ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের প্রযোজনায় মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে সুফিসাহিত্যের কালজয়ী প্রেমকাহিনি লাইলি-মজনু।
আজ ১৮ থেকে ২১ মে
প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় এবং ২২ মে বিকেল ৫টা ও সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের
নাটম-ল মিলনায়তনে নাটকটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।
মধ্যযুগীয় কবি দৌলত
উজির বাহরাম খান-এর কাব্য অবলম্বনে নির্মিত এ নাটকের নাট্যরূপ, পরিকল্পনা ও নির্দেশনা
দিয়েছেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানভীর নাহিদ খান। এতে অভিনয় করছেন থিয়েটার অ্যান্ড
পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের স্নাতক তৃতীয় বর্ষ ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা।
নাটকের গল্প আবর্তিত
হয়েছে আরবের নজদ অঞ্চলের যুবক কয়েস ও রূপসী লাইলির গভীর প্রেমকে কেন্দ্র করে। শৈশব
থেকেই তাদের মধ্যে জন্ম নেয় নিখাদ ভালোবাসা। কিন্তু সামাজিক বাধা, পারিবারিক মর্যাদা
ও লোকলজ্জার কারণে দুই পরিবারের বিরোধিতায় তাদের মিলন অসম্ভব হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে লাইলিকে
গৃহবন্দি করা হলে বিরহে উন্মাদ হয়ে পড়ে কয়েস। তার এই উন্মাদনার কারণেই মানুষ তাকে
‘মজনু’ নামে ডাকতে শুরু করে। পরে অন্যত্র লাইলির বিয়ে হলেও হৃদয়ে সে আজীবন মজনুকেই
ধারণ করে রাখে। দীর্ঘ বিরহ ও বেদনার পর লাইলির মৃত্যু হলে মজনুও তার কবরের পাশেই শেষ
নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।
নির্দেশক তানভীর
নাহিদ খান বলেন, “‘লাইলি-মজনু’ শুধু প্রেমের গল্প নয়, এটি সামাজিক প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে
হৃদয়ের আর্তি ও আত্মত্যাগের এক শাশ্বত উপাখ্যান।”
তিনি আরও জানান,
কাব্যের ধ্রুপদি ভাষা, সুর ও শরীরী অভিব্যক্তির মাধ্যমে সমকালীন দর্শকের কাছে মধ্যযুগীয়
সুফি ভাবধারাকে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের প্রযোজনায় মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে সুফিসাহিত্যের কালজয়ী প্রেমকাহিনি লাইলি-মজনু।
আজ ১৮ থেকে ২১ মে
প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় এবং ২২ মে বিকেল ৫টা ও সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের
নাটম-ল মিলনায়তনে নাটকটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।
মধ্যযুগীয় কবি দৌলত
উজির বাহরাম খান-এর কাব্য অবলম্বনে নির্মিত এ নাটকের নাট্যরূপ, পরিকল্পনা ও নির্দেশনা
দিয়েছেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানভীর নাহিদ খান। এতে অভিনয় করছেন থিয়েটার অ্যান্ড
পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের স্নাতক তৃতীয় বর্ষ ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা।
নাটকের গল্প আবর্তিত
হয়েছে আরবের নজদ অঞ্চলের যুবক কয়েস ও রূপসী লাইলির গভীর প্রেমকে কেন্দ্র করে। শৈশব
থেকেই তাদের মধ্যে জন্ম নেয় নিখাদ ভালোবাসা। কিন্তু সামাজিক বাধা, পারিবারিক মর্যাদা
ও লোকলজ্জার কারণে দুই পরিবারের বিরোধিতায় তাদের মিলন অসম্ভব হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে লাইলিকে
গৃহবন্দি করা হলে বিরহে উন্মাদ হয়ে পড়ে কয়েস। তার এই উন্মাদনার কারণেই মানুষ তাকে
‘মজনু’ নামে ডাকতে শুরু করে। পরে অন্যত্র লাইলির বিয়ে হলেও হৃদয়ে সে আজীবন মজনুকেই
ধারণ করে রাখে। দীর্ঘ বিরহ ও বেদনার পর লাইলির মৃত্যু হলে মজনুও তার কবরের পাশেই শেষ
নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।
নির্দেশক তানভীর
নাহিদ খান বলেন, “‘লাইলি-মজনু’ শুধু প্রেমের গল্প নয়, এটি সামাজিক প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে
হৃদয়ের আর্তি ও আত্মত্যাগের এক শাশ্বত উপাখ্যান।”
তিনি আরও জানান,
কাব্যের ধ্রুপদি ভাষা, সুর ও শরীরী অভিব্যক্তির মাধ্যমে সমকালীন দর্শকের কাছে মধ্যযুগীয়
সুফি ভাবধারাকে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন