পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংকট নিরসনে ইরানকে বাস্তবতা মেনে নিয়ে আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। মঙ্গলবার (৫ মে) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইরান কোন বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী, যুক্তরাষ্ট্র তা বোঝার চেষ্টা করছে এবং সেই অনুযায়ী আলোচনার পথ তৈরি করা হবে।
মার্কো রুবিও জানান, আলোচনার শুরুতেই যে একটি বিস্তারিত বা
লিখিত চুক্তি করতে হবে, বিষয়টি তেমন নয়। বরং কিছু সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে
সমঝোতা হতে পারে। তিনি বলেন,
"আমাদের একটি কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। সেখানে
স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে যে তারা কোন কোন বিষয়ে আলোচনা করতে ইচ্ছুক এবং আলোচনার
শুরুতেই তারা কী ধরনের ছাড় দিতে প্রস্তুত।"
ইরান বারবার পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার দাবি করলেও মার্কো
রুবিও তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের কথা ও কাজের মধ্যে মিল নেই।
রুবিওর মতে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের মতো সক্ষমতা
বাড়ানো প্রমাণ করে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির দিকেই এগোচ্ছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যায়,
তবে তা পুরো বিশ্বের জন্য বিপজ্জনক হবে। এমনকি তখন তারা বিশ্ববাসীর সাথে এমন আচরণ করতে
পারে, যেমনটি এখন হরমুজ প্রণালি নিয়ে করছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া বার্তার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাথে আলোচনার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। ট্রাম্প জানান,
দুই পক্ষের মধ্যে প্রস্তাব আদান-প্রদান চলছে এবং এই আলোচনা ভবিষ্যতে সবার জন্য ভালো
ফল বয়ে আনতে পারে।
এদিকে, আলজাজিরার এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই নিশ্চিত করেছেন যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি পাল্টা
প্রস্তাব পেয়েছেন। এই বার্তাটি পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানের কাছে পৌঁছেছে।
তবে আলোচনার পথটি সহজ নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাঘাই। তিনি
বলেন, মার্কিন প্রস্তাবটিতে কিছু 'অযৌক্তিক দাবি' থাকায় সেটি পর্যালোচনা করা কঠিন হয়ে
পড়েছে। বর্তমানে প্রস্তাবের বিস্তারিত বিষয়গুলো ইরান সরকার মূল্যায়ন করছে।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংকট নিরসনে ইরানকে বাস্তবতা মেনে নিয়ে আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। মঙ্গলবার (৫ মে) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইরান কোন বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী, যুক্তরাষ্ট্র তা বোঝার চেষ্টা করছে এবং সেই অনুযায়ী আলোচনার পথ তৈরি করা হবে।
মার্কো রুবিও জানান, আলোচনার শুরুতেই যে একটি বিস্তারিত বা
লিখিত চুক্তি করতে হবে, বিষয়টি তেমন নয়। বরং কিছু সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে
সমঝোতা হতে পারে। তিনি বলেন,
"আমাদের একটি কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। সেখানে
স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে যে তারা কোন কোন বিষয়ে আলোচনা করতে ইচ্ছুক এবং আলোচনার
শুরুতেই তারা কী ধরনের ছাড় দিতে প্রস্তুত।"
ইরান বারবার পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার দাবি করলেও মার্কো
রুবিও তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের কথা ও কাজের মধ্যে মিল নেই।
রুবিওর মতে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের মতো সক্ষমতা
বাড়ানো প্রমাণ করে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির দিকেই এগোচ্ছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যায়,
তবে তা পুরো বিশ্বের জন্য বিপজ্জনক হবে। এমনকি তখন তারা বিশ্ববাসীর সাথে এমন আচরণ করতে
পারে, যেমনটি এখন হরমুজ প্রণালি নিয়ে করছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া বার্তার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাথে আলোচনার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। ট্রাম্প জানান,
দুই পক্ষের মধ্যে প্রস্তাব আদান-প্রদান চলছে এবং এই আলোচনা ভবিষ্যতে সবার জন্য ভালো
ফল বয়ে আনতে পারে।
এদিকে, আলজাজিরার এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই নিশ্চিত করেছেন যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি পাল্টা
প্রস্তাব পেয়েছেন। এই বার্তাটি পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানের কাছে পৌঁছেছে।
তবে আলোচনার পথটি সহজ নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাঘাই। তিনি
বলেন, মার্কিন প্রস্তাবটিতে কিছু 'অযৌক্তিক দাবি' থাকায় সেটি পর্যালোচনা করা কঠিন হয়ে
পড়েছে। বর্তমানে প্রস্তাবের বিস্তারিত বিষয়গুলো ইরান সরকার মূল্যায়ন করছে।

আপনার মতামত লিখুন