সংবাদ

ডিসি সম্মেলন শুরু কাল, উঠছে ৪৯৮ প্রস্তাব


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ২ মে ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম

ডিসি সম্মেলন শুরু কাল, উঠছে ৪৯৮ প্রস্তাব
ডিসি সম্মেলন।

মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সরকারের সরাসরি মতবিনিময়ের লক্ষ্যে রোববার (৩ মে) থেকে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপি জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠন করার পর এটিই প্রথম ডিসি সম্মেলন। জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে সরকারের পরিকল্পনা, লক্ষ্য ও বাস্তবায়ন কৌশল স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে চায় রাজনৈতিক নেতৃত্ব।

এ সম্মেলনে সারা দেশ থেকে জেলা প্রশাসকরা অংশ নেবেন। মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সরকারের সরাসরি যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের পাশাপাশি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নীতি নির্ধারণী কৌশল মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন সংক্রান্ত দিক-নির্দেশনার মাধ্যম হলো এই ডিসি সম্মেলন।

সম্মেলনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ পান ডিসিরা।

শনিবার (২ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত এক সম্মেলনের এ সম্মেলনের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি ও অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।

গতবারের ডিসি সম্মেলনের তুলনায় এবার বাজেট কমিয়ে আনা প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “গত বছরের ডিসি সম্মেলনের বাজেট ছিল প্রায় ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, যেখানে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ১ কোটি ২ লাখ টাকা। চলতি বছরের জন্য বাজেট ধরা হয়েছে ৭১ লাখ টাকা, যা প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। যেসব খাতে ব্যয় না করলেও চলে, সেগুলো বাদ দিয়ে ব্যয় সংকোচন করা হয়েছে এবং বাস্তব ব্যয় আরও কমানোর চেষ্টা থাকবে।”

তিনি বলেন, “দীর্ঘ সময় পর অনুষ্ঠিত এই ডিসি সম্মেলনকে সরকার ‘গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার নতুন সূচনা’ হিসেবে দেখছে। স্বৈরশাসনের পর প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করাই এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য।”

নাসিমুল গনি জানান, নতুনভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে সরকারের পরিকল্পনা, লক্ষ্য ও বাস্তবায়ন কৌশল স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে চায় রাজনৈতিক নেতৃত্ব। ‘কি করতে চাই, কেন করতে চাই, কীভাবে এবং কত দ্রুত করতে চাই- এসব বিষয়ে পরিষ্কার বার্তা দেওয়ার জন্যই সম্মেলনের পরিধি বাড়ানো হয়েছে’।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এবারের সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিদের ৪৯৮টি প্রস্তাব উঠছে।

অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির বলেন, প্রথম দিন রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলন উদ্বোধন হবে। তিনি বলেন, “এবারের ডিসি সম্মেলন উপলক্ষে আটজন বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার ডিসিদের কাছ থেকে এক হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর মধ্যে কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ৪৯৮টি প্রস্তাব।”

অতিরিক্ত সচিব বলেন, “প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলোতে জনসেবা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধি, জনদুর্ভোগ কমানো, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণ, পর্যটনের বিকাশ, আইন কানুন বা বিধিমালা সংশোধন, জনস্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৪৪টি প্রস্তাব স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সংক্রান্ত।”

হুমায়ুন কবির বলেন, “গত সম্মেলন তিন দিনব্যাপী ছিল। এবারের সম্মেলন রোববার শুরু হয়ে চলবে বুধবার পর্যন্ত চার দিন। সম্মেলন চলাকালে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নির্দেশনা গ্রহণ ও মতবিনিময় করবেন। এছাড়াও প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারদের সঙ্গে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে কার্য-অধিবেশন রয়েছে।”

এবারের ডিসি সম্মেলনে সর্বমোট ৩৪টি অধিবেশন ও কার্য-অধিবেশন রয়েছে বলে জানান তিনি।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, “কার্য-অধিবেশন ৩০টি। এর মধ্যে একটি উদ্বোধন অনুষ্ঠান, রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নির্দেশনা গ্রহণসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা দুইটি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুক্ত আলোচনা এবং বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সভা রয়েছে।”

তিনি বলেন, ডিসি সম্মেলনে একটি কার্যালয় (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়), দুটি কমিশন (নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন) এবং ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ অংশ নেবে।

কার্য-অধিবেশনগুলোতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী, সিনিয়র সচিব, সচিব এবং আওতাধীন দপ্তর, অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রধানর উপস্থিত থাকবেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে- ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম জোরদারকরণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম, স্থানীয় পর্যায়ে কর্ম-সৃজন ও দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বাস্তবায়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ই-গভর্নেন্স, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ রোধ, ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও সমন্বয়।

গত বছর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ১৬-১৮ ফেব্রুয়ারি তিন দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন হয়।

অতিরিক্ত সচিব হুমায়ুন কবির জানান, ওই সম্মেলনে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি মিলে মোট ৪০০টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি বলেন, সম্মেলনে সিদ্ধান্তের সামগ্রিক বাস্তবায়নের হার ৪৪ শতাংশ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


ডিসি সম্মেলন শুরু কাল, উঠছে ৪৯৮ প্রস্তাব

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

featured Image

মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সরকারের সরাসরি মতবিনিময়ের লক্ষ্যে রোববার (৩ মে) থেকে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপি জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠন করার পর এটিই প্রথম ডিসি সম্মেলন। জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে সরকারের পরিকল্পনা, লক্ষ্য ও বাস্তবায়ন কৌশল স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে চায় রাজনৈতিক নেতৃত্ব।

এ সম্মেলনে সারা দেশ থেকে জেলা প্রশাসকরা অংশ নেবেন। মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সরকারের সরাসরি যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের পাশাপাশি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নীতি নির্ধারণী কৌশল মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন সংক্রান্ত দিক-নির্দেশনার মাধ্যম হলো এই ডিসি সম্মেলন।

সম্মেলনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ পান ডিসিরা।

শনিবার (২ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত এক সম্মেলনের এ সম্মেলনের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি ও অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।

গতবারের ডিসি সম্মেলনের তুলনায় এবার বাজেট কমিয়ে আনা প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “গত বছরের ডিসি সম্মেলনের বাজেট ছিল প্রায় ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, যেখানে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ১ কোটি ২ লাখ টাকা। চলতি বছরের জন্য বাজেট ধরা হয়েছে ৭১ লাখ টাকা, যা প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। যেসব খাতে ব্যয় না করলেও চলে, সেগুলো বাদ দিয়ে ব্যয় সংকোচন করা হয়েছে এবং বাস্তব ব্যয় আরও কমানোর চেষ্টা থাকবে।”

তিনি বলেন, “দীর্ঘ সময় পর অনুষ্ঠিত এই ডিসি সম্মেলনকে সরকার ‘গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার নতুন সূচনা’ হিসেবে দেখছে। স্বৈরশাসনের পর প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করাই এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য।”

নাসিমুল গনি জানান, নতুনভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে সরকারের পরিকল্পনা, লক্ষ্য ও বাস্তবায়ন কৌশল স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে চায় রাজনৈতিক নেতৃত্ব। ‘কি করতে চাই, কেন করতে চাই, কীভাবে এবং কত দ্রুত করতে চাই- এসব বিষয়ে পরিষ্কার বার্তা দেওয়ার জন্যই সম্মেলনের পরিধি বাড়ানো হয়েছে’।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এবারের সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিদের ৪৯৮টি প্রস্তাব উঠছে।

অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির বলেন, প্রথম দিন রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলন উদ্বোধন হবে। তিনি বলেন, “এবারের ডিসি সম্মেলন উপলক্ষে আটজন বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার ডিসিদের কাছ থেকে এক হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর মধ্যে কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ৪৯৮টি প্রস্তাব।”

অতিরিক্ত সচিব বলেন, “প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলোতে জনসেবা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধি, জনদুর্ভোগ কমানো, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণ, পর্যটনের বিকাশ, আইন কানুন বা বিধিমালা সংশোধন, জনস্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৪৪টি প্রস্তাব স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সংক্রান্ত।”

হুমায়ুন কবির বলেন, “গত সম্মেলন তিন দিনব্যাপী ছিল। এবারের সম্মেলন রোববার শুরু হয়ে চলবে বুধবার পর্যন্ত চার দিন। সম্মেলন চলাকালে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নির্দেশনা গ্রহণ ও মতবিনিময় করবেন। এছাড়াও প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারদের সঙ্গে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে কার্য-অধিবেশন রয়েছে।”

এবারের ডিসি সম্মেলনে সর্বমোট ৩৪টি অধিবেশন ও কার্য-অধিবেশন রয়েছে বলে জানান তিনি।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, “কার্য-অধিবেশন ৩০টি। এর মধ্যে একটি উদ্বোধন অনুষ্ঠান, রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নির্দেশনা গ্রহণসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা দুইটি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুক্ত আলোচনা এবং বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সভা রয়েছে।”

তিনি বলেন, ডিসি সম্মেলনে একটি কার্যালয় (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়), দুটি কমিশন (নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন) এবং ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ অংশ নেবে।

কার্য-অধিবেশনগুলোতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী, সিনিয়র সচিব, সচিব এবং আওতাধীন দপ্তর, অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রধানর উপস্থিত থাকবেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে- ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম জোরদারকরণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম, স্থানীয় পর্যায়ে কর্ম-সৃজন ও দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বাস্তবায়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ই-গভর্নেন্স, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ রোধ, ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও সমন্বয়।

গত বছর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ১৬-১৮ ফেব্রুয়ারি তিন দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন হয়।

অতিরিক্ত সচিব হুমায়ুন কবির জানান, ওই সম্মেলনে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি মিলে মোট ৪০০টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি বলেন, সম্মেলনে সিদ্ধান্তের সামগ্রিক বাস্তবায়নের হার ৪৪ শতাংশ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত