সারাদেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া হামের প্রকোপে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও নয়জন প্রাণ হারিয়েছেন। ভয়াবহ এই সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে এবং উপসর্গ নিয়ে গত একদিনে তাদের মৃত্যু হয়।
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের
মধ্যে তিনজনের ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে হামের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে এবং বাকি
ছয়জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের স্বাস্থ্য খাতে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির
সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার
বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন
সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম
থেকে জানানো হয়, গত ১৫
মার্চ থেকে হামের প্রাদুর্ভাব
বৃদ্ধির পর এ পর্যন্ত
নিশ্চিতভাবে ৪৭ জন মৃত্যুবরণ
করেছেন। তবে উপসর্গ বিবেচনায়
নিলে এই মৃত্যুর সংখ্যা
আরও অনেক বেশি হওয়ার
আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই
সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৬ জনে।
সরকারি
হিসাব অনুযায়ী, গত দেড় মাসে
৪ হাজার ৮৫৬ জন রোগী
নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন।
অন্যদিকে, সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ৩৪ হাজার ৬৬২
জনে, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতাকে
তুলে ধরছে।
হামের
এই বিস্তারের ফলে দেশের হাসপাতালগুলোতে
রোগীদের চাপ কয়েকগুণ বৃদ্ধি
পেয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চের পর
থেকে এ পর্যন্ত হামের
লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি
হয়েছেন ২৩ হাজার ৩৪৮
জন রোগী। চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন
১৯ হাজার ৯৯১ জন।
স্বাস্থ্য
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে এই সংক্রমণের হার
বেশি দেখা যাচ্ছে, যা
অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। হঠাৎ করে হামের
এই উর্ধ্বগতি মোকাবিলায় সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করাসহ সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে
যে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ
চালাচ্ছেন এবং আক্রান্তদের যথাযথ
চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কাজ করে
যাচ্ছেন। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন যে, জ্বর বা
শরীরে লালচে দানা দেখা দিলে
কালক্ষেপণ না করে নিকটস্থ
হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
সারাদেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া হামের প্রকোপে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও নয়জন প্রাণ হারিয়েছেন। ভয়াবহ এই সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে এবং উপসর্গ নিয়ে গত একদিনে তাদের মৃত্যু হয়।
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের
মধ্যে তিনজনের ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে হামের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে এবং বাকি
ছয়জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের স্বাস্থ্য খাতে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির
সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার
বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন
সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম
থেকে জানানো হয়, গত ১৫
মার্চ থেকে হামের প্রাদুর্ভাব
বৃদ্ধির পর এ পর্যন্ত
নিশ্চিতভাবে ৪৭ জন মৃত্যুবরণ
করেছেন। তবে উপসর্গ বিবেচনায়
নিলে এই মৃত্যুর সংখ্যা
আরও অনেক বেশি হওয়ার
আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই
সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৬ জনে।
সরকারি
হিসাব অনুযায়ী, গত দেড় মাসে
৪ হাজার ৮৫৬ জন রোগী
নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন।
অন্যদিকে, সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ৩৪ হাজার ৬৬২
জনে, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতাকে
তুলে ধরছে।
হামের
এই বিস্তারের ফলে দেশের হাসপাতালগুলোতে
রোগীদের চাপ কয়েকগুণ বৃদ্ধি
পেয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চের পর
থেকে এ পর্যন্ত হামের
লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি
হয়েছেন ২৩ হাজার ৩৪৮
জন রোগী। চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন
১৯ হাজার ৯৯১ জন।
স্বাস্থ্য
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে এই সংক্রমণের হার
বেশি দেখা যাচ্ছে, যা
অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। হঠাৎ করে হামের
এই উর্ধ্বগতি মোকাবিলায় সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করাসহ সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে
যে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ
চালাচ্ছেন এবং আক্রান্তদের যথাযথ
চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কাজ করে
যাচ্ছেন। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন যে, জ্বর বা
শরীরে লালচে দানা দেখা দিলে
কালক্ষেপণ না করে নিকটস্থ
হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন