তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কংগ্রেসের সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) প্রধান ও জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপতি বিজয়। ২৩৪ আসনের বিধানসভা নির্বাচনে ১০৮টি আসন জিতে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বিজয়ের টিভিকে।
তামিলনাড়ু বিধানসভায় সরকার গড়তে প্রয়োজন ১১৮টি আসন। বিজয়
ম্যাজিক ১০৮ পর্যন্ত পৌঁছালেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য আরও ১০টি আসনের প্রয়োজন ছিল। এমন
পরিস্থিতিতে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস তাদের ৫ জন বিধায়ক নিয়ে বিজয়কে সমর্থন দেওয়ার চূড়ান্ত
সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বুধবার এক ভার্চুয়াল বৈঠকের পর তামিলনাড়ু প্রদেশ কংগ্রেস
কমিটি এই সিদ্ধান্ত জানায়। তবে এই সমর্থন পুরোপুরি নিঃশর্ত নয়। গুঞ্জন রয়েছে, নতুন
মন্ত্রিসভায় দুটি মন্ত্রী পদ এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু সরকারি বোর্ডের চেয়ারম্যান পদ পেতে
পারে কংগ্রেস।
১৯৬৭ সাল থেকে তামিলনাড়ুর ক্ষমতা কেবল ডিএমকে (DMK) এবং এআইএডিএমকে
(AIADMK)-র মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ২০২৬ সালের এই ফলাফল সেই দীর্ঘ ইতিহাস বদলে দিল। ক্ষমতাসীন
ডিএমকে-কে হারিয়ে এবং এআইএডিএমকে-কে তৃতীয় স্থানে ঠেলে দিয়ে বিজয় এখন তামিল রাজনীতির
প্রধান চালিকাশক্তি।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৭ মে (বৃহস্পতিবার) তামিলনাড়ুর
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন থালাপতি বিজয়। তার সঙ্গে আরও ৯ জন মন্ত্রী শপথ
নিতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। চেন্নাইয়ের পানাইয়ুরে টিভিকে-এর প্রধান কার্যালয়ে
এখন সাজ সাজ রব।
বিজয় শুধু কংগ্রেস নয়, বামপন্থী দলগুলোসহ ভিসিকে ও আইইউএমএল-এর
মতো ছোট দলগুলোর সঙ্গেও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই দলগুলো পাশে দাঁড়ালে তামিলনাড়ুতে
একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল জোট সরকার গঠিত হবে।
সিনেমার পর্দার ‘থালাপতি’ এবার বাস্তব জীবনের শাসক হিসেবে
তামিলনাড়ুর ভাগ্য বদলাতে পারেন কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে পুরো ভারত।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কংগ্রেসের সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) প্রধান ও জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপতি বিজয়। ২৩৪ আসনের বিধানসভা নির্বাচনে ১০৮টি আসন জিতে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বিজয়ের টিভিকে।
তামিলনাড়ু বিধানসভায় সরকার গড়তে প্রয়োজন ১১৮টি আসন। বিজয়
ম্যাজিক ১০৮ পর্যন্ত পৌঁছালেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য আরও ১০টি আসনের প্রয়োজন ছিল। এমন
পরিস্থিতিতে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস তাদের ৫ জন বিধায়ক নিয়ে বিজয়কে সমর্থন দেওয়ার চূড়ান্ত
সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বুধবার এক ভার্চুয়াল বৈঠকের পর তামিলনাড়ু প্রদেশ কংগ্রেস
কমিটি এই সিদ্ধান্ত জানায়। তবে এই সমর্থন পুরোপুরি নিঃশর্ত নয়। গুঞ্জন রয়েছে, নতুন
মন্ত্রিসভায় দুটি মন্ত্রী পদ এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু সরকারি বোর্ডের চেয়ারম্যান পদ পেতে
পারে কংগ্রেস।
১৯৬৭ সাল থেকে তামিলনাড়ুর ক্ষমতা কেবল ডিএমকে (DMK) এবং এআইএডিএমকে
(AIADMK)-র মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ২০২৬ সালের এই ফলাফল সেই দীর্ঘ ইতিহাস বদলে দিল। ক্ষমতাসীন
ডিএমকে-কে হারিয়ে এবং এআইএডিএমকে-কে তৃতীয় স্থানে ঠেলে দিয়ে বিজয় এখন তামিল রাজনীতির
প্রধান চালিকাশক্তি।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৭ মে (বৃহস্পতিবার) তামিলনাড়ুর
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন থালাপতি বিজয়। তার সঙ্গে আরও ৯ জন মন্ত্রী শপথ
নিতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। চেন্নাইয়ের পানাইয়ুরে টিভিকে-এর প্রধান কার্যালয়ে
এখন সাজ সাজ রব।
বিজয় শুধু কংগ্রেস নয়, বামপন্থী দলগুলোসহ ভিসিকে ও আইইউএমএল-এর
মতো ছোট দলগুলোর সঙ্গেও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই দলগুলো পাশে দাঁড়ালে তামিলনাড়ুতে
একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল জোট সরকার গঠিত হবে।
সিনেমার পর্দার ‘থালাপতি’ এবার বাস্তব জীবনের শাসক হিসেবে
তামিলনাড়ুর ভাগ্য বদলাতে পারেন কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে পুরো ভারত।

আপনার মতামত লিখুন