আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল থেকেই শুরু হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের পুনরায় ভোটগ্রহণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এই ভোট চলছে, যেখানে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। নির্বাচন পরিচালনা করছে ভারতের নির্বাচন কমিশন, যাদের নির্দেশেই এই পুনরায় ভোটের আয়োজন করা হয়েছে।
এদিন সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট চলছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে।
এই পুনরায় ভোটের মূল কারণ গত ২৯ এপ্রিলের ভোটগ্রহণকে ঘিরে ওঠা একাধিক গুরুতর অভিযোগ। অভিযোগ ছিল, বিভিন্ন বুথে ইভিএমে বিজেপি প্রার্থীর বোতাম সাদা টেপ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয় এবং পুনরায় ভোটের দাবি জোরদার হয়।
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত তদন্ত করেন এবং তাঁর রিপোর্টের ভিত্তিতেই পুরো কেন্দ্রে পুনরায় ভোটের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।
এর পাশাপাশি এই উপনির্বাচনে বড় রাজনৈতিক মোড় এনে দেয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা। যদিও নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, একবার ভোট হয়ে যাওয়ায় তাঁর নাম এখনও ব্যালটে থাকবে এবং তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হিসেবেই গণ্য হবেন।
এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে ভারতীয় জনতা পার্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে।
শুধু বিজেপি ও তৃণমূল নয়, এই নির্বাচনে নজর রয়েছে সিপিআই(এম) এবং কংগ্রেসের ফলাফলের দিকেও। পুনরায় ভোটের ফলে ভোটারদের মনোভাব কতটা পরিবর্তিত হয়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
সব মিলিয়ে, ফলতার এই উপনির্বাচনের পুনরায় ভোট এখন শুধুমাত্র একটি ভোট নয়, বরং গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা, প্রশাসনিক ভূমিকা এবং রাজনৈতিক সমীকরণের এক বড় পরীক্ষা হয়ে উঠেছে। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত ফলতার মানুষ কাকে বেছে নেন।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল থেকেই শুরু হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের পুনরায় ভোটগ্রহণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এই ভোট চলছে, যেখানে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। নির্বাচন পরিচালনা করছে ভারতের নির্বাচন কমিশন, যাদের নির্দেশেই এই পুনরায় ভোটের আয়োজন করা হয়েছে।
এদিন সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট চলছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে।
এই পুনরায় ভোটের মূল কারণ গত ২৯ এপ্রিলের ভোটগ্রহণকে ঘিরে ওঠা একাধিক গুরুতর অভিযোগ। অভিযোগ ছিল, বিভিন্ন বুথে ইভিএমে বিজেপি প্রার্থীর বোতাম সাদা টেপ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয় এবং পুনরায় ভোটের দাবি জোরদার হয়।
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত তদন্ত করেন এবং তাঁর রিপোর্টের ভিত্তিতেই পুরো কেন্দ্রে পুনরায় ভোটের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।
এর পাশাপাশি এই উপনির্বাচনে বড় রাজনৈতিক মোড় এনে দেয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা। যদিও নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, একবার ভোট হয়ে যাওয়ায় তাঁর নাম এখনও ব্যালটে থাকবে এবং তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হিসেবেই গণ্য হবেন।
এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে ভারতীয় জনতা পার্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে।
শুধু বিজেপি ও তৃণমূল নয়, এই নির্বাচনে নজর রয়েছে সিপিআই(এম) এবং কংগ্রেসের ফলাফলের দিকেও। পুনরায় ভোটের ফলে ভোটারদের মনোভাব কতটা পরিবর্তিত হয়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
সব মিলিয়ে, ফলতার এই উপনির্বাচনের পুনরায় ভোট এখন শুধুমাত্র একটি ভোট নয়, বরং গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা, প্রশাসনিক ভূমিকা এবং রাজনৈতিক সমীকরণের এক বড় পরীক্ষা হয়ে উঠেছে। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত ফলতার মানুষ কাকে বেছে নেন।

আপনার মতামত লিখুন