শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস (সূত্রহীন) এলিজা বেগম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আলমগীর গাজীকে (৩৬) গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩। শনিবার (১ জুন) দুপুরে কুড়িগ্রামের রাজারহাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার আলমগীর গাজী খুলনা জেলার কয়রা থানার জায়গীর মহল আমাদী গ্রামের মুনসুর রহমান গাজীর ছেলে। নিহত এলিজা বেগম (৩৫) তার দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন।
মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৯ নভেম্বর সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঝিনাইগাতী থানার গান্দিগাঁও এলাকার একটি রাস্তার পাশের ঝোপ থেকে এক অজ্ঞাতনামা নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনই পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে তদন্তে জানা যায়, নিহত নারী আলমগীর গাজীর দ্বিতীয় স্ত্রী এলিজা বেগম। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ ও শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটত। এরই জেরে গত বছরের ১৩ নভেম্বর সহযোগীদের নিয়ে স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ ঝোপে ফেলে পালিয়ে যান আলমগীর।
র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, হত্যাকাণ্ডটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। আসামিকে শনাক্তের পর র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার উমর মজিদ ইউনিয়নের আনন্দ বাজার এলাকার একটি বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস (সূত্রহীন) এলিজা বেগম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আলমগীর গাজীকে (৩৬) গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩। শনিবার (১ জুন) দুপুরে কুড়িগ্রামের রাজারহাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার আলমগীর গাজী খুলনা জেলার কয়রা থানার জায়গীর মহল আমাদী গ্রামের মুনসুর রহমান গাজীর ছেলে। নিহত এলিজা বেগম (৩৫) তার দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন।
মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৯ নভেম্বর সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঝিনাইগাতী থানার গান্দিগাঁও এলাকার একটি রাস্তার পাশের ঝোপ থেকে এক অজ্ঞাতনামা নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনই পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে তদন্তে জানা যায়, নিহত নারী আলমগীর গাজীর দ্বিতীয় স্ত্রী এলিজা বেগম। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ ও শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটত। এরই জেরে গত বছরের ১৩ নভেম্বর সহযোগীদের নিয়ে স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ ঝোপে ফেলে পালিয়ে যান আলমগীর।
র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, হত্যাকাণ্ডটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। আসামিকে শনাক্তের পর র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার উমর মজিদ ইউনিয়নের আনন্দ বাজার এলাকার একটি বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন