সংবাদ

ঋণের চাপে ডোমারে যুবকের 'আত্মহত্যা'


প্রতিনিধি, ডোমার (নীলফামারী)
প্রতিনিধি, ডোমার (নীলফামারী)
প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম

ঋণের চাপে ডোমারে যুবকের 'আত্মহত্যা'
ডোমার থানা। ছবি : সংবাদ

নীলফামারীর ডোমারে নিজের বাড়ির শৌচাগার থেকে গৌরাঙ্গ রায় (২২) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৩ মে) সকালে উপজেলার পাঙ্গা মটুকপুর ইউনিয়নের নয়নপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গৌরাঙ্গ ওই এলাকার মৃত রাজেন্দ্র রায়ের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মা অনোবালা রায় বাড়ির শৌচাগারের কাঠের আড়ার সঙ্গে ছেলেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। পরে প্রতিবেশীরা এসে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

গৌরাঙ্গ রায় বোড়াগাড়ী হাটের চামারপাড়া মোড়ে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের (বিকাশ ও নগদ) ব্যবসা করতেন। বাড়িতে তিনি ও তার মা থাকতেন। গৌরাঙ্গের স্বজন ও প্রতিবেশীদের দাবি, তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও ঋণগ্রস্ত ছিলেন।

গৌরাঙ্গ রায়ের জ্যাঠাতো ভাই প্রদীপ রায় বলেন, কয়েক মাস আগে জমি বিক্রি করে দোকান দিয়েছিলেন গৌরাঙ্গ। ঋণের কিস্তির জন্য প্রতিদিন দোকানে পাওনাদাররা আসত। কিছুদিন আগেও তিনি আড়াই লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ঋণের চাপ সইতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডোমার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শৈলেন দেব বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


ঋণের চাপে ডোমারে যুবকের 'আত্মহত্যা'

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

নীলফামারীর ডোমারে নিজের বাড়ির শৌচাগার থেকে গৌরাঙ্গ রায় (২২) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৩ মে) সকালে উপজেলার পাঙ্গা মটুকপুর ইউনিয়নের নয়নপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গৌরাঙ্গ ওই এলাকার মৃত রাজেন্দ্র রায়ের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মা অনোবালা রায় বাড়ির শৌচাগারের কাঠের আড়ার সঙ্গে ছেলেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। পরে প্রতিবেশীরা এসে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

গৌরাঙ্গ রায় বোড়াগাড়ী হাটের চামারপাড়া মোড়ে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের (বিকাশ ও নগদ) ব্যবসা করতেন। বাড়িতে তিনি ও তার মা থাকতেন। গৌরাঙ্গের স্বজন ও প্রতিবেশীদের দাবি, তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও ঋণগ্রস্ত ছিলেন।

গৌরাঙ্গ রায়ের জ্যাঠাতো ভাই প্রদীপ রায় বলেন, কয়েক মাস আগে জমি বিক্রি করে দোকান দিয়েছিলেন গৌরাঙ্গ। ঋণের কিস্তির জন্য প্রতিদিন দোকানে পাওনাদাররা আসত। কিছুদিন আগেও তিনি আড়াই লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ঋণের চাপ সইতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডোমার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শৈলেন দেব বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত