পটুয়াখালীর দুমকিতে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ উপড়ে পড়ে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। শনিবার (২ মে) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার হাসপাতাল সড়কে এ ঘটনা ঘটে। তবে ঝড়ের পূর্বাভাস পেয়ে ব্যবসায়ীরা আগেই দোকান বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে হাসপাতাল সড়কের পাশে থাকা একটি বড় চাম্বল গাছ উপড়ে পড়ে। গাছটি সরাসরি পাশের দুটি দোকানের ওপর পড়লে ঘর দুটি ধুমড়ে-মুচড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত দুই ব্যবসায়ী হলেন সৈয়দ নিজাম ও সৈয়দ আবুল কাসেম।
ব্যবসায়ীরা জানান, গাছচাপায় দোকানঘর দুটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে দোকানে থাকা ফ্রিজসহ প্রচুর মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে। তারা বর্তমানে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে একই সময়ে উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের কদমতলা বাজারেও গাছ উপড়ে একটি দোকান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে সেখানেও কেউ হতাহত হয়নি।
কালবৈশাখীর এই ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা উপড়ে পড়া ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঝড়ের তীব্রতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উপড়ে পড়া গাছ সরিয়ে চলাচলের পথ ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
পটুয়াখালীর দুমকিতে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ উপড়ে পড়ে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। শনিবার (২ মে) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার হাসপাতাল সড়কে এ ঘটনা ঘটে। তবে ঝড়ের পূর্বাভাস পেয়ে ব্যবসায়ীরা আগেই দোকান বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে হাসপাতাল সড়কের পাশে থাকা একটি বড় চাম্বল গাছ উপড়ে পড়ে। গাছটি সরাসরি পাশের দুটি দোকানের ওপর পড়লে ঘর দুটি ধুমড়ে-মুচড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত দুই ব্যবসায়ী হলেন সৈয়দ নিজাম ও সৈয়দ আবুল কাসেম।
ব্যবসায়ীরা জানান, গাছচাপায় দোকানঘর দুটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে দোকানে থাকা ফ্রিজসহ প্রচুর মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে। তারা বর্তমানে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে একই সময়ে উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের কদমতলা বাজারেও গাছ উপড়ে একটি দোকান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে সেখানেও কেউ হতাহত হয়নি।
কালবৈশাখীর এই ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা উপড়ে পড়া ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঝড়ের তীব্রতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উপড়ে পড়া গাছ সরিয়ে চলাচলের পথ ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

আপনার মতামত লিখুন