চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক আবদুল কাদিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাব। বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্রের নাম ব্যবহার করে ভুয়া ‘ফটোকার্ড’ তৈরি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদে এই বিবৃতি দেওয়া হয়।
সাংবাদিক আবদুল কাদির দৈনিক কালবেলা ও দৈনিক চাঁদপুর প্রতিদিনের ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি। ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মামুনুর রশিদ পাঠান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে জানানো হয়, আবদুল কাদির দীর্ঘ দিন ধরে সুনাম ও সততার সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন। সম্প্রতি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে এই অপপ্রচার শুরু করেছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৫ মে ফরিদগঞ্জের বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফাতেমা বেগমের পরিবর্তে তার সদ্য দাখিল পাস করা ছেলে মিরাজুন্নবী সিয়াম শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানের পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় গত ১২ মে ওই শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হওয়ায় একটি চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাংবাদিক আবদুল কাদিরের বিরুদ্ধে ভুয়া তথ্য ও ফটোকার্ড ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন কবির বলেন, ‘আমি দীর্ঘ দিন ধরে সাংবাদিক আবদুল কাদিরকে চিনি। তিনি অত্যন্ত সৎ ও সজ্জন মানুষ। তাঁর বিরুদ্ধে এ ধরনের অপপ্রচার অনভিপ্রেত।’
ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাব সাংবাদিক আবদুল কাদিরসহ সব পেশাদার সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে এ ধরনের ভিত্তিহীন অপপ্রচার ও মানহানিকর কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি কঠোর আহ্বান জানিয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন