটা কেমন এবং সেই
অনুযায়ী সেরা পরিকল্পনাটা করতে
হবে।’
সিরিজের
প্রথম দুই ম্যাচে ১-১ সমতা থাকায়
বৃহস্পতিবারের ম্যাচটি রূপ নিয়েছে সিরিজ
নির্ধারণী লড়াইয়ে। ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে কিউই
শিবির যে আত্মবিশ্বাসী, তা
স্পষ্ট রুর্কের কথায়। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ,
অবশ্যই। আমরা এখানে এসে
সিরিজ জেতার ব্যাপারটাকে খুব গুরুত্ব দিচ্ছি
এবং সেটা নিয়ে গর্বও
করি। তাই ছেলেরা অবশ্যই
প্রস্তুত থাকবে। আজ আমরা ভালোভাবে
প্রস্তুতি নেব এবং কাল
মাঠে নেমে অবশ্যই আমাদের
সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব এবং সিরিজ
জিততে চাইব।’ এখন দেখার বিষয়,
তাসকিন-ফিজ-রানাদের গতি
সামলে কিউইরা শেষ হাসি হাসতে
পারে কি না।

আপনার মতামত লিখুন