সংবাদ

হরিণাকুণ্ডু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: সেবা নিশ্চিত করতে হবে


প্রকাশ: ৪ মে ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম

হরিণাকুণ্ডু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: সেবা নিশ্চিত করতে হবে


আড়াই লাখ মানুষের জন্য একটি মাত্র সরকারি হাসপাতাল। সেটিও ঠিকমতো চলছে না। হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এই চিত্র কেবল একটি হাসপাতালের ব্যর্থতা নয়, এটি সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার একটি পরিচিত সংকটের প্রতিফলন। 

হাসপাতালে অনুমোদিত পদের বিপরীতে জনবল আছে মাত্র ৬০ শতাংশ। যারা আছেন, তাদের একাংশ নিয়মিত কর্মস্থলে যান না। অপারেশন থিয়েটার বন্ধ, এক্স-রে মেশিন প্রায়ই অচল, প্যাথলজি সেবা নামেমাত্র। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা গরিব রোগীরা সরকারি হাসপাতালে এসেও শেষ পর্যন্ত বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দরজায় যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে তাদের বাড়তি অর্থ ও সময় দুটোই নষ্ট হচ্ছে। 

সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, পরিস্থিতি উন্নয়নে কাজ চলছে। এই আশ্বাস আগেও অনেকবার দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তব অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। 

আমরা বলতে চাই, শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থার কথা বললে হবে না, সেই ব্যবস্থার ফলাফল মানুষকে দেখাতে হবে। জনবল সংকট সমাধানে নিয়োগ ও পদায়নে গতি আনা দরকার। পাশাপাশি অপারেশন থিয়েটার ও ডায়াগনস্টিক সেবা সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংস্কার ও জনবল নিশ্চিত করতে হবে। চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকির বিকল্প নেই। 

সরকারি হাসপাতাল মানুষের শেষ ভরসার জায়গা, বিশেষত যারা বেসরকারি চিকিৎসার খরচ বহন করতে পারেন না। সেই ভরসার জায়গাটি কার্যকর রাখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে কেবল আশ্বাস নয়, দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬


হরিণাকুণ্ডু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: সেবা নিশ্চিত করতে হবে

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image


আড়াই লাখ মানুষের জন্য একটি মাত্র সরকারি হাসপাতাল। সেটিও ঠিকমতো চলছে না। হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এই চিত্র কেবল একটি হাসপাতালের ব্যর্থতা নয়, এটি সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার একটি পরিচিত সংকটের প্রতিফলন। 

হাসপাতালে অনুমোদিত পদের বিপরীতে জনবল আছে মাত্র ৬০ শতাংশ। যারা আছেন, তাদের একাংশ নিয়মিত কর্মস্থলে যান না। অপারেশন থিয়েটার বন্ধ, এক্স-রে মেশিন প্রায়ই অচল, প্যাথলজি সেবা নামেমাত্র। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা গরিব রোগীরা সরকারি হাসপাতালে এসেও শেষ পর্যন্ত বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দরজায় যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে তাদের বাড়তি অর্থ ও সময় দুটোই নষ্ট হচ্ছে। 

সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, পরিস্থিতি উন্নয়নে কাজ চলছে। এই আশ্বাস আগেও অনেকবার দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তব অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। 

আমরা বলতে চাই, শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থার কথা বললে হবে না, সেই ব্যবস্থার ফলাফল মানুষকে দেখাতে হবে। জনবল সংকট সমাধানে নিয়োগ ও পদায়নে গতি আনা দরকার। পাশাপাশি অপারেশন থিয়েটার ও ডায়াগনস্টিক সেবা সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংস্কার ও জনবল নিশ্চিত করতে হবে। চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকির বিকল্প নেই। 

সরকারি হাসপাতাল মানুষের শেষ ভরসার জায়গা, বিশেষত যারা বেসরকারি চিকিৎসার খরচ বহন করতে পারেন না। সেই ভরসার জায়গাটি কার্যকর রাখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে কেবল আশ্বাস নয়, দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত