সংবাদ

প্রগতিপন্থি পত্রিকা বলতে সংবাদকেই চিনি


শিরীন পারভীন হক
শিরীন পারভীন হক নারী নেত্রী
প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১১:১১ পিএম

প্রগতিপন্থি পত্রিকা বলতে সংবাদকেই চিনি

প্রথমেই যেটা বলতে চাই, সেটা হলো আমাদের বাড়িতে আমার বাবা-মা সংবাদের পাঠক ছিলেন। আমাদের বাড়িতে কম হলেও ৪০ বা ৪৫ বছর সংবাদ রাখা হতো। তার পেছনেও কয়েকটা কারণ আছে। একটা তো একেবারেই পারিবারিক।

ব্যক্তিগত কারণ হলো যে, সংবাদের তৎকালীন সম্পাদক জহুর হোসেন চৌধুরী আমার বাবার খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। উনাদের মধ্যে খুব আসা যাওয়া ছিল সেটা একটা কারণ। আর হলো তখনকার দিনে কিন্তু প্রগতিপন্থী পত্রিকা বলতে আমরা সংবাদকেই চিনতাম, সংবাদকেই বুঝতাম, সেটা আরেকটা কারণ যে সংবাদ রাখা হতো। কিন্তু পরবর্তীতে যেটা হলো মানে অনেকগুলো পত্রিকা রাখার সামর্থ্য কমে যাওয়াতে সংবাদটা বাদ পড়ে গেল।

কিন্তু আমি আরেকটা জিনিস বলতে চাই এখানে। আমরা একবার একটা চিত্রপ্রদর্শনীতে গিয়েছিলাম। মানে একজন নামকরা ফটো সাংবাদিকের চিত্র প্রদর্শনীতে। সেখানে একটা ছবি ছিল সাদা কালো, বেগম সুফিয়া কামাল সংবাদ পড়ছেন সংবাদ লেখাটা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সেটা সঙ্গে সঙ্গে কিনে নিল। পয়সা আমি দিলাম, তার তো পয়সাকড়ি ছিল না।

যাই হোক সেটা কিন্তু তার অফিসে যেখানে বসতেন ঠিক তার মাথার উপরে ওটা ছিল। এবং মানে এতটাই, সে শুধু বেগম সুফিয়া কামালকে সম্মান করত তা না সংবাদ পত্রিকার প্রতি যে তার একটা ভালোবাসা ছিল, মানে একটা বিশেষ স্থান ছিল সেটাও তার একটা প্রতিফলন। সুতরাং সংবাদ পত্রিকার জন্য আমার অনেক অনেক শুভাশীষ এবং আপনাদের সাফল্য কামনা করি।

সংবাদ যেন আবার সেই আগের মতো করে পাঠক তৈরি করতে পারে, পাঠক সংগ্রহ করতে পারে, সেটা আশা করি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১৭ মে ২০২৬


প্রগতিপন্থি পত্রিকা বলতে সংবাদকেই চিনি

প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬

featured Image

প্রথমেই যেটা বলতে চাই, সেটা হলো আমাদের বাড়িতে আমার বাবা-মা সংবাদের পাঠক ছিলেন। আমাদের বাড়িতে কম হলেও ৪০ বা ৪৫ বছর সংবাদ রাখা হতো। তার পেছনেও কয়েকটা কারণ আছে। একটা তো একেবারেই পারিবারিক।

ব্যক্তিগত কারণ হলো যে, সংবাদের তৎকালীন সম্পাদক জহুর হোসেন চৌধুরী আমার বাবার খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। উনাদের মধ্যে খুব আসা যাওয়া ছিল সেটা একটা কারণ। আর হলো তখনকার দিনে কিন্তু প্রগতিপন্থী পত্রিকা বলতে আমরা সংবাদকেই চিনতাম, সংবাদকেই বুঝতাম, সেটা আরেকটা কারণ যে সংবাদ রাখা হতো। কিন্তু পরবর্তীতে যেটা হলো মানে অনেকগুলো পত্রিকা রাখার সামর্থ্য কমে যাওয়াতে সংবাদটা বাদ পড়ে গেল।

কিন্তু আমি আরেকটা জিনিস বলতে চাই এখানে। আমরা একবার একটা চিত্রপ্রদর্শনীতে গিয়েছিলাম। মানে একজন নামকরা ফটো সাংবাদিকের চিত্র প্রদর্শনীতে। সেখানে একটা ছবি ছিল সাদা কালো, বেগম সুফিয়া কামাল সংবাদ পড়ছেন সংবাদ লেখাটা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সেটা সঙ্গে সঙ্গে কিনে নিল। পয়সা আমি দিলাম, তার তো পয়সাকড়ি ছিল না।

যাই হোক সেটা কিন্তু তার অফিসে যেখানে বসতেন ঠিক তার মাথার উপরে ওটা ছিল। এবং মানে এতটাই, সে শুধু বেগম সুফিয়া কামালকে সম্মান করত তা না সংবাদ পত্রিকার প্রতি যে তার একটা ভালোবাসা ছিল, মানে একটা বিশেষ স্থান ছিল সেটাও তার একটা প্রতিফলন। সুতরাং সংবাদ পত্রিকার জন্য আমার অনেক অনেক শুভাশীষ এবং আপনাদের সাফল্য কামনা করি।

সংবাদ যেন আবার সেই আগের মতো করে পাঠক তৈরি করতে পারে, পাঠক সংগ্রহ করতে পারে, সেটা আশা করি।




সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত