ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফিতে রয়েছে ৬ কেজি (১৮ ক্যারেট) স্বর্ণ। মোট ওজন ৬.১ কিলোগ্রাম। উচ্চতা ৩৭ সেন্টিমিটার এবং ব্যাস ১৩ সেন্টিমিটার। ট্রফিটি তৈরি করতে ৬,১৭৫ গ্রাম স্বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রফির ভিতরের অংশ অবশ্য ফাঁপা। ট্রফির নিচের অংশে ম্যালাকাইটের দু’টি বৃত্ত রয়েছে। ম্যালাকাইটও মূল্যবান খনিজ। শুধু স্বর্ণ এবং অন্য উপকরণ নিয়ে বিশ্বকাপ ট্রফির বর্তমান বাজার মূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মূদ্রায় ৩ কোটি টাকার ওপর। ট্রফিটির নকশা, নির্মাণ খরচ এবং গুরুত্বের কথা বিবেচনা করলে আরও বেশ কয়েক গুণ বেশি দাম হবে।
১৯৭০ সালে তৃতীয় বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন
হওয়ায় ব্রাজিলকে পাকাপাকি ভাবে দিয়ে দেয়া হয় জুলে রিমে কাপ। তারপর বর্তমান ট্রফিটি
তৈরি করে ফিফা। এই ট্রফি পাকাপাকি ভাবে দেয়া হয় না। ইতালির শিল্পী সিলভিয়ো গাজানিগা
ট্রফিটির নকশা করেছিলেন। ফিফা একটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করে এই নকশাটি বেছে নিয়েছিল।
বিশ্বকাপের নকশাও অত্যন্ত আকর্ষনীয়।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফিতে রয়েছে ৬ কেজি (১৮ ক্যারেট) স্বর্ণ। মোট ওজন ৬.১ কিলোগ্রাম। উচ্চতা ৩৭ সেন্টিমিটার এবং ব্যাস ১৩ সেন্টিমিটার। ট্রফিটি তৈরি করতে ৬,১৭৫ গ্রাম স্বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রফির ভিতরের অংশ অবশ্য ফাঁপা। ট্রফির নিচের অংশে ম্যালাকাইটের দু’টি বৃত্ত রয়েছে। ম্যালাকাইটও মূল্যবান খনিজ। শুধু স্বর্ণ এবং অন্য উপকরণ নিয়ে বিশ্বকাপ ট্রফির বর্তমান বাজার মূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মূদ্রায় ৩ কোটি টাকার ওপর। ট্রফিটির নকশা, নির্মাণ খরচ এবং গুরুত্বের কথা বিবেচনা করলে আরও বেশ কয়েক গুণ বেশি দাম হবে।
১৯৭০ সালে তৃতীয় বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন
হওয়ায় ব্রাজিলকে পাকাপাকি ভাবে দিয়ে দেয়া হয় জুলে রিমে কাপ। তারপর বর্তমান ট্রফিটি
তৈরি করে ফিফা। এই ট্রফি পাকাপাকি ভাবে দেয়া হয় না। ইতালির শিল্পী সিলভিয়ো গাজানিগা
ট্রফিটির নকশা করেছিলেন। ফিফা একটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করে এই নকশাটি বেছে নিয়েছিল।
বিশ্বকাপের নকশাও অত্যন্ত আকর্ষনীয়।

আপনার মতামত লিখুন