মার্কিন নৌবাহিনীর কড়া অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে প্রায় ২২ কোটি ডলার মূল্যের অপরিশোধিত তেল নিয়ে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পৌঁছেছে একটি ইরানি সুপার ট্যাঙ্কার। জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা 'ট্যাঙ্কারট্র্যাকার্স ডটকম'-এর বরাত দিয়ে আজ রোববার (৩ মে) আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
ট্যাঙ্কারট্র্যাকার্স
এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানায়, ‘HUGE’ নামের এই বিশাল ক্রুড ক্যারিয়ারটি (ভিএলসিসি) ন্যাশনাল
ইরানিয়ান ট্যাঙ্কার কোম্পানির মালিকানাধীন। জাহাজটি প্রায় ১৯ লাখ ব্যারেল
অপরিশোধিত তেল বহন করছে, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২২ কোটি মার্কিন ডলার।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী,
এক সপ্তাহ আগে শ্রীলঙ্কা উপকূলে
দেখা যাওয়ার পর বর্তমানে জাহাজটি ইন্দোনেশিয়ার লম্বক প্রণালি অতিক্রম করে রিয়াউ
দ্বীপপুঞ্জের দিকে এগোচ্ছে।
সংস্থাটি দাবি
করেছে,
গত ২০ মার্চ মালাক্কা প্রণালি
থেকে ইরানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর থেকেই জাহাজটি তার ‘অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন
সিস্টেম’ (AIS) বা
অবস্থান শনাক্তকরণ সিগন্যাল বন্ধ করে রেখেছে। মূলত মার্কিন গোয়েন্দা নজরদারি
এড়াতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ১৩ এপ্রিল যখন যুক্তরাষ্ট্র
ইরানি বন্দরগুলোর ওপর নতুন করে অবরোধ আরোপ করে, তখন জাহাজটি ইরানের জলসীমায় অবস্থান করছিল।
ইরানের রাষ্ট্রীয়
গণমাধ্যম গত ২৯ এপ্রিল দাবি করেছিল যে, অন্তত ৫২টি ইরানি জাহাজ মার্কিন কঠোর অবরোধ ভেঙে
গন্তব্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।
তবে মার্কিন সামরিক
বাহিনী এই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, অবরোধ শুরুর পর থেকে ইরান-সংশ্লিষ্ট অন্তত ৪১টি জাহাজকে
তারা মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে,
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরান
বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এবং তেল রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় দেশটি
উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হতে পারে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
মার্কিন নৌবাহিনীর কড়া অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে প্রায় ২২ কোটি ডলার মূল্যের অপরিশোধিত তেল নিয়ে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পৌঁছেছে একটি ইরানি সুপার ট্যাঙ্কার। জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা 'ট্যাঙ্কারট্র্যাকার্স ডটকম'-এর বরাত দিয়ে আজ রোববার (৩ মে) আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
ট্যাঙ্কারট্র্যাকার্স
এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানায়, ‘HUGE’ নামের এই বিশাল ক্রুড ক্যারিয়ারটি (ভিএলসিসি) ন্যাশনাল
ইরানিয়ান ট্যাঙ্কার কোম্পানির মালিকানাধীন। জাহাজটি প্রায় ১৯ লাখ ব্যারেল
অপরিশোধিত তেল বহন করছে, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২২ কোটি মার্কিন ডলার।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী,
এক সপ্তাহ আগে শ্রীলঙ্কা উপকূলে
দেখা যাওয়ার পর বর্তমানে জাহাজটি ইন্দোনেশিয়ার লম্বক প্রণালি অতিক্রম করে রিয়াউ
দ্বীপপুঞ্জের দিকে এগোচ্ছে।
সংস্থাটি দাবি
করেছে,
গত ২০ মার্চ মালাক্কা প্রণালি
থেকে ইরানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর থেকেই জাহাজটি তার ‘অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন
সিস্টেম’ (AIS) বা
অবস্থান শনাক্তকরণ সিগন্যাল বন্ধ করে রেখেছে। মূলত মার্কিন গোয়েন্দা নজরদারি
এড়াতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ১৩ এপ্রিল যখন যুক্তরাষ্ট্র
ইরানি বন্দরগুলোর ওপর নতুন করে অবরোধ আরোপ করে, তখন জাহাজটি ইরানের জলসীমায় অবস্থান করছিল।
ইরানের রাষ্ট্রীয়
গণমাধ্যম গত ২৯ এপ্রিল দাবি করেছিল যে, অন্তত ৫২টি ইরানি জাহাজ মার্কিন কঠোর অবরোধ ভেঙে
গন্তব্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।
তবে মার্কিন সামরিক
বাহিনী এই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, অবরোধ শুরুর পর থেকে ইরান-সংশ্লিষ্ট অন্তত ৪১টি জাহাজকে
তারা মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে,
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরান
বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এবং তেল রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় দেশটি
উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন