সংবাদ

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে তথ্যমন্ত্রী

‘গ্রহণযোগ্য’ গণমাধ্যম কমিশন গঠনে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৪ মে ২০২৬, ১২:৪০ এএম

‘গ্রহণযোগ্য’ গণমাধ্যম কমিশন গঠনে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

দেশে একটি গ্রহণযোগ্য গণমাধ্যম কমিশন গঠনের জন্য সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

র‌বিবার ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান। সম্পাদক পরিষদ ও নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর যৌথ উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়। প্রতিবছর ৩ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হয়। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জানান, গণমাধ্যম খাতের জবাবদিহি, নীতিনির্ধারণ এবং বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি স্বাধীন ও গ্রহণযোগ্য কমিশন প্রয়োজন। সরকার নিজে একটি পক্ষ হওয়ায় অভিভাবকের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন সবসময় সম্ভব হয় না। একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রথম ধাপে সাংবাদিক, সম্পাদক, মালিক ও গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে। 

মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম শিল্পকে কেবল মুনাফা অর্জনের মাধ্যম হিসেবে দেখলে হবে না, এটি রাষ্ট্র ও সমাজ পুনর্গঠনের একটি দায়িত্বশীল শিল্প। বর্তমান সরকার এই শিল্পের বিকাশে নিয়ন্ত্রণের বদলে সহযোগিতামূলক সংস্কৃতি বা ‘ফ্যাসিলিটেশন’ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

তিনি বর্তমান গণমাধ্যমের পরিমাপ পদ্ধতি নিয়ে বলেন, টেলিভিশনের টিআরপি নির্ধারণ এবং পত্রিকার সার্কুলেশন পদ্ধতি অগ্রহণযোগ্য। সামান্য কিছু উপাত্ত দিয়ে পুরো দেশের টিআরপি নির্ধারণ বাস্তবতার প্রতিফলন নয়। একইসঙ্গে তিনি সংবাদ প্রতিষ্ঠানগুলোকে উপাত্তহীন বা ধারণাভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এই খাতে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা মূলত বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি বা টেক জায়ান্টদের হাতে। বর্তমান কাঠামো অনেকাংশে সেকেলে হওয়ায় এই ডিজিটাল সমস্যার সমাধান খোঁজা জটিল এবং এ বিষয়ে একটি সমন্বিত কাঠামো জরুরি। 

অনুষ্ঠানে নোয়াব সভাপতি ও মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপতথ্যের বিস্তার বর্তমানে মহামারির আকার ধারণ করেছে, যা ঠেকাতে শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন। তিনি ইউটিউব ও ফেসবুকে লাইক ও ভিউ পাওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধের আহ্বান জানান।

তবে তিনি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আড়াই মাসের এই সরকারের আমলে ডিজিএফআই বা তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে ফোন আসেনি, যা গণমাধ্যমের জন্য একটি সুখের বিষয়। 

সভাপতির বক্তব্যে সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর বলেন, একটি রক্তাক্ত গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশে যে নতুন রাজনৈতিক আকাক্সক্ষা তৈরি হয়েছে, সেখানে সরকারের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করা। বিগত সরকারগুলোর মতো ‘দায়িত্বশীলতার’ দোহাই দিয়ে সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করার পুরোনো সংস্কৃতি থেকে এই সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম জানান, সংবিধানে বিচার বিভাগ ও সংবাদমাধ্যম এই দুটি পেশাকে বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) হুমকি হিসেবে না ভেবে সহায়ক হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা যেন কোনো গোষ্ঠীস্বার্থ রক্ষার হাতিয়ার না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ বলেন, বাংলাদেশে সংবাদপত্রের পূর্ণ স্বাধীনতা এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তিনি জানান, পূর্বে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের পক্ষ থেকে দেওয়া সুপারিশ এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি। এগুলো বাস্তবায়িত হলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আরও শক্তিশালী হবে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠ সম্পাদক হাসান হাফিজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে ইঙ্গিত করে বলেন, সমাজ ও সংবাদমাধ্যম আক্রান্ত হচ্ছে। তিনি এই প্লাটফর্মে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বেশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ার অপতথ্যের কারণে মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো নাকানিচুবানি খাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন সাবেক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ।

ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ জাতিসংঘের তথ্য উল্লেখ করে জানান, ৮৫ শতাংশ নির্যাতিত সাংবাদিক তাদের ওপর হওয়া অন্যায়ের বিচার পান না।

বর্তমানে সংবাদমাধ্যম একটি অদ্ভুদ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দৈনিক সংবাদের নির্বাহী সম্পাদক শাহরিয়ার করিম। সুচনা বক্তব্যে তিনি বলেন, অপতথ্যের কারনে মানুষের অভ্যেসের মধ্যেও পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। এই অপতথ্য নিয়ন্ত্রনে সরকার এবং রাষ্ট্রের কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। তবে তা করতে গিয়ে তথ্য প্রবাহে যেনো বাধার সৃষ্টি না হয়, সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ। তিনি সরকারকে সতর্ক করে বলেন, আইন করে অপতথ্য নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে যেন মূলধারার সংবাদমাধ্যমের তথ্যপ্রবাহ কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, সমকাল সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬


‘গ্রহণযোগ্য’ গণমাধ্যম কমিশন গঠনে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

দেশে একটি গ্রহণযোগ্য গণমাধ্যম কমিশন গঠনের জন্য সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

র‌বিবার ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান। সম্পাদক পরিষদ ও নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর যৌথ উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়। প্রতিবছর ৩ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হয়। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জানান, গণমাধ্যম খাতের জবাবদিহি, নীতিনির্ধারণ এবং বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি স্বাধীন ও গ্রহণযোগ্য কমিশন প্রয়োজন। সরকার নিজে একটি পক্ষ হওয়ায় অভিভাবকের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন সবসময় সম্ভব হয় না। একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রথম ধাপে সাংবাদিক, সম্পাদক, মালিক ও গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে। 

মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম শিল্পকে কেবল মুনাফা অর্জনের মাধ্যম হিসেবে দেখলে হবে না, এটি রাষ্ট্র ও সমাজ পুনর্গঠনের একটি দায়িত্বশীল শিল্প। বর্তমান সরকার এই শিল্পের বিকাশে নিয়ন্ত্রণের বদলে সহযোগিতামূলক সংস্কৃতি বা ‘ফ্যাসিলিটেশন’ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

তিনি বর্তমান গণমাধ্যমের পরিমাপ পদ্ধতি নিয়ে বলেন, টেলিভিশনের টিআরপি নির্ধারণ এবং পত্রিকার সার্কুলেশন পদ্ধতি অগ্রহণযোগ্য। সামান্য কিছু উপাত্ত দিয়ে পুরো দেশের টিআরপি নির্ধারণ বাস্তবতার প্রতিফলন নয়। একইসঙ্গে তিনি সংবাদ প্রতিষ্ঠানগুলোকে উপাত্তহীন বা ধারণাভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এই খাতে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা মূলত বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি বা টেক জায়ান্টদের হাতে। বর্তমান কাঠামো অনেকাংশে সেকেলে হওয়ায় এই ডিজিটাল সমস্যার সমাধান খোঁজা জটিল এবং এ বিষয়ে একটি সমন্বিত কাঠামো জরুরি। 

অনুষ্ঠানে নোয়াব সভাপতি ও মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপতথ্যের বিস্তার বর্তমানে মহামারির আকার ধারণ করেছে, যা ঠেকাতে শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন। তিনি ইউটিউব ও ফেসবুকে লাইক ও ভিউ পাওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধের আহ্বান জানান।

তবে তিনি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আড়াই মাসের এই সরকারের আমলে ডিজিএফআই বা তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে ফোন আসেনি, যা গণমাধ্যমের জন্য একটি সুখের বিষয়। 

সভাপতির বক্তব্যে সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর বলেন, একটি রক্তাক্ত গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশে যে নতুন রাজনৈতিক আকাক্সক্ষা তৈরি হয়েছে, সেখানে সরকারের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করা। বিগত সরকারগুলোর মতো ‘দায়িত্বশীলতার’ দোহাই দিয়ে সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করার পুরোনো সংস্কৃতি থেকে এই সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম জানান, সংবিধানে বিচার বিভাগ ও সংবাদমাধ্যম এই দুটি পেশাকে বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) হুমকি হিসেবে না ভেবে সহায়ক হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা যেন কোনো গোষ্ঠীস্বার্থ রক্ষার হাতিয়ার না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ বলেন, বাংলাদেশে সংবাদপত্রের পূর্ণ স্বাধীনতা এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তিনি জানান, পূর্বে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের পক্ষ থেকে দেওয়া সুপারিশ এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি। এগুলো বাস্তবায়িত হলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আরও শক্তিশালী হবে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠ সম্পাদক হাসান হাফিজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে ইঙ্গিত করে বলেন, সমাজ ও সংবাদমাধ্যম আক্রান্ত হচ্ছে। তিনি এই প্লাটফর্মে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বেশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ার অপতথ্যের কারণে মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো নাকানিচুবানি খাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন সাবেক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ।

ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ জাতিসংঘের তথ্য উল্লেখ করে জানান, ৮৫ শতাংশ নির্যাতিত সাংবাদিক তাদের ওপর হওয়া অন্যায়ের বিচার পান না।

বর্তমানে সংবাদমাধ্যম একটি অদ্ভুদ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দৈনিক সংবাদের নির্বাহী সম্পাদক শাহরিয়ার করিম। সুচনা বক্তব্যে তিনি বলেন, অপতথ্যের কারনে মানুষের অভ্যেসের মধ্যেও পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। এই অপতথ্য নিয়ন্ত্রনে সরকার এবং রাষ্ট্রের কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। তবে তা করতে গিয়ে তথ্য প্রবাহে যেনো বাধার সৃষ্টি না হয়, সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ। তিনি সরকারকে সতর্ক করে বলেন, আইন করে অপতথ্য নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে যেন মূলধারার সংবাদমাধ্যমের তথ্যপ্রবাহ কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, সমকাল সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী প্রমুখ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত