দেশে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন নিশ্চিত হামে মারা গেছেন। বাকি ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চের পর থেকে নিশ্চিত হাম ও সন্দেহজনক হামে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৪৩ জনে।
শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের হাম-সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে প্রাণ গেছে ৫৮ জনের। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে প্রাণহানির সংখ্যা ২৮৫। নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৪৯০ জন এবং সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজার ৬৭১০ জন।
উল্লেখিত সময়ে হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩২ হাজার ৮৬২ জন। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২৯ হাজার ১৫২ জন।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে নিশ্চিত হামে সবচেয়ে বেশি ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। চট্টগ্রামে মারা গেছেন সাতজন, বরিশালে ছয়জন, সিলেটে তিনজন এবং ময়মনসিংহ ও রাজশাহীতে দুজন করে।
সন্দেহজনক হামেও সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে- ১৩২ জন। রাজশাহীতে মারা গেছেন ৭৮ জন। চট্টগ্রামে ২৫, সিলেটে ২১, বরিশালে ১২ ও খুলনায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ময়মনসিংহে সন্দেহজনক হামে একজন প্রাণ হারিয়েছেন। রংপুর বিভাগে এখনো নিশ্চিত বা সন্দেহজনক হামে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। শিশুদের দ্রুত টিকা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোনো শিশুর শরীরে জ্বর ও ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
দেশে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন নিশ্চিত হামে মারা গেছেন। বাকি ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চের পর থেকে নিশ্চিত হাম ও সন্দেহজনক হামে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৪৩ জনে।
শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের হাম-সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে প্রাণ গেছে ৫৮ জনের। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে প্রাণহানির সংখ্যা ২৮৫। নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৪৯০ জন এবং সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজার ৬৭১০ জন।
উল্লেখিত সময়ে হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩২ হাজার ৮৬২ জন। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২৯ হাজার ১৫২ জন।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে নিশ্চিত হামে সবচেয়ে বেশি ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। চট্টগ্রামে মারা গেছেন সাতজন, বরিশালে ছয়জন, সিলেটে তিনজন এবং ময়মনসিংহ ও রাজশাহীতে দুজন করে।
সন্দেহজনক হামেও সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে- ১৩২ জন। রাজশাহীতে মারা গেছেন ৭৮ জন। চট্টগ্রামে ২৫, সিলেটে ২১, বরিশালে ১২ ও খুলনায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ময়মনসিংহে সন্দেহজনক হামে একজন প্রাণ হারিয়েছেন। রংপুর বিভাগে এখনো নিশ্চিত বা সন্দেহজনক হামে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। শিশুদের দ্রুত টিকা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোনো শিশুর শরীরে জ্বর ও ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন