আজ রবিবার (১০ মে), বিশ্ব মা দিবস। মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই বিশেষ দিনটি। বাংলাদেশেও গভীর মমতা আর নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। গল্প, কবিতা, গান কিংবা ইতিহাস সবখানেই মায়ের অসীম ত্যাগ ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়।
মা দিবস পালনের রীতি শুধু আবেগের নয়, এর পেছনে রয়েছে সামাজিক
আন্দোলন ও সংগ্রামের এক দীর্ঘ ইতিহাস। ১৯ শতকের আমেরিকায় জুলিয়া ওয়ার্ড হো এবং অ্যান
রিভস জার্ভিস নামের দুই সমাজকর্মী মায়েদের স্বাস্থ্য ও অধিকার নিয়ে কাজ শুরু করেন।
পরবর্তীতে অ্যান রিভস জার্ভিসের মেয়ে আনা জার্ভিস তাঁর মায়ের স্মৃতি রক্ষার্থে
১৯০৮ সালে পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে মা দিবস পালন করেন।
আনা জার্ভিস সেদিন সবার হাতে তুলে দিয়েছিলেন তাঁর মায়ের প্রিয়
ফুল ‘সাদা কার্নেশন’। এরপর ১৯১৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের
দ্বিতীয় রবিবারকে জাতীয় মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। সেই থেকেই দিবসটি বৈশ্বিক রূপ
পায়।
একসময় ভাবা হতো মায়ের ভূমিকা কেবল সন্তান লালন-পালনেই সীমাবদ্ধ।
কিন্তু বর্তমান বিশ্বে মায়ের পরিচয় বহুমাত্রিক। তিনি সন্তানের প্রথম শিক্ষক, পরিবারের
মানসিক শক্তির আধার, আবার একই সঙ্গে দক্ষ কর্মজীবী বা উদ্যোক্তা। আধুনিক সমাজ ও জাতি
গঠনে মায়েরা আজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।
‘মা’ শব্দের ভেতর
মিশে আছে জন্ম, নিরাপত্তা আর অস্তিত্বের পরম নির্ভরতা। পৃথিবীর সব ধর্মের গ্রন্থেই
মাকে দেওয়া হয়েছে বিশেষ মর্যাদা। আজকের এই দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে
বাস্তব জীবনেও সন্তানেরা ফুল, উপহার কিংবা সশরীরে মায়ের পাশে থেকে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ করছেন।
পৃথিবীর সব মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
আজ রবিবার (১০ মে), বিশ্ব মা দিবস। মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই বিশেষ দিনটি। বাংলাদেশেও গভীর মমতা আর নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। গল্প, কবিতা, গান কিংবা ইতিহাস সবখানেই মায়ের অসীম ত্যাগ ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়।
মা দিবস পালনের রীতি শুধু আবেগের নয়, এর পেছনে রয়েছে সামাজিক
আন্দোলন ও সংগ্রামের এক দীর্ঘ ইতিহাস। ১৯ শতকের আমেরিকায় জুলিয়া ওয়ার্ড হো এবং অ্যান
রিভস জার্ভিস নামের দুই সমাজকর্মী মায়েদের স্বাস্থ্য ও অধিকার নিয়ে কাজ শুরু করেন।
পরবর্তীতে অ্যান রিভস জার্ভিসের মেয়ে আনা জার্ভিস তাঁর মায়ের স্মৃতি রক্ষার্থে
১৯০৮ সালে পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে মা দিবস পালন করেন।
আনা জার্ভিস সেদিন সবার হাতে তুলে দিয়েছিলেন তাঁর মায়ের প্রিয়
ফুল ‘সাদা কার্নেশন’। এরপর ১৯১৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের
দ্বিতীয় রবিবারকে জাতীয় মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। সেই থেকেই দিবসটি বৈশ্বিক রূপ
পায়।
একসময় ভাবা হতো মায়ের ভূমিকা কেবল সন্তান লালন-পালনেই সীমাবদ্ধ।
কিন্তু বর্তমান বিশ্বে মায়ের পরিচয় বহুমাত্রিক। তিনি সন্তানের প্রথম শিক্ষক, পরিবারের
মানসিক শক্তির আধার, আবার একই সঙ্গে দক্ষ কর্মজীবী বা উদ্যোক্তা। আধুনিক সমাজ ও জাতি
গঠনে মায়েরা আজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।
‘মা’ শব্দের ভেতর
মিশে আছে জন্ম, নিরাপত্তা আর অস্তিত্বের পরম নির্ভরতা। পৃথিবীর সব ধর্মের গ্রন্থেই
মাকে দেওয়া হয়েছে বিশেষ মর্যাদা। আজকের এই দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে
বাস্তব জীবনেও সন্তানেরা ফুল, উপহার কিংবা সশরীরে মায়ের পাশে থেকে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ করছেন।
পৃথিবীর সব মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।

আপনার মতামত লিখুন