তরুণ প্রজন্মকে তামাকের প্রাণঘাতী থাবা থেকে বাঁচাতে আসন্ন বাজেটে সিগারেটের সর্বনিম্ন দাম ১০০ টাকা করার দাবি জানিয়েছেন তরুণ চিকিৎসকরা।
শনিবার (৯ মে) ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, দেশের বর্তমান তরুণ জনগোষ্ঠীই আগামীর সম্পদ। কিন্তু তামাক কোম্পানিগুলোর বিপণন কৌশলে তারা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছে। বিশেষ করে কম দামি সিগারেটের সহজলভ্যতা তরুণদের ধূমপানে উৎসাহিত করছে।
মানববন্ধনে চিকিৎসকরা আসন্ন বাজেটে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বেশ কিছু প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান। সেগুলো হলো: সিগারেটের বর্তমান চারটি মূল্যস্তর কমিয়ে তিনটিতে নামিয়ে আনা; নিম্ন ও মধ্যম স্তর একীভূত করে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য ১০০ টাকা করা; প্রিমিয়াম স্তরের ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ২০০ টাকা নির্ধারণ করা; এবং সকল স্তরে প্রতি শলাকা সিগারেটে ৪ টাকা হারে সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করা।
মানববন্ধনে বক্তারা তামাকের ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় দুই লাখ মানুষ তামাকজনিত রোগে অকালে প্রাণ হারান। হৃদরোগ, ক্যানসার, স্ট্রোক এবং দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টের মতো অসংক্রামক রোগের মূল কারণ তামাক।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা জানান, তামাক কোনো সাধারণ পণ্য নয়, এটি একটি ঘাতক। সরকার যদি কার্যকর তামাক করনীতি বাস্তবায়ন করে, তবে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদে দেশের স্বাস্থ্য খাতের ব্যয় বহুগুণ কমে আসবে।
চিকিৎসকদের মতে, সিগারেটের দাম বৃদ্ধি পেলে নিম্ন আয়ের মানুষ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই মূল্যবৃদ্ধি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে পারে।
তরুণ চিকিৎসকরা তামাকের থাবা থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় সরকারের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
তরুণ প্রজন্মকে তামাকের প্রাণঘাতী থাবা থেকে বাঁচাতে আসন্ন বাজেটে সিগারেটের সর্বনিম্ন দাম ১০০ টাকা করার দাবি জানিয়েছেন তরুণ চিকিৎসকরা।
শনিবার (৯ মে) ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, দেশের বর্তমান তরুণ জনগোষ্ঠীই আগামীর সম্পদ। কিন্তু তামাক কোম্পানিগুলোর বিপণন কৌশলে তারা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছে। বিশেষ করে কম দামি সিগারেটের সহজলভ্যতা তরুণদের ধূমপানে উৎসাহিত করছে।
মানববন্ধনে চিকিৎসকরা আসন্ন বাজেটে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বেশ কিছু প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান। সেগুলো হলো: সিগারেটের বর্তমান চারটি মূল্যস্তর কমিয়ে তিনটিতে নামিয়ে আনা; নিম্ন ও মধ্যম স্তর একীভূত করে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য ১০০ টাকা করা; প্রিমিয়াম স্তরের ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ২০০ টাকা নির্ধারণ করা; এবং সকল স্তরে প্রতি শলাকা সিগারেটে ৪ টাকা হারে সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করা।
মানববন্ধনে বক্তারা তামাকের ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় দুই লাখ মানুষ তামাকজনিত রোগে অকালে প্রাণ হারান। হৃদরোগ, ক্যানসার, স্ট্রোক এবং দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টের মতো অসংক্রামক রোগের মূল কারণ তামাক।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা জানান, তামাক কোনো সাধারণ পণ্য নয়, এটি একটি ঘাতক। সরকার যদি কার্যকর তামাক করনীতি বাস্তবায়ন করে, তবে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদে দেশের স্বাস্থ্য খাতের ব্যয় বহুগুণ কমে আসবে।
চিকিৎসকদের মতে, সিগারেটের দাম বৃদ্ধি পেলে নিম্ন আয়ের মানুষ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই মূল্যবৃদ্ধি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে পারে।
তরুণ চিকিৎসকরা তামাকের থাবা থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় সরকারের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন