রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। শুধু ট্রান্সফরমার নয়, বিদ্যুতের তারও চুরি হচ্ছে। বোরো ধানের সেচ মৌসুমে এই চুরি কৃষকদের ক্ষতির মুখে ফেলছে। অনেক জমিতে যথাসময়ে সেচ দেয়া যাচ্ছে না। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
জানা গেছে, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দেবগ্রাম এলাকায় ১০০ কিলোভোল্ট ক্ষমতার একটি ট্রান্সফরমার থেকে প্রায় ২০০ কেজি তামার তার চুরি হয়েছে। এর আর্থিক মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরে সেচের জন্য ব্যবহৃত ২৭টি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। আবাসিক এলাকায়ও চারটি চুরির ঘটনা ঘটেছে।
বোরো মৌসুমে এ ধরনের চুরি কৃষকদের জন্য বড় সংকট তৈরি করেছে। সেচকাজ ব্যাহত হওয়ায় ফসল উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারের আর্থিক ক্ষতির বড় অংশ বহন করতে হচ্ছে গ্রাহকদেরই। অনেক কৃষক বলছেন, ধান বিক্রি করেও সেই ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা কঠিন।
ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে ঘটলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়ভাবে পাহারা বা নজরদারির ব্যবস্থাও পর্যাপ্ত নয়। ফলে চোরেরা সুযোগ পাচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে বিকল্প ফিডারের মাধ্যমে সাময়িক সেবা দেয়া হলেও মূল সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।
কৃষিনির্ভর অঞ্চলে সেচব্যবস্থা সচল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ট্রান্সফরমার চুরিকে সাধারণ সম্পদ চুরির ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি খাদ্য উৎপাদন ও কৃষকের জীবিকার সঙ্গে জড়িত।
আমরা বলতে চাই, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত চোরচক্র শনাক্তে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে হবে। বিদ্যুৎ বিভাগকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত তদারকি চালাতে হবে। আধুনিক নজরদারির ব্যবস্থা নিতে হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনগণকেও এ বিষয়ে সচেতন ও সক্রিয় হতে হবে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। শুধু ট্রান্সফরমার নয়, বিদ্যুতের তারও চুরি হচ্ছে। বোরো ধানের সেচ মৌসুমে এই চুরি কৃষকদের ক্ষতির মুখে ফেলছে। অনেক জমিতে যথাসময়ে সেচ দেয়া যাচ্ছে না। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
জানা গেছে, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দেবগ্রাম এলাকায় ১০০ কিলোভোল্ট ক্ষমতার একটি ট্রান্সফরমার থেকে প্রায় ২০০ কেজি তামার তার চুরি হয়েছে। এর আর্থিক মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরে সেচের জন্য ব্যবহৃত ২৭টি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। আবাসিক এলাকায়ও চারটি চুরির ঘটনা ঘটেছে।
বোরো মৌসুমে এ ধরনের চুরি কৃষকদের জন্য বড় সংকট তৈরি করেছে। সেচকাজ ব্যাহত হওয়ায় ফসল উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারের আর্থিক ক্ষতির বড় অংশ বহন করতে হচ্ছে গ্রাহকদেরই। অনেক কৃষক বলছেন, ধান বিক্রি করেও সেই ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা কঠিন।
ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে ঘটলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়ভাবে পাহারা বা নজরদারির ব্যবস্থাও পর্যাপ্ত নয়। ফলে চোরেরা সুযোগ পাচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে বিকল্প ফিডারের মাধ্যমে সাময়িক সেবা দেয়া হলেও মূল সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।
কৃষিনির্ভর অঞ্চলে সেচব্যবস্থা সচল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ট্রান্সফরমার চুরিকে সাধারণ সম্পদ চুরির ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি খাদ্য উৎপাদন ও কৃষকের জীবিকার সঙ্গে জড়িত।
আমরা বলতে চাই, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত চোরচক্র শনাক্তে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে হবে। বিদ্যুৎ বিভাগকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত তদারকি চালাতে হবে। আধুনিক নজরদারির ব্যবস্থা নিতে হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনগণকেও এ বিষয়ে সচেতন ও সক্রিয় হতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন