বাংলাদেশের বহুল আলোচিত ‘তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প’ বাস্তবায়নে চীনের সক্রিয় সম্পৃক্ততা ও কারিগরি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার (৬ মে) বেইজিংয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই জোরালো আহ্বান জানানো হয়। একইসঙ্গে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক আস্থা বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন কৌশল সমন্বয়ে ১০ দফার এক যৌথ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর আমন্ত্রণে বর্তমানে তিন
দিনের সরকারি সফরে বেইজিংয়ে রয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। দিয়াওইউতাই
স্টেট গেস্ট হাউসে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা দিক উঠে আসে। যৌথ
বিজ্ঞপ্তির ৫ নম্বর দফায় তিস্তা মহাপরিকল্পনার বিষয়টি বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে। সেখানে
বাংলাদেশ তার নিজস্ব উন্নয়ন যাত্রায় পাশে থাকায় চীনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিস্তা প্রকল্পে
বেইজিংয়ের সরাসরি সমর্থন ও অংশগ্রহণ কামনা করে।
বৈঠক শেষে প্রকাশিত ১০ দফার যৌথ ঘোষণায় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক
সহযোগিতার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক উঠে এসেছে:
সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান চাইনিজ পিপলস পলিটিক্যাল
কনসালটেটিভ কনফারেন্সের (সিপিপিসিসি) চেয়ারপারসন ওয়াং হুনিংয়ের সঙ্গেও আলাদা বৈঠক
করেন। সেখানে কানেক্টিভিটি ও বিনিয়োগ বাড়াতে কৌশলগত অংশীদারত্বের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
করা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর
পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো.
নাজমুল ইসলাম। সফর শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং
ই-কে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
বাংলাদেশের বহুল আলোচিত ‘তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প’ বাস্তবায়নে চীনের সক্রিয় সম্পৃক্ততা ও কারিগরি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার (৬ মে) বেইজিংয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই জোরালো আহ্বান জানানো হয়। একইসঙ্গে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক আস্থা বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন কৌশল সমন্বয়ে ১০ দফার এক যৌথ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর আমন্ত্রণে বর্তমানে তিন
দিনের সরকারি সফরে বেইজিংয়ে রয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। দিয়াওইউতাই
স্টেট গেস্ট হাউসে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা দিক উঠে আসে। যৌথ
বিজ্ঞপ্তির ৫ নম্বর দফায় তিস্তা মহাপরিকল্পনার বিষয়টি বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে। সেখানে
বাংলাদেশ তার নিজস্ব উন্নয়ন যাত্রায় পাশে থাকায় চীনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিস্তা প্রকল্পে
বেইজিংয়ের সরাসরি সমর্থন ও অংশগ্রহণ কামনা করে।
বৈঠক শেষে প্রকাশিত ১০ দফার যৌথ ঘোষণায় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক
সহযোগিতার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক উঠে এসেছে:
সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান চাইনিজ পিপলস পলিটিক্যাল
কনসালটেটিভ কনফারেন্সের (সিপিপিসিসি) চেয়ারপারসন ওয়াং হুনিংয়ের সঙ্গেও আলাদা বৈঠক
করেন। সেখানে কানেক্টিভিটি ও বিনিয়োগ বাড়াতে কৌশলগত অংশীদারত্বের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
করা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর
পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো.
নাজমুল ইসলাম। সফর শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং
ই-কে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

আপনার মতামত লিখুন