গণমাধ্যমে প্রবেশাধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয়, বরং এগুলো মৌলিক মানবাধিকার বলে মন্তব্য করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। আজ রবিবার (৩ মে) 'বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস' উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে সংস্থাটি এই শক্ত অবস্থান ব্যক্ত করে।
বিবৃতিতে ইইউ
স্পষ্ট করে বলেছে, "মুক্ত গণমাধ্যম ছাড়া গণতন্ত্রের অস্তিত্ব থাকতে পারে না।
স্বাধীন গণমাধ্যমই হলো যেকোনো গণতান্ত্রিক সমাজের প্রধান ভিত্তিপ্রস্তর।"
আন্তর্জাতিক আইনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সংস্থাটি জানায়,
সাংবাদিকদের অবশ্যই সর্বদা
সুরক্ষা দিতে হবে। কোনো ধরনের অযাচিত হস্তক্ষেপ, সহিংসতার ভয়, হয়রানি, ভীতি প্রদর্শন কিংবা নিপীড়নের আশঙ্কা ছাড়াই তারা যেন
স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
বিবৃতিতে আরও বলা
হয়েছে,
সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে
সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৃশংসতা
এবং সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধসহ যুদ্ধের কঠিন বাস্তবতার ওপর আলোকপাত করেন। তাদের কাজের
নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিশ্ব সম্প্রদায়ের দায়িত্ব।
আজ ৩ মে সারা
বিশ্বে পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য
নির্ধারিত হয়েছে ‘শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গঠন: মানবাধিকার,
উন্নয়ন ও
নিরাপত্তার জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রসার’।
উল্লেখ্য,
১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম
সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশ অনুযায়ী ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ৩ মে তারিখটিকে
‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপর থেকেই বিশ্বজুড়ে
গণমাধ্যমকর্মীরা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার দাবিতে এবং অধিকার রক্ষায় এই দিবসটি পালন
করে আসছেন।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
গণমাধ্যমে প্রবেশাধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয়, বরং এগুলো মৌলিক মানবাধিকার বলে মন্তব্য করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। আজ রবিবার (৩ মে) 'বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস' উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে সংস্থাটি এই শক্ত অবস্থান ব্যক্ত করে।
বিবৃতিতে ইইউ
স্পষ্ট করে বলেছে, "মুক্ত গণমাধ্যম ছাড়া গণতন্ত্রের অস্তিত্ব থাকতে পারে না।
স্বাধীন গণমাধ্যমই হলো যেকোনো গণতান্ত্রিক সমাজের প্রধান ভিত্তিপ্রস্তর।"
আন্তর্জাতিক আইনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সংস্থাটি জানায়,
সাংবাদিকদের অবশ্যই সর্বদা
সুরক্ষা দিতে হবে। কোনো ধরনের অযাচিত হস্তক্ষেপ, সহিংসতার ভয়, হয়রানি, ভীতি প্রদর্শন কিংবা নিপীড়নের আশঙ্কা ছাড়াই তারা যেন
স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
বিবৃতিতে আরও বলা
হয়েছে,
সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে
সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৃশংসতা
এবং সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধসহ যুদ্ধের কঠিন বাস্তবতার ওপর আলোকপাত করেন। তাদের কাজের
নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিশ্ব সম্প্রদায়ের দায়িত্ব।
আজ ৩ মে সারা
বিশ্বে পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য
নির্ধারিত হয়েছে ‘শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গঠন: মানবাধিকার,
উন্নয়ন ও
নিরাপত্তার জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রসার’।
উল্লেখ্য,
১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম
সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশ অনুযায়ী ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ৩ মে তারিখটিকে
‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপর থেকেই বিশ্বজুড়ে
গণমাধ্যমকর্মীরা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার দাবিতে এবং অধিকার রক্ষায় এই দিবসটি পালন
করে আসছেন।

আপনার মতামত লিখুন