দেশে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন সন্দেহজনক এবং ২ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল।
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত
১৫ মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত
হামে প্রাণ হারিয়েছে মোট ৩১১ জন
শিশু। মৃতদের মধ্যে ২৫৯ জন সন্দেহজনক
এবং ৫২ জন নিশ্চিত
হামের রোগী হিসেবে শনাক্ত
হয়েছে। মহামারি সদৃশ এই পরিস্থিতিতে
উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
২৪
ঘণ্টায় আক্রান্ত দেড় হাজার, শীর্ষে ঢাকা
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ৩ মে
সকাল ৮টা থেকে গতকাল
সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
নতুন করে ১ হাজার
৪৫৬ জন শিশু হামে
আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১
হাজার ৩০২ জন সন্দেহজনক
এবং ১৫৪ জন নিশ্চিত
হামের রোগী। গত ১৫ মার্চ
থেকে এ পর্যন্ত মোট
আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ হাজার ২৬০
জনে। বিভাগ ভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, আক্রান্তের
দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে ঢাকা বিভাগ।
গত ২৪ ঘণ্টায় এই
বিভাগে ৬১৮ জন আক্রান্ত
হয়েছে, যার মধ্যে নিশ্চিত
হাম রোগী ১১১ জন।
অন্যান্য বিভাগের মধ্যে চট্টগ্রামে ১৯২ জন, রাজশাহীতে
১৬৮ জন, বরিশালে ১৩৩
জন, খুলনায় ৮৮ জন, সিলেটে
৫১ জন, রংপুরে ৪০
জন এবং ময়মনসিংহে ১২
জন শিশু আক্রান্ত হয়েছে।
বর্তমানে ১ হাজার ৬১
জন শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
রয়েছে।
টিকাদানে
লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি
হাম
প্রতিরোধে দেশজুড়ে টিকাদান কর্মসূচি চললেও এখনো লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত
হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডাঃ মোঃ জাহিদ
রায়হান জানিয়েছেন, গত ৫ এপ্রিল
থেকে গতকাল পর্যন্ত ১ কোটি ৫৫
লাখ ৬০ হাজার ২২২টি
টিকা দেওয়া হয়েছে, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ কোটি
৮০ লাখ ১২ হাজার
৮০৩টি। অর্থাৎ প্রায় ২৫ লাখ শিশু
এখনো টিকার বাইরে রয়ে গেছে। সিটি
কর্পোরেশন এলাকাগুলোতেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম টিকা
দেওয়া হয়েছে। সেখানে ১৮ লাখ ৯৭
হাজার ৪১৫ জন শিশুর
বিপরীতে টিকা পেয়েছে ১৬
লাখ ৫৬ হাজার ৫২৪
জন।
বিশেষজ্ঞদের
শঙ্কা ও জুন পর্যন্ত সতর্কতা
বাংলাদেশ
মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিশেষজ্ঞ ডাঃ সাইফ উল্লাহ
মুন্সী বলেন, “হামে আক্রান্ত ও
মৃত্যু আগামী জুন মাস পর্যন্ত
চলতে থাকবে বলে আশংঙ্কা করা
হচ্ছে। এরপর হয়তো প্রকোপ
কমতে পারে। হাম-রুবেলা প্রতিরোধে
ভ্যাকসিনের পাশাপাশি ব্যাপক প্রচারণা চালানো জরুরি। পরিবারগুলো সচেতন হলে এই মৃত্যু
ঠেকানো সম্ভব হতো।”
ঢাকা
শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ
ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
জানান, এখন যে টিকা
দেওয়া হচ্ছে তা কার্যকর হতে
দেড় মাস সময় লাগতে
পারে। বর্তমানে জরুরি ও বহিঃবিভাগে রোগীর
চাপ বাড়ছে। শিশু হাসপাতালে এ
পর্যন্ত ৫শ শিশু চিকিৎসা
নিয়েছে এবং বর্তমানে ৮৯
জন ভর্তি আছে। সেখানে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় ২২ শিশুর মৃত্যু
হয়েছে। এদিকে মহাখালী সংক্রমণ ব্যাধি হাসপাতালের ডাঃ আরিফুল বাসার
জানিয়েছেন, সেখানে প্রতিদিন নতুন নতুন রোগী
আসছে এবং এই পরিস্থিতি
আরও কিছুদিন স্থায়ী হতে পারে।
জনস্বাস্থ্য
সংকট ও জরুরি সুপারিশ
জনস্বাস্থ্য
বিশেষজ্ঞ ডাঃ মুশতাক হোসেন
এই পরিস্থিতিকে ‘জরুরি জনস্বাস্থ্য সংকট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি তার প্রতিবেদনে
বলেন, “প্রতিরোধযোগ্য একটি রোগে শিশুদের
মৃত্যু হওয়া আমাদের স্বাস্থ্য
ব্যবস্থার দুর্বলতা ও টিকাদান ঘাটতিকে
সামনে নিয়ে আসছে। এটি
এখন আর সাধারণ সমস্যা
নয়, বরং জনস্বাস্থ্য সংকটে
রূপ নিয়েছে।”
তিনি
আরও বলেন, “হামের সংক্রমণ ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি। র্যাশ ওঠার চারদিন আগে
থেকেই এটি ছড়াতে শুরু
করে। একটি শিশু থেকে
পুরো এলাকায় সংক্রমণ ছড়াতে পারে, যা থেকে নিউমোনিয়া,
অন্ধত্ব ও মস্তিষ্কের প্রদাহ
হতে পারে।”
ডাঃ
মুশতাক হোসেন দ্রুত শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার জন্য
উপজেলা থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়
পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করার তাগিদ দেন।
তিনি বলেন, “প্রান্তিক মানুষ অর্থের অভাবে শুরুতে হাসপাতালে আসে না। পরিস্থিতি
জটিল হলে তারা ধার-দেনা করে ঢাকার
দিকে ছোটেন। এটি ঠেকাতে চিকিৎসা
ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে এবং
দোরগোড়ায় সেবা নিশ্চিত করতে
হবে।”
এছাড়া
অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের জন্য
ভিটামিন-এ কার্যক্রম জোরদার
এবং জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ‘স্ট্যান্ডিং অর্ডার অন পাবলিক হেলথ
ইমারজেন্সি’ চালুর সুপারিশ করেন বিশেষজ্ঞরা।
মৃত্যুর
প্রধান কারণ নিউমোনিয়া ও মস্তিষ্কের প্রদাহ
আইসিইউ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, হামের কারণে
শিশুরা মূলত ভাইরাল নিউমোনিয়া
ও এনকেফালাইটিস বা মস্তিষ্কের প্রদাহে
আক্রান্ত হচ্ছে। এর ফলে শিশুদের
খিঁচুনি হয় এবং শরীরে
অক্সিজেনের তীব্র অভাব দেখা দেয়।
দ্রুত হাসপাতালে না নেওয়া এবং
সঠিক বিশ্রামের অভাবই শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আশার
আলো: নতুন আইসিইউ ইউনিট
ভয়াবহ এই সংকটের মধ্যেও আশার কথা শুনিয়েছে মহাখালী সংক্রমণ ব্যাধি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালে নবজাতকদের জন্য ২ বেডের একটি আইসিইউ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে এই ইউনিটটি চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা শিশুদের আইসিইউ সংকট কিছুটা লাঘব করবে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
দেশে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন সন্দেহজনক এবং ২ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল।
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত
১৫ মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত
হামে প্রাণ হারিয়েছে মোট ৩১১ জন
শিশু। মৃতদের মধ্যে ২৫৯ জন সন্দেহজনক
এবং ৫২ জন নিশ্চিত
হামের রোগী হিসেবে শনাক্ত
হয়েছে। মহামারি সদৃশ এই পরিস্থিতিতে
উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
২৪
ঘণ্টায় আক্রান্ত দেড় হাজার, শীর্ষে ঢাকা
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ৩ মে
সকাল ৮টা থেকে গতকাল
সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
নতুন করে ১ হাজার
৪৫৬ জন শিশু হামে
আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১
হাজার ৩০২ জন সন্দেহজনক
এবং ১৫৪ জন নিশ্চিত
হামের রোগী। গত ১৫ মার্চ
থেকে এ পর্যন্ত মোট
আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ হাজার ২৬০
জনে। বিভাগ ভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, আক্রান্তের
দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে ঢাকা বিভাগ।
গত ২৪ ঘণ্টায় এই
বিভাগে ৬১৮ জন আক্রান্ত
হয়েছে, যার মধ্যে নিশ্চিত
হাম রোগী ১১১ জন।
অন্যান্য বিভাগের মধ্যে চট্টগ্রামে ১৯২ জন, রাজশাহীতে
১৬৮ জন, বরিশালে ১৩৩
জন, খুলনায় ৮৮ জন, সিলেটে
৫১ জন, রংপুরে ৪০
জন এবং ময়মনসিংহে ১২
জন শিশু আক্রান্ত হয়েছে।
বর্তমানে ১ হাজার ৬১
জন শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
রয়েছে।
টিকাদানে
লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি
হাম
প্রতিরোধে দেশজুড়ে টিকাদান কর্মসূচি চললেও এখনো লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত
হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডাঃ মোঃ জাহিদ
রায়হান জানিয়েছেন, গত ৫ এপ্রিল
থেকে গতকাল পর্যন্ত ১ কোটি ৫৫
লাখ ৬০ হাজার ২২২টি
টিকা দেওয়া হয়েছে, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ কোটি
৮০ লাখ ১২ হাজার
৮০৩টি। অর্থাৎ প্রায় ২৫ লাখ শিশু
এখনো টিকার বাইরে রয়ে গেছে। সিটি
কর্পোরেশন এলাকাগুলোতেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম টিকা
দেওয়া হয়েছে। সেখানে ১৮ লাখ ৯৭
হাজার ৪১৫ জন শিশুর
বিপরীতে টিকা পেয়েছে ১৬
লাখ ৫৬ হাজার ৫২৪
জন।
বিশেষজ্ঞদের
শঙ্কা ও জুন পর্যন্ত সতর্কতা
বাংলাদেশ
মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিশেষজ্ঞ ডাঃ সাইফ উল্লাহ
মুন্সী বলেন, “হামে আক্রান্ত ও
মৃত্যু আগামী জুন মাস পর্যন্ত
চলতে থাকবে বলে আশংঙ্কা করা
হচ্ছে। এরপর হয়তো প্রকোপ
কমতে পারে। হাম-রুবেলা প্রতিরোধে
ভ্যাকসিনের পাশাপাশি ব্যাপক প্রচারণা চালানো জরুরি। পরিবারগুলো সচেতন হলে এই মৃত্যু
ঠেকানো সম্ভব হতো।”
ঢাকা
শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ
ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
জানান, এখন যে টিকা
দেওয়া হচ্ছে তা কার্যকর হতে
দেড় মাস সময় লাগতে
পারে। বর্তমানে জরুরি ও বহিঃবিভাগে রোগীর
চাপ বাড়ছে। শিশু হাসপাতালে এ
পর্যন্ত ৫শ শিশু চিকিৎসা
নিয়েছে এবং বর্তমানে ৮৯
জন ভর্তি আছে। সেখানে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় ২২ শিশুর মৃত্যু
হয়েছে। এদিকে মহাখালী সংক্রমণ ব্যাধি হাসপাতালের ডাঃ আরিফুল বাসার
জানিয়েছেন, সেখানে প্রতিদিন নতুন নতুন রোগী
আসছে এবং এই পরিস্থিতি
আরও কিছুদিন স্থায়ী হতে পারে।
জনস্বাস্থ্য
সংকট ও জরুরি সুপারিশ
জনস্বাস্থ্য
বিশেষজ্ঞ ডাঃ মুশতাক হোসেন
এই পরিস্থিতিকে ‘জরুরি জনস্বাস্থ্য সংকট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি তার প্রতিবেদনে
বলেন, “প্রতিরোধযোগ্য একটি রোগে শিশুদের
মৃত্যু হওয়া আমাদের স্বাস্থ্য
ব্যবস্থার দুর্বলতা ও টিকাদান ঘাটতিকে
সামনে নিয়ে আসছে। এটি
এখন আর সাধারণ সমস্যা
নয়, বরং জনস্বাস্থ্য সংকটে
রূপ নিয়েছে।”
তিনি
আরও বলেন, “হামের সংক্রমণ ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি। র্যাশ ওঠার চারদিন আগে
থেকেই এটি ছড়াতে শুরু
করে। একটি শিশু থেকে
পুরো এলাকায় সংক্রমণ ছড়াতে পারে, যা থেকে নিউমোনিয়া,
অন্ধত্ব ও মস্তিষ্কের প্রদাহ
হতে পারে।”
ডাঃ
মুশতাক হোসেন দ্রুত শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার জন্য
উপজেলা থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়
পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করার তাগিদ দেন।
তিনি বলেন, “প্রান্তিক মানুষ অর্থের অভাবে শুরুতে হাসপাতালে আসে না। পরিস্থিতি
জটিল হলে তারা ধার-দেনা করে ঢাকার
দিকে ছোটেন। এটি ঠেকাতে চিকিৎসা
ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে এবং
দোরগোড়ায় সেবা নিশ্চিত করতে
হবে।”
এছাড়া
অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের জন্য
ভিটামিন-এ কার্যক্রম জোরদার
এবং জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ‘স্ট্যান্ডিং অর্ডার অন পাবলিক হেলথ
ইমারজেন্সি’ চালুর সুপারিশ করেন বিশেষজ্ঞরা।
মৃত্যুর
প্রধান কারণ নিউমোনিয়া ও মস্তিষ্কের প্রদাহ
আইসিইউ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, হামের কারণে
শিশুরা মূলত ভাইরাল নিউমোনিয়া
ও এনকেফালাইটিস বা মস্তিষ্কের প্রদাহে
আক্রান্ত হচ্ছে। এর ফলে শিশুদের
খিঁচুনি হয় এবং শরীরে
অক্সিজেনের তীব্র অভাব দেখা দেয়।
দ্রুত হাসপাতালে না নেওয়া এবং
সঠিক বিশ্রামের অভাবই শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আশার
আলো: নতুন আইসিইউ ইউনিট
ভয়াবহ এই সংকটের মধ্যেও আশার কথা শুনিয়েছে মহাখালী সংক্রমণ ব্যাধি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালে নবজাতকদের জন্য ২ বেডের একটি আইসিইউ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে এই ইউনিটটি চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা শিশুদের আইসিইউ সংকট কিছুটা লাঘব করবে।

আপনার মতামত লিখুন