ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিল বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। সেই প্রস্তুতির ফল মিলেছে বাস্তবে। পদ্মা সেতু ও যমুনা সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন পারাপার হয়েছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা বা যানজটের খবর পাওয়া যায়নি।
সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৬ মে) পদ্মা সেতু দিয়ে ৪৫ হাজার ৬০২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৫ কোটি ৩ লাখ ২৪ হাজার ৪৫০ টাকা। অন্যদিকে যমুনা সেতু দিয়ে ৫৬ হাজার ২৩৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৮২ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা। দুই সেতু মিলিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় যানবাহন পারাপার হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৮৪১টি এবং টোল আদায় হয়েছে প্রায় ৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।
বুধবার (২৭ মে) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা শিকদারের স্বাক্ষর করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সকালে বিআরটিএ কন্ট্রোল রুমে যমুনা ও পদ্মা সেতুর লাইভ ভিডিও ফুটেজ পরিদর্শন করে যান চলাচলের অবস্থা দেখেন। প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান নিজে পদ্মা সেতু টোল প্লাজা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে সেতু কর্তৃপক্ষ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে- টোল কালেক্টরদের বিশেষ প্রশিক্ষণ, মোটরসাইকেল লেন বৃদ্ধি, নন-স্টপ ইটিসি চালু, সার্ভেইল্যান্স ক্যামেরায় ট্রাফিক মনিটরিং, এলেঙ্গা ও মাওয়া বাস-বে উন্মুক্তকরণ। এ ছাড়া প্রতি ৩০০ মিটার পরপর নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন, তিনটি ভারী রেকারের মাধ্যমে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম এবং প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিস ও মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।
সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ জানান, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় সেতু কর্তৃপক্ষ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এবার যানবাহনের চাপ বেশি থাকলেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা যানজট হয়নি।।
কোরবানির পশু বহনকারী যানবাহনগুলোকে ওয়েজিং স্কেল মেশিনের আওতামুক্ত রাখা হয়েছিল, যাতে সময়ক্ষেপণ না হয়। দ্রুত টোল পরিশোধের জন্য টোল বুথে পর্যাপ্ত ভাঙতি টাকার ব্যবস্থাও ছিল। যাত্রীদের জন্য টোল প্লাজার পাশে রাখা হয়েছিল ওয়াশরুম ও সুপেয় পানি।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিল বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। সেই প্রস্তুতির ফল মিলেছে বাস্তবে। পদ্মা সেতু ও যমুনা সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন পারাপার হয়েছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা বা যানজটের খবর পাওয়া যায়নি।
সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৬ মে) পদ্মা সেতু দিয়ে ৪৫ হাজার ৬০২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৫ কোটি ৩ লাখ ২৪ হাজার ৪৫০ টাকা। অন্যদিকে যমুনা সেতু দিয়ে ৫৬ হাজার ২৩৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৮২ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা। দুই সেতু মিলিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় যানবাহন পারাপার হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৮৪১টি এবং টোল আদায় হয়েছে প্রায় ৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।
বুধবার (২৭ মে) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা শিকদারের স্বাক্ষর করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সকালে বিআরটিএ কন্ট্রোল রুমে যমুনা ও পদ্মা সেতুর লাইভ ভিডিও ফুটেজ পরিদর্শন করে যান চলাচলের অবস্থা দেখেন। প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান নিজে পদ্মা সেতু টোল প্লাজা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে সেতু কর্তৃপক্ষ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে- টোল কালেক্টরদের বিশেষ প্রশিক্ষণ, মোটরসাইকেল লেন বৃদ্ধি, নন-স্টপ ইটিসি চালু, সার্ভেইল্যান্স ক্যামেরায় ট্রাফিক মনিটরিং, এলেঙ্গা ও মাওয়া বাস-বে উন্মুক্তকরণ। এ ছাড়া প্রতি ৩০০ মিটার পরপর নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন, তিনটি ভারী রেকারের মাধ্যমে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম এবং প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিস ও মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।
সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ জানান, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় সেতু কর্তৃপক্ষ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এবার যানবাহনের চাপ বেশি থাকলেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা যানজট হয়নি।।
কোরবানির পশু বহনকারী যানবাহনগুলোকে ওয়েজিং স্কেল মেশিনের আওতামুক্ত রাখা হয়েছিল, যাতে সময়ক্ষেপণ না হয়। দ্রুত টোল পরিশোধের জন্য টোল বুথে পর্যাপ্ত ভাঙতি টাকার ব্যবস্থাও ছিল। যাত্রীদের জন্য টোল প্লাজার পাশে রাখা হয়েছিল ওয়াশরুম ও সুপেয় পানি।

আপনার মতামত লিখুন