আক্ষেপ ঘুচিয়ে দীর্ঘ ২০ বছর পর উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠেছে আর্সেনাল। মঙ্গলবার রাতে এমিরেটস স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের লড়াইয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়েছে মিকেল আর্তেতার দল। দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বুদাপেস্টের টিকিট নিশ্চিত করল গানার্সরা।
প্রথম লেগ ১-১ গোলে ড্র থাকায় ফিরতি লেগে শুরু থেকেই ছিল
টানটান উত্তেজনা। প্রথমার্ধের ৪৪তম মিনিটে এমিরেটসের গ্যালারিকে উল্লাসে মাতান বুকায়ো
সাকা। ভিক্টর ইয়োকেরেসের বিল্ড-আপ থেকে লিয়েন্দ্রো ট্রোসার্ডের নেওয়া শট আতলেতিকো
গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাক প্রতিহত করলেও, ফিরতি বলে আলতো টোকায় জাল খুঁজে নেন সাকা। এই
এক গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।
গোলের খোঁজে মরিয়া আতলেতিকো বেশ কিছু ভালো আক্রমণ করলেও আর্সেনালের
রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় তা ব্যর্থ হয়। প্রথমার্ধে জুলিয়ানো সিমিওনেকে গোল করা থেকে রুখতে
ডেক্লান রাইসের সেই দুর্দান্ত ট্যাকল কিংবা বিরতির পর গ্যাব্রিয়েলের চমৎকার ডিফেন্ডিং
ছিল চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন ইয়োকেরেসও, তবে তার শটটি
বারের ওপর দিয়ে চলে যায়।
গত মৌসুমে পিএসজির কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে
হয়েছিল আর্সেনালকে। এবার সেই দুঃখ ভুলে ফাইনালে ওঠার পাশাপাশি গানার্সদের সামনে তৈরি
হয়েছে এক ঐতিহাসিক সুযোগ। প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ একই মৌসুমে 'ডাবল' জেতার
হাতছানি এখন আর্তেতার শিষ্যদের সামনে।
এর আগে ২০০৬ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠলেও বার্সেলোনার
কাছে হেরে রানার্সআপ হতে হয়েছিল আর্সেনালকে। আগামী ৩০ মে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে ইতিহাসের
প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে তারা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ
হবে বায়ার্ন মিউনিখ অথবা পিএসজির মধ্যে যেকোনো এক দল।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
আক্ষেপ ঘুচিয়ে দীর্ঘ ২০ বছর পর উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠেছে আর্সেনাল। মঙ্গলবার রাতে এমিরেটস স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের লড়াইয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়েছে মিকেল আর্তেতার দল। দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বুদাপেস্টের টিকিট নিশ্চিত করল গানার্সরা।
প্রথম লেগ ১-১ গোলে ড্র থাকায় ফিরতি লেগে শুরু থেকেই ছিল
টানটান উত্তেজনা। প্রথমার্ধের ৪৪তম মিনিটে এমিরেটসের গ্যালারিকে উল্লাসে মাতান বুকায়ো
সাকা। ভিক্টর ইয়োকেরেসের বিল্ড-আপ থেকে লিয়েন্দ্রো ট্রোসার্ডের নেওয়া শট আতলেতিকো
গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাক প্রতিহত করলেও, ফিরতি বলে আলতো টোকায় জাল খুঁজে নেন সাকা। এই
এক গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।
গোলের খোঁজে মরিয়া আতলেতিকো বেশ কিছু ভালো আক্রমণ করলেও আর্সেনালের
রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় তা ব্যর্থ হয়। প্রথমার্ধে জুলিয়ানো সিমিওনেকে গোল করা থেকে রুখতে
ডেক্লান রাইসের সেই দুর্দান্ত ট্যাকল কিংবা বিরতির পর গ্যাব্রিয়েলের চমৎকার ডিফেন্ডিং
ছিল চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন ইয়োকেরেসও, তবে তার শটটি
বারের ওপর দিয়ে চলে যায়।
গত মৌসুমে পিএসজির কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে
হয়েছিল আর্সেনালকে। এবার সেই দুঃখ ভুলে ফাইনালে ওঠার পাশাপাশি গানার্সদের সামনে তৈরি
হয়েছে এক ঐতিহাসিক সুযোগ। প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ একই মৌসুমে 'ডাবল' জেতার
হাতছানি এখন আর্তেতার শিষ্যদের সামনে।
এর আগে ২০০৬ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠলেও বার্সেলোনার
কাছে হেরে রানার্সআপ হতে হয়েছিল আর্সেনালকে। আগামী ৩০ মে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে ইতিহাসের
প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে তারা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ
হবে বায়ার্ন মিউনিখ অথবা পিএসজির মধ্যে যেকোনো এক দল।

আপনার মতামত লিখুন