কুষ্টিয়া-মেহেরপুর মহাসড়কের মিরপুর উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের পাশেই গড়ে উঠেছে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়। প্রতিদিন সড়কের পাশে যত্রতত্র বর্জ্য ফেলায় অসহনীয় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন পথচারী, যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ইদানীং সেখানে মৃত পশুও ফেলা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য ও সড়ক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ব্যস্ততম এই মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ও পচনশীল বস্তু স্তূপ করে রাখা হয়েছে। রোদ কিংবা বৃষ্টিতে এই স্তূপ থেকে ছড়ানো তীব্র দুর্গন্ধে ওই এলাকা অতিক্রম করা দায় হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, গরমের সময় এই দুর্গন্ধ আরও তীব্র হয়। এতে বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা শ্বাসকষ্ট ও বমিভাবসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পচনশীল বর্জ্য ও মৃত পশু থেকে ছড়ানো জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রামক ব্যাধি ছড়ানোর অন্যতম কারণ। এছাড়া এসব বর্জ্যের ওপর মাছি ও মশার উপদ্রব বাড়ছে। রাতে খাবারের সন্ধানে কুকুর ও শেয়াল মহাসড়কের ওপর চলে আসায় দ্রুতগামী যানবাহনের চালকদের জন্য তা দুর্ঘটনার বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে। অথচ সড়কের পাশেই এমন অব্যবস্থাপনা পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবিধির চরম লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। মিরপুরের এই ভাগাড়টি দ্রুত অপসারণ করে পরিবেশ রক্ষার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
কুষ্টিয়া-মেহেরপুর মহাসড়কের মিরপুর উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের পাশেই গড়ে উঠেছে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়। প্রতিদিন সড়কের পাশে যত্রতত্র বর্জ্য ফেলায় অসহনীয় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন পথচারী, যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ইদানীং সেখানে মৃত পশুও ফেলা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য ও সড়ক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ব্যস্ততম এই মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ও পচনশীল বস্তু স্তূপ করে রাখা হয়েছে। রোদ কিংবা বৃষ্টিতে এই স্তূপ থেকে ছড়ানো তীব্র দুর্গন্ধে ওই এলাকা অতিক্রম করা দায় হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, গরমের সময় এই দুর্গন্ধ আরও তীব্র হয়। এতে বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা শ্বাসকষ্ট ও বমিভাবসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পচনশীল বর্জ্য ও মৃত পশু থেকে ছড়ানো জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রামক ব্যাধি ছড়ানোর অন্যতম কারণ। এছাড়া এসব বর্জ্যের ওপর মাছি ও মশার উপদ্রব বাড়ছে। রাতে খাবারের সন্ধানে কুকুর ও শেয়াল মহাসড়কের ওপর চলে আসায় দ্রুতগামী যানবাহনের চালকদের জন্য তা দুর্ঘটনার বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে। অথচ সড়কের পাশেই এমন অব্যবস্থাপনা পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবিধির চরম লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। মিরপুরের এই ভাগাড়টি দ্রুত অপসারণ করে পরিবেশ রক্ষার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপনার মতামত লিখুন