রংপুরে স্মরণকালের প্রচণ্ড তাপদাহে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। তীব্র রোদ আর গরম বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত। বুধবার (৩ জুন) রংপুরে এই মৌসুমের সর্বোচ্চ ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।
তীব্র গরমে জমিতে কাজ করার সময় হিটস্ট্রোকে চারজন কৃষি শ্রমিক জ্ঞান হারিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কাউনিয়া উপজেলার ঢুসমারার চর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাদের উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৈশাখ মাসের শুরুতে বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া কিছুটা সহনীয় থাকলেও সপ্তাহখানেক ধরে জেলাজুড়ে তীব্র দাবদাহ চলছে। সকাল সাতটা বাজতেই রোদের প্রখরতা বাড়তে শুরু করে, সঙ্গে বইছে গরম বাতাস। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুলগামী শিশু ও শ্রমজীবী মানুষ। অতিরিক্ত গরমে পানিশূন্যতা দেখা দেওয়ায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
নগরীর মোড়ে মোড়ে আখের রস ও ঠান্ডা পানীয়র দোকানে তৃষ্ণা মেটাতে মানুষের ভিড় বাড়ছে। প্রখর রোদের কারণে দুপুরের আগেই রাস্তাঘাট প্রায় জনশূন্য হয়ে যাচ্ছে। দিনের তীব্রতা কমলেও সন্ধ্যার পর গরমের তেজ কমছে না, ফলে রাতের বেলাতেও মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজার রহমান জানান, আপাতত ভারী বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। উল্টো তাপমাত্রা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন