গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পূর্ব চান্দরা বটতলা এলাকায় রেলওয়ের জমি অবৈধভাবে দখল করে শতাধিক ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। গত ৫ আগস্টের আগে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যে স্থাপনা উচ্ছেদ করেছিল, তার কয়েক মাসের মধ্যেই একই জায়গায় আবার নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
জানা গেছে, রেললাইনের পাশে প্রায় দুইশ রুম নির্মাণ করা হয়েছে। কয়েকজন ব্যক্তির নামে বহু ঘর তৈরি হয়েছে এবং আরও কিছু নির্মাণ চলছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ১৫-২০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি এই দখল বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত। অভিযোগ রয়েছে, রেল কর্তৃপক্ষের কারও কারও যোগসাজশে এসব কাজ চলছে। ফলে রাষে&রেদর সম্পত্তি বেদখল হচ্ছে। রেললাইনের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়ছে।
এ ধরনের অবৈধ দখল শুধু জমির অপচয় নয়, জননিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকি তৈরি করে। রেলপথের আশপাশে ঘরবাড়ি থাকলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে, রেল চলাচলও বিঘ্নিত হতে পারে। এটা শুধু জমি উদ্ধারের প্রশ্ন নয়, আইনের শাসন ও রাষ্রেদখর সম্পত্তি রক্ষার বিষয়টিও এর সঙ্গে জড়িত।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার কথা বলেছেন। তিনি রেলওয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
আমরা বলবো, আশ্বাস অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা উচিত। অবৈধ দখলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটে। রাষ্রেনুর জমি রক্ষায় প্রশাসন ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে আমরা আশা করতে চাই।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পূর্ব চান্দরা বটতলা এলাকায় রেলওয়ের জমি অবৈধভাবে দখল করে শতাধিক ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। গত ৫ আগস্টের আগে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যে স্থাপনা উচ্ছেদ করেছিল, তার কয়েক মাসের মধ্যেই একই জায়গায় আবার নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
জানা গেছে, রেললাইনের পাশে প্রায় দুইশ রুম নির্মাণ করা হয়েছে। কয়েকজন ব্যক্তির নামে বহু ঘর তৈরি হয়েছে এবং আরও কিছু নির্মাণ চলছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ১৫-২০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি এই দখল বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত। অভিযোগ রয়েছে, রেল কর্তৃপক্ষের কারও কারও যোগসাজশে এসব কাজ চলছে। ফলে রাষে&রেদর সম্পত্তি বেদখল হচ্ছে। রেললাইনের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়ছে।
এ ধরনের অবৈধ দখল শুধু জমির অপচয় নয়, জননিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকি তৈরি করে। রেলপথের আশপাশে ঘরবাড়ি থাকলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে, রেল চলাচলও বিঘ্নিত হতে পারে। এটা শুধু জমি উদ্ধারের প্রশ্ন নয়, আইনের শাসন ও রাষ্রেদখর সম্পত্তি রক্ষার বিষয়টিও এর সঙ্গে জড়িত।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার কথা বলেছেন। তিনি রেলওয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
আমরা বলবো, আশ্বাস অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা উচিত। অবৈধ দখলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটে। রাষ্রেনুর জমি রক্ষায় প্রশাসন ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে আমরা আশা করতে চাই।

আপনার মতামত লিখুন