সংবাদ

নেছারাবাদে আগুনে পুড়ল ১৯ দোকান, ব্যাপক ক্ষতি


প্রতিনিধি, পিরোজপুর
প্রতিনিধি, পিরোজপুর
প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ০১:২৬ পিএম

নেছারাবাদে আগুনে পুড়ল ১৯ দোকান, ব্যাপক ক্ষতি
পিরোজপুরের নেছারাবাদে মিয়ারহাট বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৯টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে । ছবি : সংবাদ

পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার মিয়ারহাট বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৯টি দোকান মালামালসহ সম্পূর্ণ এবং একটি দোকান আংশিক ভস্মীভূত হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্দরের সার ও কীটনাশকের দোকান ‘কাজী ট্রেডার্স’ থেকে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা মসজিদের মাইকে অগ্নিকাণ্ডের ঘোষণা দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে নেছারাবাদ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বিশাল সন্ধ্যা নদী পার হয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিসের আরও একটি ইউনিট। দুই ইউনিটের প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আগুনে সার ও কীটনাশকের ৩টি, রশি ও কাছির ১০টি, মুদি-মনোহরির ২টি, ক্রোকারিজ ও হার্ডওয়্যারের ২টি, চা-পানের দোকান ২টি এবং একটি সেলুনসহ মোট ২০টি প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নেছারাবাদ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেও এই একই বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে গিয়েছিল। বারবার এমন দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ে দ্রুত একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


নেছারাবাদে আগুনে পুড়ল ১৯ দোকান, ব্যাপক ক্ষতি

প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬

featured Image

পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার মিয়ারহাট বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৯টি দোকান মালামালসহ সম্পূর্ণ এবং একটি দোকান আংশিক ভস্মীভূত হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্দরের সার ও কীটনাশকের দোকান ‘কাজী ট্রেডার্স’ থেকে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা মসজিদের মাইকে অগ্নিকাণ্ডের ঘোষণা দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে নেছারাবাদ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বিশাল সন্ধ্যা নদী পার হয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিসের আরও একটি ইউনিট। দুই ইউনিটের প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আগুনে সার ও কীটনাশকের ৩টি, রশি ও কাছির ১০টি, মুদি-মনোহরির ২টি, ক্রোকারিজ ও হার্ডওয়্যারের ২টি, চা-পানের দোকান ২টি এবং একটি সেলুনসহ মোট ২০টি প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নেছারাবাদ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেও এই একই বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে গিয়েছিল। বারবার এমন দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ে দ্রুত একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত