বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও দ্রুততর করতে ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ যাবতীয় আর্থিক কাগজপত্রে ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাচাইয়ের এক নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট বা ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রে বাধ্যতামূলকভাবে একটি অনলাইন যাচাইযোগ্য কিউআর কোড সংযুক্ত করতে হবে। মঙ্গলবার জারি বিআরপিডি সার্কুলার নং-১২ এর মাধ্যমে এই নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
মূলত বিভিন্ন দূতাবাস বা ভিসা সেন্টারগুলো যখন আবেদনকারীদের দাখিল করা নথিপত্র যাচাই করতে যায়, তখন তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তাদের নানা প্রশাসনিক জটিলতা ও অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। এই সমস্যা দূর করে জালিয়াতি রোধ এবং প্রশাসনিক ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নতুন নিয়ম জারি করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোর দেওয়া কিউআর কোডটি স্ক্যান করার সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট নম্বর, নাম, ব্যালেন্সের পরিমাণ এবং স্টেটমেন্ট তৈরির তারিখের মতো ন্যূনতম তথ্যগুলো নিশ্চিত করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। এই তথ্যগুলো ব্যাংকগুলোকে তাদের সিস্টেমে অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত সংরক্ষিত রাখতে হবে যেন যেকোনো সময় দূতাবাসগুলো তা যাচাই করতে পারে।
দেশের সকল তফসিলি ব্যাংককে এই নতুন নির্দেশনা কার্যকর করার জন্য আগামী ৯০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তাদের প্রয়োজনীয় কারিগরি সিস্টেম প্রস্তুত করতে হবে। তবে এই ধরনের ডিজিটাল ব্যবস্থা প্রবর্তনের ক্ষেত্রে গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা এবং সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারিকৃত এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও দ্রুততর করতে ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ যাবতীয় আর্থিক কাগজপত্রে ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাচাইয়ের এক নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট বা ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রে বাধ্যতামূলকভাবে একটি অনলাইন যাচাইযোগ্য কিউআর কোড সংযুক্ত করতে হবে। মঙ্গলবার জারি বিআরপিডি সার্কুলার নং-১২ এর মাধ্যমে এই নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
মূলত বিভিন্ন দূতাবাস বা ভিসা সেন্টারগুলো যখন আবেদনকারীদের দাখিল করা নথিপত্র যাচাই করতে যায়, তখন তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তাদের নানা প্রশাসনিক জটিলতা ও অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। এই সমস্যা দূর করে জালিয়াতি রোধ এবং প্রশাসনিক ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নতুন নিয়ম জারি করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোর দেওয়া কিউআর কোডটি স্ক্যান করার সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট নম্বর, নাম, ব্যালেন্সের পরিমাণ এবং স্টেটমেন্ট তৈরির তারিখের মতো ন্যূনতম তথ্যগুলো নিশ্চিত করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। এই তথ্যগুলো ব্যাংকগুলোকে তাদের সিস্টেমে অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত সংরক্ষিত রাখতে হবে যেন যেকোনো সময় দূতাবাসগুলো তা যাচাই করতে পারে।
দেশের সকল তফসিলি ব্যাংককে এই নতুন নির্দেশনা কার্যকর করার জন্য আগামী ৯০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তাদের প্রয়োজনীয় কারিগরি সিস্টেম প্রস্তুত করতে হবে। তবে এই ধরনের ডিজিটাল ব্যবস্থা প্রবর্তনের ক্ষেত্রে গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা এবং সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারিকৃত এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন