সংবাদ

মার্কিন সেনা প্রত্যাহার ইউরোপের প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করবে: পিস্টোরিয়াস


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩ মে ২০২৬, ১০:১৩ এএম

মার্কিন সেনা প্রত্যাহার ইউরোপের প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করবে: পিস্টোরিয়াস

জার্মানি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনাকে ইউরোপের নিজস্ব প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করার একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস। শনিবার (২ মে) এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় দেশগুলোকে নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজে নিতে আরও উৎসাহিত করবে

প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস বলেন, মার্কিন সেনাদের এই আংশিক প্রত্যাহার অনেকটা প্রত্যাশিতই ছিল। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইউরোপীয় দেশগুলোকে এখন মার্কিন নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মনোযোগ দিতে হবে। তিনি আরও জানান, জার্মানি ইতিমধ্যেই তাদের সশস্ত্র বাহিনীর পরিধি বাড়ানো এবং সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে সঠিক পথে রয়েছে

মার্কিন সেনা কমানোর প্রেক্ষাপটে জার্মানি তাদের বর্তমান ১ লাখ ৮৫ হাজার সৈন্যের বাহিনীকে ২ লাখ ৬০ হাজারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। পিস্টোরিয়াসের মতে, ন্যাটোর ভেতরে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোই এখন ইউরোপের দেশগুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত

পেন্টাগন জানিয়েছে, আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে এই সৈন্য প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, অপসারিত সৈন্যের সংখ্যা ৫ হাজারের চেয়েও বেশি হতে পারে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বাইডেন আমলের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনাটিও বাতিল হয়ে গেছে

জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও মার্কিন আইনপ্রণেতা এবং ন্যাটোর অনেক মিত্র দেশ এই পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে পোল্যান্ড এই সিদ্ধান্তকে ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখছে। তবে জার্মানি মনে করছে, দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের মজবুত সামরিক অবকাঠামো গড়ে তোলাই হবে বর্তমান সময়ের সেরা কৌশল

 

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৩ মে ২০২৬


মার্কিন সেনা প্রত্যাহার ইউরোপের প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করবে: পিস্টোরিয়াস

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

জার্মানি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনাকে ইউরোপের নিজস্ব প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করার একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস। শনিবার (২ মে) এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় দেশগুলোকে নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজে নিতে আরও উৎসাহিত করবে

প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস বলেন, মার্কিন সেনাদের এই আংশিক প্রত্যাহার অনেকটা প্রত্যাশিতই ছিল। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইউরোপীয় দেশগুলোকে এখন মার্কিন নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মনোযোগ দিতে হবে। তিনি আরও জানান, জার্মানি ইতিমধ্যেই তাদের সশস্ত্র বাহিনীর পরিধি বাড়ানো এবং সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে সঠিক পথে রয়েছে

মার্কিন সেনা কমানোর প্রেক্ষাপটে জার্মানি তাদের বর্তমান ১ লাখ ৮৫ হাজার সৈন্যের বাহিনীকে ২ লাখ ৬০ হাজারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। পিস্টোরিয়াসের মতে, ন্যাটোর ভেতরে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোই এখন ইউরোপের দেশগুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত

পেন্টাগন জানিয়েছে, আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে এই সৈন্য প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, অপসারিত সৈন্যের সংখ্যা ৫ হাজারের চেয়েও বেশি হতে পারে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বাইডেন আমলের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনাটিও বাতিল হয়ে গেছে

জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও মার্কিন আইনপ্রণেতা এবং ন্যাটোর অনেক মিত্র দেশ এই পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে পোল্যান্ড এই সিদ্ধান্তকে ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখছে। তবে জার্মানি মনে করছে, দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের মজবুত সামরিক অবকাঠামো গড়ে তোলাই হবে বর্তমান সময়ের সেরা কৌশল

 

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত