মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৬ সাংবাদিকসহ অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের জেরে প্রায় ৩ ঘণ্টা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখা হয়। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে শহরের হবিগঞ্জ সড়ক এলাকায় একটি অটোরিকশার সঙ্গে মাইক্রোবাসের ঘষা লাগাকে কেন্দ্র করে দুই চালকের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জেরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক (গ্রুপ-২৩৫৯) ও মাইক্রোবাস চালকদের (গ্রুপ-১২২৩) মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা লাঠিসোঁটা নিয়ে শহরের চৌমুহনা ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নিলে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পর্যটন শহরটি।
সংঘর্ষের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে ৬ জন সংবাদকর্মী আহত হন। তারা হলেন- আমজাদ হোসেন বাচ্চু, ইসমাইল মাহমুদ, এহসানুল হক মুজাহিদ, এস কে দাশ সুমন, নূর মোহাম্মদ সাগর ও মো. আল আমিন। শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সিনথিয়া জানান, আহত ১৬ জনের মধ্যে পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পুলিশ প্রশাসন দুই পক্ষের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন। বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে শ্রমিকেরা সড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, "বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বিশৃঙ্খলা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৬ সাংবাদিকসহ অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের জেরে প্রায় ৩ ঘণ্টা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখা হয়। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে শহরের হবিগঞ্জ সড়ক এলাকায় একটি অটোরিকশার সঙ্গে মাইক্রোবাসের ঘষা লাগাকে কেন্দ্র করে দুই চালকের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জেরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক (গ্রুপ-২৩৫৯) ও মাইক্রোবাস চালকদের (গ্রুপ-১২২৩) মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা লাঠিসোঁটা নিয়ে শহরের চৌমুহনা ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নিলে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পর্যটন শহরটি।
সংঘর্ষের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে ৬ জন সংবাদকর্মী আহত হন। তারা হলেন- আমজাদ হোসেন বাচ্চু, ইসমাইল মাহমুদ, এহসানুল হক মুজাহিদ, এস কে দাশ সুমন, নূর মোহাম্মদ সাগর ও মো. আল আমিন। শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সিনথিয়া জানান, আহত ১৬ জনের মধ্যে পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পুলিশ প্রশাসন দুই পক্ষের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন। বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে শ্রমিকেরা সড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, "বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বিশৃঙ্খলা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"

আপনার মতামত লিখুন