নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র থেকে পালানোর অভিযোগে ফয়জুল (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও পৈশাচিক নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হারিয়া চৌধুরীপাড়া এলাকার ‘এভারগ্রীন মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে।
বুধবার (৩ জুন) রাত ১১টার দিকে গুরুতর আহত ফয়জুলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে পালিয়ে যান ওই কেন্দ্রের কর্মকর্তারা। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত ফয়জুল কাঁচপুর ইউনিয়নের বেহাকৈর গ্রামের হোসেন মিয়ার ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদক সেবনের কারণে ফয়জুলকে কিছুদিন আগে ওই নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসার নামে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফয়জুল পালানোর চেষ্টা করেন। বুধবার রাতে তাকে ধরে এনে বেধড়ক পেটানো হয় এবং লাঠি দিয়ে তার গোপনাঙ্গে আঘাতসহ শরীরে আগুনের ছ্যাঁকা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়লে তাকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করার পরপরই কেন্দ্রের পরিচালক সবুজ মিয়াসহ অন্যরা পালিয়ে যান।
নিহতের মেয়ে নূর জাহান অভিযোগ করে বলেন, ‘বাবা অসুস্থ হয়েছেন বলে মিথ্যা খবর দিয়ে আমাদের হাসপাতালে ডাকে নিরাময় কেন্দ্রের লোকজন। আমরা গিয়ে দেখি বাবার মরদেহ পড়ে আছে, কিন্তু তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি। আমার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে।’
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার জানান, মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নির্যাতনের শিকার হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র থেকে পালানোর অভিযোগে ফয়জুল (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও পৈশাচিক নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হারিয়া চৌধুরীপাড়া এলাকার ‘এভারগ্রীন মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে।
বুধবার (৩ জুন) রাত ১১টার দিকে গুরুতর আহত ফয়জুলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে পালিয়ে যান ওই কেন্দ্রের কর্মকর্তারা। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত ফয়জুল কাঁচপুর ইউনিয়নের বেহাকৈর গ্রামের হোসেন মিয়ার ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদক সেবনের কারণে ফয়জুলকে কিছুদিন আগে ওই নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসার নামে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফয়জুল পালানোর চেষ্টা করেন। বুধবার রাতে তাকে ধরে এনে বেধড়ক পেটানো হয় এবং লাঠি দিয়ে তার গোপনাঙ্গে আঘাতসহ শরীরে আগুনের ছ্যাঁকা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়লে তাকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করার পরপরই কেন্দ্রের পরিচালক সবুজ মিয়াসহ অন্যরা পালিয়ে যান।
নিহতের মেয়ে নূর জাহান অভিযোগ করে বলেন, ‘বাবা অসুস্থ হয়েছেন বলে মিথ্যা খবর দিয়ে আমাদের হাসপাতালে ডাকে নিরাময় কেন্দ্রের লোকজন। আমরা গিয়ে দেখি বাবার মরদেহ পড়ে আছে, কিন্তু তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি। আমার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে।’
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার জানান, মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নির্যাতনের শিকার হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন