“এইটা আবার কি রে, সকেট জাম্পার! খায় না, মাথায় দেয়! এ-সব কী বলছিস, সকেট জাম্পার!”
“ভাইডি, আপনের এই সকেট জাম্পার নাই বইলাই আজ বাংলাদেশের এই অবস্থা।”
“সকেট জাম্পার না রকেট জাম্পার, তো এর সাথে তোর বাংলাদেশের কী সম্পর্ক? সকেট জাম্পার না রকেট জাম্পারের সঙ্গে বাংলাদেশের ˆনতিকতার অবক্ষয়ের মাজেজা কী? গর্ভবতী মাকে অত্যচার করে তার পেটের সাত মাসের বাচ্চাকে কেটে টুকরো করা, এই ˆপশাচিকতার সঙ্গে তোর সকেট জাম্পারের কি সর্ম্পক তার কিছুইতো বুঝতে পারছি না!”
“বুঝবেন ক্যামনে, আপনেরতো মিয়া বাংলাদেশেরই সকেট জাম্পার নাই, তাই আপনে ভি, বাঙালিগো এই সারমেয় ব্যাভিচারের মাজেজা ধরা পারতাছেন না!”
“বাংলাদেশের সকেট জাম্পার...!”
“আরে স্ত্রীর কনিষ্ঠভ্রাতা আপনে বুঝেন না, ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সকেট জাম্পারের অভাবে ধরা খাইলো। আজকে এই মরে, কালকে সেই, বণিক মরে, ˆসনিক মরে, মরে অফিসার, অফিসারগো বৌ-এর বেণি খুললো হাজার বার...”
“মানে কিরে? ১৯৭৫ সালে তো নির্মেলেন্দু গুণের ‘কোন এক কবি’ বাংলাদেশের কতিপয় দুষ্টু লোকের হাতে খুন হয়েছিলেন, যিনি নাকি স্বাধীনতা শব্দটা আমাদের দিয়ে গেছেন?”
“কবি কন আর যাই কন ওই হত্যাতো আপনের সকেট জাম্পার হজম করতে পারেন নাই। তার লাগি অ্যখোনো বাংলাদেশে এ্যতো অনাচার।”
“ও কি রে, তুই শক অ্যাবজরভারকে এতক্ষণ সকেট জাম্পার বলছিলি?”
“শক অ্যাবজরভার কী, এইডা তো হোইলো সকেট জাম্পার।”
“ওরে পাগলা ওটা সকেট জাম্পার না, শব্দটা হলো শক অ্যাবজরভার, মানে যে যন্ত্রটা, গাড়ি বা মোটর সাইকেল যদি গর্তে পড়ে তাহলে যে শক বা ঝাঁকুনিটা অনুভূত হবে, সেটা যাতে যাত্রীকে বিব্রত না করে, সে জন্যে স্প্রিং বা বড় বড় বাস ট্রাকে পাতলা পাতলা স্টিলের পাত দিয়ে তৈরি শক অ্যাবজরভার লাগানো থাকে।”
“আরে ভাই, ওইডাই, ওইডাই সকেট জাম্পার।”
“বুঝলাম অ্যাবজরভার, তোর মুখে সকেট জাম্পার, কিন্তু বাংলাদেশের সকেট জাম্পারের মানে শক অ্যাবজরভার নেই, এই বক্তব্যের অর্থ কি?”
“ক্যান বোঝেন না, ১৯৭৫-এ, কবি কন আর যাই কন, সেই ভুল কি আপনেরা অ্যাবজরভার করা পারছেন?
এক কবির হত্যার পর লগে লগে কতোগুলা হত্যাকাণ্ড ঘটলো। সব ভুইল্লা গেছেন?”
“না না, ভুলবো ক্যানো। তোর সপরিবারে কবি হত্যার পর, সব বাঘা বাঘা মুক্তিযোদ্ধা, চৌকস এয়ারফোর্স, আর্টিলারি বাহিনির কত বাঙালি ভাই নিহত হলেন। জেলের ভেতরে যেয়ে পর্যন্ত বাঙালি হয়ে নিরস্ত্র বাঙালি কয়েদীদের গুলি করে হত্যা করলো!”
“জী¡ অয়, বাংলাদেশের সকেট জাম্পার থাকলে বাংলাদেশ এই যাতনা মানে এই শক সহ্য কোইরা, আপনের ভাষায় এই শক অ্যাবজরভার কোইরা দেশরে আ¹ুয়া নিতে পারতো। যেহেতু সকেট জাম্পার নাই তাই পদে পদে বাংলাদেশ তিন চাক্কার ব্যাটারি চালিত, মোটরাইজড রিকশার মতো খানা খন্দে পড়লে, খালি ফাল পাড়ে, আর ফাল পাড়ে। মইধ্যখানে আম পাবলিকের জান যায়।”
“বাংলাদেশ আবার কখন খানা খন্দে পড়ছে যে সকেট জাম্পার লাগবে?”
“আপনে মিয়া কানা না অন্ধ! চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে গুল্লি মারলেন, আবার হোমো এরশাদরে নিয়া গাতায় পড়লেন, তারপর ওয়ান ইলেভেন, শ্যাষ ম্যেষ ভাতের হোটেলের মালিকের হাতে...”
“থাক থাক তোকে আর ক্রনলজিক্যাল অর্ডারে বাংলাদেশের গর্তে পড়ার বিবরণ দিতে হবে না তার চেয়ে বল, এই অবস্থা থেকে বেরুবি কবে?”
“আর বাইরাচ্ছেন! আপনের নোবেল লোরিয়েট’ শান্তির পায়রা যে চুক্তি কোইরা দিছে, এইবার এইডার ঠ্যালা সামলান। ক্যামনে জানি শুদ্ধ কোইরা কোইলেন, “থাক থাক তোকে আর ক্রনলজিক্যাল অর্ডারে বাংলাদেশের গর্তে পড়ার বিবরণ দিতে হবে না তার চেয়ে বল, এই অবস্থা থেকে বেরুবি কবে?”
আমি কোই কী, জাঁ-পল সাঁত্র, “নো-এক্সিট” পালাবার পথ নাই, ও তোর যম আছে পিছে।”
“ওও-ওম্মা, তোরা তখন সব বঙ্গসন্তান কত বলাবলি করলি, নোবেল লোরিয়েট’ শান্তির পায়রা স্যার আপনে পাঁচ বছর থাকেন, স্যার আপনে দশ বছর থাকেন, অনেকেতো বলল আপনে যেহেতু পদ্মানদীতে চুবনি খান নাই আপনে এবার আমরণ প্রধান মন্ত্রী থাকেন। তো এখন আবার নোবেল লোরিয়েট’ শান্তির পায়রাকে, ধূর্ত শৃগাল মনে হচ্ছে কেনো?”
“হ্যেরে শিয়াল মনে হোইবো না, হ্যেয় খালি হ্যের ৬০০কুটি টাকার সুদ মওকুফ করছে। আর আমেরিকান চুক্তির ঠ্যেলায় বাঙ্গালী অহন বরাহ অবতারের মাংস আমদানি কোইরা পাবলিকরে খাওয়াইবো।”
“কেবল কি বরাহ অবতারের মাংস, চুক্তিতে আর কিছু নেই?”
“চুক্তির কথা আমি কমু ক্যামনে, আপনে নোবেল লোরিয়েট’ শান্তির পায়রা সাধারণ নির্বাচনের মাত্র ৭২ ঘন্টা আগে এনডিএ মানে “নন ডিসক্লোসার অ্যাগ্রিমেন্ট” সই করলেন...”
“তো! “নন ডিসক্লোসার অ্যাগ্রিমেন্ট” সই করলেন তো কী হলো?”
“কী আবার হোইবো, যা হোইবার তাই হোইলো, পাবলিকে এই চুক্তির কিছু জানা পারবো না। কারণ এইডা “নন ডিসক্লোসার অ্যাগ্রিমেন্ট।”
“তাহলে বাংলাদেশ আবার গর্তে! তোর ভাষায় বাংলাদেশের সকেট জাম্পার নেই তাই ঝাঁকুনি খেতেই হবে!”
“ঝাঁকুনি খাইবেন না কুন্নি খাইবেন, হেইডা ধীরে ধীরে টের পাইবেন। অহন বাংলাদেশের লাই¹া চট জলদি একটা সকেট জাম্পার জোগাড় করেন, তয়লে ব্যেবাগতে বাঁচবেন নইলে মরণ।”
“জানি না কপালে কী আছে। তবে সব কথার শেষ কথা, ও মহান নোবেল লোরিয়েট স্যার, আপনে বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের দেশ আমেরিকার লগে যে “নন ডিসক্লোসার অ্যাগ্রিমেন্টে” সই করলেন তার জন্য বাংলাদেশের নাগরিকরা আপনাকে কেয়ামত থেকে কেয়ামত পর্যন্ত স্মরণ রাখবে।”
“হ্যেরে কেয়ামত থেইকে কেয়ামত পর্যন্ত স্মরণ করার আগে, লাগলে চায়নিজ বা ইন্ডিয়ান সকেট জাম্পার আনেন, নাইলে আপনেগো কেয়ামত হোইতে বাকি থাকবো না। ব্যাটারি চালিত টেসলার রিকশার মতুন গত্তে পইড়া, খালি ফাল পাড়বেন আর ফাল পাড়বেন! মইধ্যখানে আম পাবলিকের যান যাইবো...”
“ওকে দেন, ইম্পোর্ট সকেট জাম্পার ফ্রম ইন্ডিয়া অর চায়না।”
[লেখক: চলচ্চিত্রকার]

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
“এইটা আবার কি রে, সকেট জাম্পার! খায় না, মাথায় দেয়! এ-সব কী বলছিস, সকেট জাম্পার!”
“ভাইডি, আপনের এই সকেট জাম্পার নাই বইলাই আজ বাংলাদেশের এই অবস্থা।”
“সকেট জাম্পার না রকেট জাম্পার, তো এর সাথে তোর বাংলাদেশের কী সম্পর্ক? সকেট জাম্পার না রকেট জাম্পারের সঙ্গে বাংলাদেশের ˆনতিকতার অবক্ষয়ের মাজেজা কী? গর্ভবতী মাকে অত্যচার করে তার পেটের সাত মাসের বাচ্চাকে কেটে টুকরো করা, এই ˆপশাচিকতার সঙ্গে তোর সকেট জাম্পারের কি সর্ম্পক তার কিছুইতো বুঝতে পারছি না!”
“বুঝবেন ক্যামনে, আপনেরতো মিয়া বাংলাদেশেরই সকেট জাম্পার নাই, তাই আপনে ভি, বাঙালিগো এই সারমেয় ব্যাভিচারের মাজেজা ধরা পারতাছেন না!”
“বাংলাদেশের সকেট জাম্পার...!”
“আরে স্ত্রীর কনিষ্ঠভ্রাতা আপনে বুঝেন না, ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সকেট জাম্পারের অভাবে ধরা খাইলো। আজকে এই মরে, কালকে সেই, বণিক মরে, ˆসনিক মরে, মরে অফিসার, অফিসারগো বৌ-এর বেণি খুললো হাজার বার...”
“মানে কিরে? ১৯৭৫ সালে তো নির্মেলেন্দু গুণের ‘কোন এক কবি’ বাংলাদেশের কতিপয় দুষ্টু লোকের হাতে খুন হয়েছিলেন, যিনি নাকি স্বাধীনতা শব্দটা আমাদের দিয়ে গেছেন?”
“কবি কন আর যাই কন ওই হত্যাতো আপনের সকেট জাম্পার হজম করতে পারেন নাই। তার লাগি অ্যখোনো বাংলাদেশে এ্যতো অনাচার।”
“ও কি রে, তুই শক অ্যাবজরভারকে এতক্ষণ সকেট জাম্পার বলছিলি?”
“শক অ্যাবজরভার কী, এইডা তো হোইলো সকেট জাম্পার।”
“ওরে পাগলা ওটা সকেট জাম্পার না, শব্দটা হলো শক অ্যাবজরভার, মানে যে যন্ত্রটা, গাড়ি বা মোটর সাইকেল যদি গর্তে পড়ে তাহলে যে শক বা ঝাঁকুনিটা অনুভূত হবে, সেটা যাতে যাত্রীকে বিব্রত না করে, সে জন্যে স্প্রিং বা বড় বড় বাস ট্রাকে পাতলা পাতলা স্টিলের পাত দিয়ে তৈরি শক অ্যাবজরভার লাগানো থাকে।”
“আরে ভাই, ওইডাই, ওইডাই সকেট জাম্পার।”
“বুঝলাম অ্যাবজরভার, তোর মুখে সকেট জাম্পার, কিন্তু বাংলাদেশের সকেট জাম্পারের মানে শক অ্যাবজরভার নেই, এই বক্তব্যের অর্থ কি?”
“ক্যান বোঝেন না, ১৯৭৫-এ, কবি কন আর যাই কন, সেই ভুল কি আপনেরা অ্যাবজরভার করা পারছেন?
এক কবির হত্যার পর লগে লগে কতোগুলা হত্যাকাণ্ড ঘটলো। সব ভুইল্লা গেছেন?”
“না না, ভুলবো ক্যানো। তোর সপরিবারে কবি হত্যার পর, সব বাঘা বাঘা মুক্তিযোদ্ধা, চৌকস এয়ারফোর্স, আর্টিলারি বাহিনির কত বাঙালি ভাই নিহত হলেন। জেলের ভেতরে যেয়ে পর্যন্ত বাঙালি হয়ে নিরস্ত্র বাঙালি কয়েদীদের গুলি করে হত্যা করলো!”
“জী¡ অয়, বাংলাদেশের সকেট জাম্পার থাকলে বাংলাদেশ এই যাতনা মানে এই শক সহ্য কোইরা, আপনের ভাষায় এই শক অ্যাবজরভার কোইরা দেশরে আ¹ুয়া নিতে পারতো। যেহেতু সকেট জাম্পার নাই তাই পদে পদে বাংলাদেশ তিন চাক্কার ব্যাটারি চালিত, মোটরাইজড রিকশার মতো খানা খন্দে পড়লে, খালি ফাল পাড়ে, আর ফাল পাড়ে। মইধ্যখানে আম পাবলিকের জান যায়।”
“বাংলাদেশ আবার কখন খানা খন্দে পড়ছে যে সকেট জাম্পার লাগবে?”
“আপনে মিয়া কানা না অন্ধ! চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে গুল্লি মারলেন, আবার হোমো এরশাদরে নিয়া গাতায় পড়লেন, তারপর ওয়ান ইলেভেন, শ্যাষ ম্যেষ ভাতের হোটেলের মালিকের হাতে...”
“থাক থাক তোকে আর ক্রনলজিক্যাল অর্ডারে বাংলাদেশের গর্তে পড়ার বিবরণ দিতে হবে না তার চেয়ে বল, এই অবস্থা থেকে বেরুবি কবে?”
“আর বাইরাচ্ছেন! আপনের নোবেল লোরিয়েট’ শান্তির পায়রা যে চুক্তি কোইরা দিছে, এইবার এইডার ঠ্যালা সামলান। ক্যামনে জানি শুদ্ধ কোইরা কোইলেন, “থাক থাক তোকে আর ক্রনলজিক্যাল অর্ডারে বাংলাদেশের গর্তে পড়ার বিবরণ দিতে হবে না তার চেয়ে বল, এই অবস্থা থেকে বেরুবি কবে?”
আমি কোই কী, জাঁ-পল সাঁত্র, “নো-এক্সিট” পালাবার পথ নাই, ও তোর যম আছে পিছে।”
“ওও-ওম্মা, তোরা তখন সব বঙ্গসন্তান কত বলাবলি করলি, নোবেল লোরিয়েট’ শান্তির পায়রা স্যার আপনে পাঁচ বছর থাকেন, স্যার আপনে দশ বছর থাকেন, অনেকেতো বলল আপনে যেহেতু পদ্মানদীতে চুবনি খান নাই আপনে এবার আমরণ প্রধান মন্ত্রী থাকেন। তো এখন আবার নোবেল লোরিয়েট’ শান্তির পায়রাকে, ধূর্ত শৃগাল মনে হচ্ছে কেনো?”
“হ্যেরে শিয়াল মনে হোইবো না, হ্যেয় খালি হ্যের ৬০০কুটি টাকার সুদ মওকুফ করছে। আর আমেরিকান চুক্তির ঠ্যেলায় বাঙ্গালী অহন বরাহ অবতারের মাংস আমদানি কোইরা পাবলিকরে খাওয়াইবো।”
“কেবল কি বরাহ অবতারের মাংস, চুক্তিতে আর কিছু নেই?”
“চুক্তির কথা আমি কমু ক্যামনে, আপনে নোবেল লোরিয়েট’ শান্তির পায়রা সাধারণ নির্বাচনের মাত্র ৭২ ঘন্টা আগে এনডিএ মানে “নন ডিসক্লোসার অ্যাগ্রিমেন্ট” সই করলেন...”
“তো! “নন ডিসক্লোসার অ্যাগ্রিমেন্ট” সই করলেন তো কী হলো?”
“কী আবার হোইবো, যা হোইবার তাই হোইলো, পাবলিকে এই চুক্তির কিছু জানা পারবো না। কারণ এইডা “নন ডিসক্লোসার অ্যাগ্রিমেন্ট।”
“তাহলে বাংলাদেশ আবার গর্তে! তোর ভাষায় বাংলাদেশের সকেট জাম্পার নেই তাই ঝাঁকুনি খেতেই হবে!”
“ঝাঁকুনি খাইবেন না কুন্নি খাইবেন, হেইডা ধীরে ধীরে টের পাইবেন। অহন বাংলাদেশের লাই¹া চট জলদি একটা সকেট জাম্পার জোগাড় করেন, তয়লে ব্যেবাগতে বাঁচবেন নইলে মরণ।”
“জানি না কপালে কী আছে। তবে সব কথার শেষ কথা, ও মহান নোবেল লোরিয়েট স্যার, আপনে বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের দেশ আমেরিকার লগে যে “নন ডিসক্লোসার অ্যাগ্রিমেন্টে” সই করলেন তার জন্য বাংলাদেশের নাগরিকরা আপনাকে কেয়ামত থেকে কেয়ামত পর্যন্ত স্মরণ রাখবে।”
“হ্যেরে কেয়ামত থেইকে কেয়ামত পর্যন্ত স্মরণ করার আগে, লাগলে চায়নিজ বা ইন্ডিয়ান সকেট জাম্পার আনেন, নাইলে আপনেগো কেয়ামত হোইতে বাকি থাকবো না। ব্যাটারি চালিত টেসলার রিকশার মতুন গত্তে পইড়া, খালি ফাল পাড়বেন আর ফাল পাড়বেন! মইধ্যখানে আম পাবলিকের যান যাইবো...”
“ওকে দেন, ইম্পোর্ট সকেট জাম্পার ফ্রম ইন্ডিয়া অর চায়না।”
[লেখক: চলচ্চিত্রকার]

আপনার মতামত লিখুন