সংবাদ

শ্রীমঙ্গলে তাপপ্রবাহ ও যানজটে চরম দুর্ভোগে জনজীবন


প্রতিনিধি, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)
প্রতিনিধি, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)
প্রকাশ: ৩ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম

শ্রীমঙ্গলে তাপপ্রবাহ ও যানজটে চরম দুর্ভোগে জনজীবন
শ্রীমঙ্গলের চৌমুহনা চত্বরে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। ছবি : সংবাদ

একদিকে তীব্র তাপপ্রবাহ, অন্যদিকে দীর্ঘ যানজট এই দুইয়ের যাঁতাকলে পড়ে হাঁসফাঁস করছেন মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের মানুষ। পর্যটন নগরী ও চায়ের রাজধানী হিসেবে পরিচিত এই শহরের প্রাণকেন্দ্র চৌমুহনা চত্বর বুধবার (৩ জুন) দুপুরে কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। প্রখর রোদে যানজটে আটকে থাকা যাত্রী ও চালকদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

সরেজমিনে দেখা যায়, চৌমুহনা মোড়ে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি। যানবাহনের ধীরগতির কারণে মোড়টির চারপাশের সড়কে তীব্র চাপের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে যানবাহন ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকায় যাত্রী ও পথচারীদের মধ্যে চরম বিরক্তি ও অসহায়ত্ব দেখা দেয়।

দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজ আরও বাড়লে ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। রাস্তায় আটকে থাকা মানুষজন ছায়ার খোঁজে ছোটাছুটি করেন। অনেককে রুমাল, গামছা কিংবা ব্যাগ দিয়ে মাথা ঢেকে রোদ থেকে বাঁচার চেষ্টা করতে দেখা যায়। বদ্ধ যানবাহনের ভেতর গরম যেন আরও অসহনীয় হয়ে ওঠে।

জরুরি কাজে বের হওয়া যাত্রী ও চাকরিজীবীরা সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়কের পাশে অপরিকল্পিত পার্কিং, মোড় এলাকায় যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা এবং যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণেই চৌমুহনায় নিত্যদিন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

যানজটে আটকে থাকা এক সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক বলেন, “দুপুর থেকে গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বসে আছি। রোদে গাড়ির ভেতর থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কিন্তু যানজট তো নড়ছেই না।”

যানবাহনের এই প্রবল চাপ সামাল দিতে ট্রাফিক পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, পর্যটন শহর শ্রীমঙ্গলের যানজট নিরসনে স্থায়ী ট্রাফিক পরিকল্পনা এবং অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬


শ্রীমঙ্গলে তাপপ্রবাহ ও যানজটে চরম দুর্ভোগে জনজীবন

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬

featured Image

একদিকে তীব্র তাপপ্রবাহ, অন্যদিকে দীর্ঘ যানজট এই দুইয়ের যাঁতাকলে পড়ে হাঁসফাঁস করছেন মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের মানুষ। পর্যটন নগরী ও চায়ের রাজধানী হিসেবে পরিচিত এই শহরের প্রাণকেন্দ্র চৌমুহনা চত্বর বুধবার (৩ জুন) দুপুরে কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। প্রখর রোদে যানজটে আটকে থাকা যাত্রী ও চালকদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

সরেজমিনে দেখা যায়, চৌমুহনা মোড়ে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি। যানবাহনের ধীরগতির কারণে মোড়টির চারপাশের সড়কে তীব্র চাপের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে যানবাহন ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকায় যাত্রী ও পথচারীদের মধ্যে চরম বিরক্তি ও অসহায়ত্ব দেখা দেয়।

দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজ আরও বাড়লে ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। রাস্তায় আটকে থাকা মানুষজন ছায়ার খোঁজে ছোটাছুটি করেন। অনেককে রুমাল, গামছা কিংবা ব্যাগ দিয়ে মাথা ঢেকে রোদ থেকে বাঁচার চেষ্টা করতে দেখা যায়। বদ্ধ যানবাহনের ভেতর গরম যেন আরও অসহনীয় হয়ে ওঠে।

জরুরি কাজে বের হওয়া যাত্রী ও চাকরিজীবীরা সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়কের পাশে অপরিকল্পিত পার্কিং, মোড় এলাকায় যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা এবং যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণেই চৌমুহনায় নিত্যদিন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

যানজটে আটকে থাকা এক সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক বলেন, “দুপুর থেকে গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বসে আছি। রোদে গাড়ির ভেতর থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কিন্তু যানজট তো নড়ছেই না।”

যানবাহনের এই প্রবল চাপ সামাল দিতে ট্রাফিক পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, পর্যটন শহর শ্রীমঙ্গলের যানজট নিরসনে স্থায়ী ট্রাফিক পরিকল্পনা এবং অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত