বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণার সম্পর্ক আরও জোরদার করতে 'নলেজ করিডোর' এক নতুন মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আগামীতে দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতিতে শিক্ষা কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ
করিডোরের দ্বিতীয় পর্ব’ এবং ‘এডুকেশন এক্সপো-২০২৬’-এর জমকালো উদ্বোধন অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "শিক্ষাবৃত্তির পাশাপাশি দুই দেশের
মধ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় সহযোগিতার পরিধি ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। পাকিস্তানের
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান অত্যন্ত উন্নত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সেখানে কোনো
খরচ ছাড়াই পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।" তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের
আবাসন ও জীবনযাত্রার জন্য যে মাসিক বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে, তা তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে
বিশেষভাবে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপ’-এর
আওতায় আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশের মোট ৫০০ শিক্ষার্থীকে পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ
দেওয়া হবে। প্রথম পর্যায়ে ইতোমধ্যে ৭৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পরীক্ষার মাধ্যমে বৃত্তি
পেয়ে পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন। এবারের এডুকেশন এক্সপোতে পাকিস্তানের
মোট ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত
পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল
খালেক। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী
সাদিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেন।
শিক্ষামন্ত্রী এডুকেশন এক্সপো উদ্বোধনের পর পাকিস্তানের বিভিন্ন
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টলগুলো পরিদর্শন করেন এবং এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের জন্য শুভকামনা
জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও মানসম্মত
শিক্ষা ও বৃত্তির মাধ্যমে আরও বেশি বিদেশি শিক্ষার্থীকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হবে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণার সম্পর্ক আরও জোরদার করতে 'নলেজ করিডোর' এক নতুন মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আগামীতে দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতিতে শিক্ষা কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ
করিডোরের দ্বিতীয় পর্ব’ এবং ‘এডুকেশন এক্সপো-২০২৬’-এর জমকালো উদ্বোধন অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "শিক্ষাবৃত্তির পাশাপাশি দুই দেশের
মধ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় সহযোগিতার পরিধি ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। পাকিস্তানের
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান অত্যন্ত উন্নত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সেখানে কোনো
খরচ ছাড়াই পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।" তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের
আবাসন ও জীবনযাত্রার জন্য যে মাসিক বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে, তা তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে
বিশেষভাবে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপ’-এর
আওতায় আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশের মোট ৫০০ শিক্ষার্থীকে পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ
দেওয়া হবে। প্রথম পর্যায়ে ইতোমধ্যে ৭৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পরীক্ষার মাধ্যমে বৃত্তি
পেয়ে পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন। এবারের এডুকেশন এক্সপোতে পাকিস্তানের
মোট ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত
পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল
খালেক। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী
সাদিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেন।
শিক্ষামন্ত্রী এডুকেশন এক্সপো উদ্বোধনের পর পাকিস্তানের বিভিন্ন
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টলগুলো পরিদর্শন করেন এবং এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের জন্য শুভকামনা
জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও মানসম্মত
শিক্ষা ও বৃত্তির মাধ্যমে আরও বেশি বিদেশি শিক্ষার্থীকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হবে।

আপনার মতামত লিখুন