সংবাদ

বিসিবির অ্যাডহক কমিটির রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ১১:৫৮ পিএম

বিসিবির অ্যাডহক কমিটির রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ
তামিমের নেতৃত্বাধীন বিসিবির অ্যাডহক কমিটি বাতিলের রিট হাইকোর্টের কার্যতালিকা থেকে বাদ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনার জন্য তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে কাউন্সিলরদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে করা আরেকটি রিটও কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

আবেদনগুলোর গুণাগুণের (অন মেরিট) ওপর দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার (২১ মে) এ আদেশ দেয়। আদালতের এই আদেশের ফলে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং আসন্ন ২০২৬ সালের নির্বাচনী প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আইনগত আর কোনো বাধা থাকল না বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

আদালত ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিবিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের অংশ হিসেবে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির গঠনপ্রক্রিয়া বেআইনি ও ক্রিকেট বোর্ডের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী দাবি করে মে মাসের শুরুর দিকে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করেন বিসিবির সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং আরও ১১ জন সাবেক পরিচালক। 

রিট আবেদনে অ্যাডহক কমিটির সকল কার্যক্রম স্থগিত করার পাশাপাশি আসন্ন বিসিবি নির্বাচনের যাবতীয় প্রক্রিয়ার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছিল। আবেদনকারীদের দাবি ছিল, বর্তমান কমিটির নির্বাচনি রোডম্যাপ তৈরি ও কাউন্সিলর মনোনয়নের প্রক্রিয়াটি বৈধ নয়।

অন্যদিকে, ২০২৬ সালের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের জন্য কাউন্সিলরদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার আহ্বানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন সাবেক কাউন্সিলর হাইকোর্টে আরেকটি পৃথক রিট আবেদন দায়ের করেন।

গত কয়েক কার্যদিবস ধরে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে এই দুটি রিট আবেদনের ওপর বিস্তারিত ও শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে বিসিবির অ্যাডহক কমিটির আইনি ভিত্তি এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে উভয় পক্ষই তাদের যুক্তি তুলে ধরেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। তারা যুক্তি দেন, ক্রিকেট বোর্ডের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও আসন্ন নির্বাচন সুচারুভাবে সম্পন্ন করার স্বার্থে এই মুহূর্তে কোনো স্থগিতাদেশ দেওয়া যুক্তিসঙ্গত হবে না। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার মাহিন এম. রহমান।

উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক এবং মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদন দুটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার (আউট অব লিস্ট) সিদ্ধান্ত দেন।

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, কোনো রিট আবেদন ‘কার্যতালিকা থেকে বাদ’ যাওয়ার অর্থ হলো বর্তমান বেঞ্চে এটির শুনানি আর অগ্রসর হবে না এবং এটি খারিজ বা মঞ্জুর কোনোটিই করা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬


বিসিবির অ্যাডহক কমিটির রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ

প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনার জন্য তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে কাউন্সিলরদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে করা আরেকটি রিটও কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

আবেদনগুলোর গুণাগুণের (অন মেরিট) ওপর দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার (২১ মে) এ আদেশ দেয়। আদালতের এই আদেশের ফলে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং আসন্ন ২০২৬ সালের নির্বাচনী প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আইনগত আর কোনো বাধা থাকল না বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

আদালত ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিবিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের অংশ হিসেবে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির গঠনপ্রক্রিয়া বেআইনি ও ক্রিকেট বোর্ডের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী দাবি করে মে মাসের শুরুর দিকে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করেন বিসিবির সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং আরও ১১ জন সাবেক পরিচালক। 

রিট আবেদনে অ্যাডহক কমিটির সকল কার্যক্রম স্থগিত করার পাশাপাশি আসন্ন বিসিবি নির্বাচনের যাবতীয় প্রক্রিয়ার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছিল। আবেদনকারীদের দাবি ছিল, বর্তমান কমিটির নির্বাচনি রোডম্যাপ তৈরি ও কাউন্সিলর মনোনয়নের প্রক্রিয়াটি বৈধ নয়।

অন্যদিকে, ২০২৬ সালের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের জন্য কাউন্সিলরদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার আহ্বানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন সাবেক কাউন্সিলর হাইকোর্টে আরেকটি পৃথক রিট আবেদন দায়ের করেন।

গত কয়েক কার্যদিবস ধরে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে এই দুটি রিট আবেদনের ওপর বিস্তারিত ও শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে বিসিবির অ্যাডহক কমিটির আইনি ভিত্তি এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে উভয় পক্ষই তাদের যুক্তি তুলে ধরেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। তারা যুক্তি দেন, ক্রিকেট বোর্ডের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও আসন্ন নির্বাচন সুচারুভাবে সম্পন্ন করার স্বার্থে এই মুহূর্তে কোনো স্থগিতাদেশ দেওয়া যুক্তিসঙ্গত হবে না। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার মাহিন এম. রহমান।

উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক এবং মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদন দুটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার (আউট অব লিস্ট) সিদ্ধান্ত দেন।

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, কোনো রিট আবেদন ‘কার্যতালিকা থেকে বাদ’ যাওয়ার অর্থ হলো বর্তমান বেঞ্চে এটির শুনানি আর অগ্রসর হবে না এবং এটি খারিজ বা মঞ্জুর কোনোটিই করা হয়নি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত