সংবাদ

আসাম মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে ঢাকার কড়া বার্তা দিল্লিকে


দীপক মুখার্জী, কলকাতা থেকে
দীপক মুখার্জী, কলকাতা থেকে
প্রকাশ: ৩ মে ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম

আসাম মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে ঢাকার কড়া বার্তা দিল্লিকে

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক যখন নতুন করে স্বাভাবিক হওয়ার পথে, ঠিক তখনই এক বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে তৈরি হল নতুন কূটনৈতিক অস্বস্তি।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ঢাকায় শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া।

এই ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার সরাসরি তলব করে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান পবন বাধে-কে জানানো হয় আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ।

ঘটনার সূত্রপাত ২৬ এপ্রিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে আসামের মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদেরপুশব্যাককরতে গিয়ে কড়া বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

তার বক্তব্যে ব্যবহৃত ভাষা ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক, যা পরে তিনি মুছে ফেলেন।

কিন্তু ততক্ষণে বিষয়টি আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে যায়।

বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, ধরনের মন্তব্য শুধু অশালীনই নয়, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তাদের বার্তা স্পষ্ট, সংবেদনশীল দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে সংযম দায়িত্বশীলতা বজায় রাখা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা এমন এক সময় ঘটল, যখন দিল্লি ঢাকার মধ্যে সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার ইতিমধ্যেই নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে উদ্যোগী।

অন্যদিকে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই কূটনৈতিক সমীকরণে এসেছে নতুন মোড়।

এই পরিস্থিতিতে এমন বিতর্কিত মন্তব্য, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেকাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটেবলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এখন প্রশ্ন একটাই, এই উত্তেজনা কি সাময়িক, নাকি এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ওপর?

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৩ মে ২০২৬


আসাম মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে ঢাকার কড়া বার্তা দিল্লিকে

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক যখন নতুন করে স্বাভাবিক হওয়ার পথে, ঠিক তখনই এক বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে তৈরি হল নতুন কূটনৈতিক অস্বস্তি।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ঢাকায় শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া।

এই ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার সরাসরি তলব করে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান পবন বাধে-কে জানানো হয় আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ।

ঘটনার সূত্রপাত ২৬ এপ্রিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে আসামের মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদেরপুশব্যাককরতে গিয়ে কড়া বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

তার বক্তব্যে ব্যবহৃত ভাষা ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক, যা পরে তিনি মুছে ফেলেন।

কিন্তু ততক্ষণে বিষয়টি আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে যায়।

বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, ধরনের মন্তব্য শুধু অশালীনই নয়, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তাদের বার্তা স্পষ্ট, সংবেদনশীল দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে সংযম দায়িত্বশীলতা বজায় রাখা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা এমন এক সময় ঘটল, যখন দিল্লি ঢাকার মধ্যে সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার ইতিমধ্যেই নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে উদ্যোগী।

অন্যদিকে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই কূটনৈতিক সমীকরণে এসেছে নতুন মোড়।

এই পরিস্থিতিতে এমন বিতর্কিত মন্তব্য, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেকাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটেবলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এখন প্রশ্ন একটাই, এই উত্তেজনা কি সাময়িক, নাকি এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ওপর?


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত