সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের না জানিয়ে রাতের আঁধারে তড়িঘড়ি করে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করে চরম সমালোচনার মুখে পড়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা মুফতি মুহাম্মদউল্লাহ। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাত আটটার দিকে স্থানীয় প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তাকে নিয়ে তিনি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ‘জারুল খাল’ খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
আগামী ১২ তারিখ একজন মন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের কথা ছিল। তার পাঁচ দিন আগেই লোকচক্ষুর অন্তরালে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন করায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মাঝে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জারুল খাল খনন নিয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ছিল। ১২ তারিখ একজন মন্ত্রীর হাত দিয়ে এটি উদ্বোধনের সম্ভাবনার কথা ছিল। কিন্তু সেই কৃতিত্ব নিজের নিতেই সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মদউল্লাহ গোপনে এ কাজ সারেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
উদ্বোধনের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছুটিতে ছিলেন এবং স্থানীয় সাংবাদিকদেরও বিষয়টি জানানো হয়নি। এমনকি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এলাকার প্রভাবশালী দল বিএনপির নেতাকর্মী কিংবা সংসদ সদস্যের নিজ জোটের শরীক দল জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতাদেরও কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের দাবি, সংসদ সদস্য এলাকায় নিয়মিত থাকেন না এবং মাঝে মাঝে এসে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত কাজ করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক প্রবীণ রাজনীতিবিদ বলেন, "জনপ্রতিনিধি হয়ে দিনের আলোয় কর্মসূচি উদ্বোধন না করে চোরের মতো রাতের আঁধারে করা মানেই হলো জনগণের মুখোমুখি হতে ভয় পাওয়া। এটি দায়িত্বশীলতার চরম লঙ্ঘন।"
এর আগেও তারাকান্দায় একটি সরকারি কর্মসূচিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংসদ সদস্যের অনভিপ্রেত ঘটনার রেশ এখনো কাটেনি। তার মধ্যেই নতুন এই ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রতিবাদের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মদউল্লাহর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের না জানিয়ে রাতের আঁধারে তড়িঘড়ি করে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করে চরম সমালোচনার মুখে পড়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা মুফতি মুহাম্মদউল্লাহ। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাত আটটার দিকে স্থানীয় প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তাকে নিয়ে তিনি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ‘জারুল খাল’ খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
আগামী ১২ তারিখ একজন মন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের কথা ছিল। তার পাঁচ দিন আগেই লোকচক্ষুর অন্তরালে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন করায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মাঝে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জারুল খাল খনন নিয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ছিল। ১২ তারিখ একজন মন্ত্রীর হাত দিয়ে এটি উদ্বোধনের সম্ভাবনার কথা ছিল। কিন্তু সেই কৃতিত্ব নিজের নিতেই সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মদউল্লাহ গোপনে এ কাজ সারেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
উদ্বোধনের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছুটিতে ছিলেন এবং স্থানীয় সাংবাদিকদেরও বিষয়টি জানানো হয়নি। এমনকি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এলাকার প্রভাবশালী দল বিএনপির নেতাকর্মী কিংবা সংসদ সদস্যের নিজ জোটের শরীক দল জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতাদেরও কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের দাবি, সংসদ সদস্য এলাকায় নিয়মিত থাকেন না এবং মাঝে মাঝে এসে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত কাজ করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক প্রবীণ রাজনীতিবিদ বলেন, "জনপ্রতিনিধি হয়ে দিনের আলোয় কর্মসূচি উদ্বোধন না করে চোরের মতো রাতের আঁধারে করা মানেই হলো জনগণের মুখোমুখি হতে ভয় পাওয়া। এটি দায়িত্বশীলতার চরম লঙ্ঘন।"
এর আগেও তারাকান্দায় একটি সরকারি কর্মসূচিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংসদ সদস্যের অনভিপ্রেত ঘটনার রেশ এখনো কাটেনি। তার মধ্যেই নতুন এই ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রতিবাদের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মদউল্লাহর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন