সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, ২০২৪ সালে দেশের প্রয়োজনে সেনাসদস্যরা মাঠে থেকে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ায় তারা এখন ধীরে ধীরে ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছেন। দেশের ক্রান্তিলগ্নে সেনাসদস্যদের এমন অসামান্য ভূমিকা জাতি চিরকাল কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ রাখবে।
আজ বৃহস্পতিবার
(২১ মে) সকালে কুমিল্লা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘সেনাবাহিনী ফায়ারিং
প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি
এসব কথা বলেন।
প্রতিযোগিতায়
বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, বিগত ১৮ মাস মাঠে
কঠিন দায়িত্ব পালন করার পরও সেনাসদস্যরা ফায়ারিং প্রতিযোগিতায় যে অসামান্য পেশাদারিত্ব
ও দক্ষতা দেখিয়েছেন, তা সত্যিই অভূতপূর্ব। বক্তব্য শেষে সেনাপ্রধান বিজয়ী ও রানার্সআপ
দলের সদস্যদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
গত ১৬ মে সদর
দপ্তর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এই ঐতিহ্যবাহী ফায়ারিং প্রতিযোগিতা
শুরু হয়েছিল। এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ফরমেশন, লজিস্টিকস
এরিয়া, পাঁচটি স্বতন্ত্র ব্রিগেড এবং প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডসহ সর্বমোট ১৭টি দল অংশ
নেয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর মাস্টার জেনারেল অব দি অর্ডন্যান্স (এমজিও), কমান্ড্যান্ট বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স
ফ্যাক্টরি, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা
এরিয়া, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ১৭ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার সিলেট এরিয়াসহ
সেনাসদর ও বিভিন্ন ফরমেশনের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পদবির সেনাসদস্যরা
উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, ২০২৪ সালে দেশের প্রয়োজনে সেনাসদস্যরা মাঠে থেকে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ায় তারা এখন ধীরে ধীরে ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছেন। দেশের ক্রান্তিলগ্নে সেনাসদস্যদের এমন অসামান্য ভূমিকা জাতি চিরকাল কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ রাখবে।
আজ বৃহস্পতিবার
(২১ মে) সকালে কুমিল্লা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘সেনাবাহিনী ফায়ারিং
প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি
এসব কথা বলেন।
প্রতিযোগিতায়
বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, বিগত ১৮ মাস মাঠে
কঠিন দায়িত্ব পালন করার পরও সেনাসদস্যরা ফায়ারিং প্রতিযোগিতায় যে অসামান্য পেশাদারিত্ব
ও দক্ষতা দেখিয়েছেন, তা সত্যিই অভূতপূর্ব। বক্তব্য শেষে সেনাপ্রধান বিজয়ী ও রানার্সআপ
দলের সদস্যদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
গত ১৬ মে সদর
দপ্তর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এই ঐতিহ্যবাহী ফায়ারিং প্রতিযোগিতা
শুরু হয়েছিল। এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ফরমেশন, লজিস্টিকস
এরিয়া, পাঁচটি স্বতন্ত্র ব্রিগেড এবং প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডসহ সর্বমোট ১৭টি দল অংশ
নেয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর মাস্টার জেনারেল অব দি অর্ডন্যান্স (এমজিও), কমান্ড্যান্ট বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স
ফ্যাক্টরি, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা
এরিয়া, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ১৭ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার সিলেট এরিয়াসহ
সেনাসদর ও বিভিন্ন ফরমেশনের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পদবির সেনাসদস্যরা
উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন