টাঙ্গাইলের সখিপুরে সড়কের ওপর বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই ঢালাইয়ের কাজ শেষ করেছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ও এলাকাবাসীর ক্ষোভের মুখে একদিন পরই সেই খুঁটি অপসারণ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যুৎ ও সড়ক বিভাগের চরম উদাসীনতা ও সমন্বয়হীনতার কারণেই এমন বিড়ম্বনা তৈরি হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ‘দুর্গা এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গত দুই সপ্তাহ ধরে সখিপুরের কচুয়া-আড়াইপাড়া সড়কের নির্মাণকাজ করছে। মঙ্গলবার (১২ মে) সড়কের কচুয়া অংশে মাঝখানে খুঁটি রেখেই সিসি ঢালাই দেওয়া হয়। এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় তোলপাড়। স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে বুধবার (১৩ মে) দুপুরে বিদ্যুৎ বিভাগ খুঁটিটি কেটে সরিয়ে নেয়।
কচুয়া বাজারের চা-দোকানি মিনহাজ বলেন, ‘সড়কের মাঝখানে খুঁটি থাকায় চলাচলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছিল। খুঁটির কারণে সড়ক সরু হয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও ছিল।’
জানতে চাইলে দুর্গা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শ্যামল কান্তি সাহা বলেন, ‘আমরা খুঁটি সরানোর জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগ বলেছিল আবেদনে স্বাক্ষর আমার নয়, তাই তারা খুঁটি সরায়নি। এখন সমস্যার সমাধান হয়েছে।’
তবে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ সখিপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর তালুকদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘কাজ শুরু করার আগে ঠিকাদার আমাদের কিছুই জানাননি। গতকাল ঢালাই শুরুর আগ মুহূর্তে জাল স্বাক্ষর দিয়ে একটি আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। তবুও জনগণের দুর্ভোগের কথা ভেবে আমরা দ্রুত খুঁটিটি সরিয়েছি। মূলত বিদ্যুৎ বিভাগকে বিতর্কিত করতেই ঠিকাদার এমনটি করেছেন বলে মনে হচ্ছে।’

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
টাঙ্গাইলের সখিপুরে সড়কের ওপর বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই ঢালাইয়ের কাজ শেষ করেছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ও এলাকাবাসীর ক্ষোভের মুখে একদিন পরই সেই খুঁটি অপসারণ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যুৎ ও সড়ক বিভাগের চরম উদাসীনতা ও সমন্বয়হীনতার কারণেই এমন বিড়ম্বনা তৈরি হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ‘দুর্গা এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গত দুই সপ্তাহ ধরে সখিপুরের কচুয়া-আড়াইপাড়া সড়কের নির্মাণকাজ করছে। মঙ্গলবার (১২ মে) সড়কের কচুয়া অংশে মাঝখানে খুঁটি রেখেই সিসি ঢালাই দেওয়া হয়। এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় তোলপাড়। স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে বুধবার (১৩ মে) দুপুরে বিদ্যুৎ বিভাগ খুঁটিটি কেটে সরিয়ে নেয়।
কচুয়া বাজারের চা-দোকানি মিনহাজ বলেন, ‘সড়কের মাঝখানে খুঁটি থাকায় চলাচলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছিল। খুঁটির কারণে সড়ক সরু হয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও ছিল।’
জানতে চাইলে দুর্গা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শ্যামল কান্তি সাহা বলেন, ‘আমরা খুঁটি সরানোর জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগ বলেছিল আবেদনে স্বাক্ষর আমার নয়, তাই তারা খুঁটি সরায়নি। এখন সমস্যার সমাধান হয়েছে।’
তবে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ সখিপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর তালুকদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘কাজ শুরু করার আগে ঠিকাদার আমাদের কিছুই জানাননি। গতকাল ঢালাই শুরুর আগ মুহূর্তে জাল স্বাক্ষর দিয়ে একটি আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। তবুও জনগণের দুর্ভোগের কথা ভেবে আমরা দ্রুত খুঁটিটি সরিয়েছি। মূলত বিদ্যুৎ বিভাগকে বিতর্কিত করতেই ঠিকাদার এমনটি করেছেন বলে মনে হচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন