উখিয়ার নাফ নদীতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে পালংখালী বিওপি এলাকার বাহারপাড়ায় সীমান্তের শূন্য লাইনের কাছে এ ঘটনা ঘটে। বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবা আটক করা হয়েছে।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) জানায়, বিকেল সোয়া ২টার দিকে মিয়ানমার থেকে বেশ কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি নৌকাযোগে বাংলাদেশের দিকে আসতে থাকেন। এটি ইয়াবা পাচারের একটি প্রচলিত রুট হওয়ায় বিজিবি টহল দল তাদের বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করতে নিষেধ করে। কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করে এগিয়ে আসতে থাকেন এবং বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেন।
এতে বিজিবির বিশেষ দল নাফ নদীসংলগ্ন বেরিবাঁধে অবস্থান নিয়ে ওই সশস্ত্র ব্যক্তিদের ওপর গুলি বর্ষণ করে। পাল্টা গুলি ছুঁড়ে তারা নৌকা ফেলে রেখে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি টহল দল নৌকাটি আটক করে তল্লাশি চালায়।
আটক মালামালের মধ্যে রয়েছে, জি থ্রি রাইফেল ১টি, জি থ্রি খালি ম্যাগাজিন ৩টি, খালি ফাইবার ম্যাগাজিন ৩টি, গুলি ৫১৫ রাউন্ড, ইয়াবা ৪ হাজার পিস (যার বাজারমূল্য ১২ লাখ টাকা), সিম্ফনি বাটন মোবাইল ১টি, এয়ারটেল সিম ২টি, জি থ্রি পাউচ ১টি, লুঙ্গি ২টি, গেঞ্জি ১টি, ১০ টাকার নোট ২টি (মোট ২০ টাকা) ও ম্যারিজ সিগারেট ১২ প্যাকেট।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মে হ্নীলা বিওপির কাব্যিক চর নামক স্থানে যে সশস্ত্র দল দুই জেলে বেশধারী রোহিঙ্গার কাছে থেকে গুলি করে ইয়াবা ছিনিয়ে নিয়েছিল, বুধবার পালংখালীতে ঘটনায় উপস্থিত সশস্ত্র দলটিও একই। ঘটনার পর সীমান্তে বিজিবির জনবল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
৬৪ বিজিবি জানায়, সীমান্তে বসবাসরত জনসাধারণ ও জেলেদের জানমালের নিরাপত্তায় বিজিবি সদা প্রস্তুত। বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সীমান্তে সন্ত্রাস দমনে সব সময় কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
উখিয়ার নাফ নদীতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে পালংখালী বিওপি এলাকার বাহারপাড়ায় সীমান্তের শূন্য লাইনের কাছে এ ঘটনা ঘটে। বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবা আটক করা হয়েছে।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) জানায়, বিকেল সোয়া ২টার দিকে মিয়ানমার থেকে বেশ কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি নৌকাযোগে বাংলাদেশের দিকে আসতে থাকেন। এটি ইয়াবা পাচারের একটি প্রচলিত রুট হওয়ায় বিজিবি টহল দল তাদের বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করতে নিষেধ করে। কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করে এগিয়ে আসতে থাকেন এবং বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেন।
এতে বিজিবির বিশেষ দল নাফ নদীসংলগ্ন বেরিবাঁধে অবস্থান নিয়ে ওই সশস্ত্র ব্যক্তিদের ওপর গুলি বর্ষণ করে। পাল্টা গুলি ছুঁড়ে তারা নৌকা ফেলে রেখে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি টহল দল নৌকাটি আটক করে তল্লাশি চালায়।
আটক মালামালের মধ্যে রয়েছে, জি থ্রি রাইফেল ১টি, জি থ্রি খালি ম্যাগাজিন ৩টি, খালি ফাইবার ম্যাগাজিন ৩টি, গুলি ৫১৫ রাউন্ড, ইয়াবা ৪ হাজার পিস (যার বাজারমূল্য ১২ লাখ টাকা), সিম্ফনি বাটন মোবাইল ১টি, এয়ারটেল সিম ২টি, জি থ্রি পাউচ ১টি, লুঙ্গি ২টি, গেঞ্জি ১টি, ১০ টাকার নোট ২টি (মোট ২০ টাকা) ও ম্যারিজ সিগারেট ১২ প্যাকেট।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মে হ্নীলা বিওপির কাব্যিক চর নামক স্থানে যে সশস্ত্র দল দুই জেলে বেশধারী রোহিঙ্গার কাছে থেকে গুলি করে ইয়াবা ছিনিয়ে নিয়েছিল, বুধবার পালংখালীতে ঘটনায় উপস্থিত সশস্ত্র দলটিও একই। ঘটনার পর সীমান্তে বিজিবির জনবল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
৬৪ বিজিবি জানায়, সীমান্তে বসবাসরত জনসাধারণ ও জেলেদের জানমালের নিরাপত্তায় বিজিবি সদা প্রস্তুত। বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সীমান্তে সন্ত্রাস দমনে সব সময় কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন